ঢাকা সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

বলাৎকারের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

সাদনান আল নূর তিয়ান সাদনান আল নূর তিয়ান

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট, ২০২৬

বলাৎকারের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি মাদ্রাসায় ১২ বছরের ছাত্রকে বলাৎকারের ঘটনা দেন দরবারে ব্যর্থ হয়ে ৯দিন পর থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করা হয়েছে। 
রোববার (৯ আগস্ট) ফতুল্লা মডেল থানায় এ অভিযোগ দায়ের করা হয়।
ছাত্রের অভিভাবকের অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ৩১ জুলাই রাত ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ফতুল্লার নয়ামাটি মুসলিমপাড়া এলাকায় অবস্থিত উম্মুল ক্কুরা নূরানী তা’লীমুল কুরআন মাদ্রাসায় হেফজখানায় অধ্যায়নরত আবাসিক ছাত্রকে (১২) ঘুমন্ত অবস্থায় মাদ্রাসার মোহতামিম সোলাইমান বিন হাফিজের ছেলে মাদ্রাসার শিক্ষাক আহমাদ (১৮) বলাৎকার করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বলাৎকারের বিষয়টি তাৎক্ষনিক ছাত্রের অভিভাবক ও আশপাশের লোকজনের মধ্যে জানাজানি হয়। এরপর ওই রাতেই ছাত্রের খালাতো ভাই মৃদুল (২৮) জাতীয় জরুরী নাম্বারে ফোন করে এসআই মোয়াজ্জেম হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম নিয়ে শিক্ষাক আহমাদকে আটক করে। এসময় অভিযোগকারী মৃদুলই আপোষ মিমাংসার কথা বলে পুলিশের কাছ থেকে শিক্ষক আহমাদকে ছাড়িয়ে নেয়।
শিক্ষকের বাবা মাদ্রাসার মোহতামিম সোলাইমান বিন হাফিজ অভিযোগে উল্লেখ করেন, ঘটনার ৬দিন পর গত ৬ আগষ্ট উভয় পক্ষ মৃদুলের বাসায় আপোষ মিমাংসায় বসি। প্রথমে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরন দাবী করেন মৃদুল। এতো টাকা জরিমানা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে মৃদুল ও তার লোকজন মিলে আহমাদকে এলোপাথারী মারধর করেন।
মৃদুল জানান, ক্ষতিপূরন ছাত্রের অভিভাবক আমার মাধ্যমে দাবী করেছে। এজন্য শিক্ষক ও তার অভিভাবককে বলেছি যদি আপোষ মিমাংসা করেন তাহলে ১০ লাখ টাকা দিতে হবে। তারা জরিমানা দিতে পারবেনা তাই থানায় মামলার আবেদন করেছে ছাত্রের মা।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, বলাৎকারের ঘটনায় ছাত্রের মা ও খালাতো ভাই ফোন করে নিয়েছেন, তারাই আপোষ মিমাংসার কথা বলে শিক্ষককে তাদের জিম্মায় রেখে দিয়েছেন। এ বিষয়ে এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারিনা।
ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, বলাৎকারের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Link copied!