বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আজ আন্তব্যাংক বাজারে ডলারের গড় বিনিময় হার বেড়ে ১২৪ টাকা ৩৫ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ ও এলএনজির দাম বাড়ায় আমদানি ব্যয় বাড়ছে। মাসের শেষ দিকে জ্বালানি আমদানির দায় পরিশোধে সরকারি পর্যায়ে অর্থের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ডলারের বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি হয়েছে।
এদিকে রমজানকে কেন্দ্র করে এ সময় এলসি খোলার পরিমাণ আগের তুলনায় বেড়ে গেছে। রমজানকেন্দ্রিক পণ্যের সরবরাহ ঠিক রাখতে আগেভাগেই এলসি খোলা হয়ে থাকে, যাতে বাজারে পণ্যের কোনো ঘাটতি না থাকে। তবে ডলারের বিনিময় হারে হঠাৎ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার বিষয়ে ব্যাংক নির্বাহীদের সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
গতকাল সোমবার সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠকে গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এই সতর্কবার্তা দেন। বৈঠকে জানানো হয়, দেশের বেশির ভাগ ব্যাংকের ডলার ধারণক্ষমতা বা এনওপি ভালো অবস্থায় রয়েছে। তারপরও এক মাস ধরে আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজার ও কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম বাড়ছে।
গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে আমদানির এলসির ডলারের দর প্রায় ১ টাকা বেড়েছে। গত ২৭ অক্টোবর আমদানির ক্ষেত্রে ডলারের সর্বোচ্চ দর ছিল ১২৪ টাকা ১৮ পয়সা, যা মঙ্গলবার বেড়ে ১২৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া খোলাবাজারে ডলারের দাম উঠেছে ১২৮ টাকা ২০ পয়সায়।
ব্যাংকগুলোর ঘোষিত দর পর্যালোচনায় দেখা গেছে, জনতা ব্যাংকে ডলারের স্পট বিক্রয়মূল্য ছিল ১২৫ টাকা এবং ক্রয়মূল্য ১২৪ টাকা। সোনালী ব্যাংকে ক্রয়মূল্য ছিল ১২৩ টাকা ৭০ পয়সা ও বিক্রয়মূল্য ১২৪ টাকা ৭০ পয়সা। ইস্টার্ন, সিটি ও ব্র্যাক ব্যাংকেও ডলারের ক্রয়-বিক্রয়মূল্য প্রায় একই সীমার মধ্যে রয়েছে।

সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ নভেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আজ আন্তব্যাংক বাজারে ডলারের গড় বিনিময় হার বেড়ে ১২৪ টাকা ৩৫ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ ও এলএনজির দাম বাড়ায় আমদানি ব্যয় বাড়ছে। মাসের শেষ দিকে জ্বালানি আমদানির দায় পরিশোধে সরকারি পর্যায়ে অর্থের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ডলারের বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি হয়েছে।
এদিকে রমজানকে কেন্দ্র করে এ সময় এলসি খোলার পরিমাণ আগের তুলনায় বেড়ে গেছে। রমজানকেন্দ্রিক পণ্যের সরবরাহ ঠিক রাখতে আগেভাগেই এলসি খোলা হয়ে থাকে, যাতে বাজারে পণ্যের কোনো ঘাটতি না থাকে। তবে ডলারের বিনিময় হারে হঠাৎ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার বিষয়ে ব্যাংক নির্বাহীদের সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
গতকাল সোমবার সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠকে গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এই সতর্কবার্তা দেন। বৈঠকে জানানো হয়, দেশের বেশির ভাগ ব্যাংকের ডলার ধারণক্ষমতা বা এনওপি ভালো অবস্থায় রয়েছে। তারপরও এক মাস ধরে আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজার ও কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম বাড়ছে।
গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে আমদানির এলসির ডলারের দর প্রায় ১ টাকা বেড়েছে। গত ২৭ অক্টোবর আমদানির ক্ষেত্রে ডলারের সর্বোচ্চ দর ছিল ১২৪ টাকা ১৮ পয়সা, যা মঙ্গলবার বেড়ে ১২৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া খোলাবাজারে ডলারের দাম উঠেছে ১২৮ টাকা ২০ পয়সায়।
ব্যাংকগুলোর ঘোষিত দর পর্যালোচনায় দেখা গেছে, জনতা ব্যাংকে ডলারের স্পট বিক্রয়মূল্য ছিল ১২৫ টাকা এবং ক্রয়মূল্য ১২৪ টাকা। সোনালী ব্যাংকে ক্রয়মূল্য ছিল ১২৩ টাকা ৭০ পয়সা ও বিক্রয়মূল্য ১২৪ টাকা ৭০ পয়সা। ইস্টার্ন, সিটি ও ব্র্যাক ব্যাংকেও ডলারের ক্রয়-বিক্রয়মূল্য প্রায় একই সীমার মধ্যে রয়েছে।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন