দৈনিক সোজা সাপটা

সোজা সাপটা হাইলাইটস

সোনারগাঁয়ে ‍যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

সোনারগাঁয়ে ‍যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

সোনারগায়ের চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় ইউনিয়ন যুবদল সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা। রাত সাড়ে ১১টায় ঘটে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা।পুর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জহির ফকিরকে সোনারগাঁয়ের চরকিশোরগঞ্জে কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। এলাকাটি মুন্সিগঞ্জ জেলার নিকটবর্তি হওয়ায় মুমুর্ষ অবস্থায় তাকে মুন্সীগঞ্জ সদর জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে যান স্বজনরা। কর্তব্যরত ডাক্তার জহিরকে মৃত ঘোষনা করেন। তার লাশ এখনো (রাত সোয়া ১২টা) মুন্সিগঞ্জ হাসপাতালে রয়েছে।
২২ অক্টোবর ২০২৬

কালামের ভাগিনার বিরুদ্ধে শিক্ষিকাকে হেনস্তার অভিযোগ‎

‎সোজাসাপটা রিপোর্টনারায়ণগঞ্জের নবীগঞ্জ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী ইংরেজি শিক্ষিকা রওশন আরা মিমকে অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি করাতে ব্যর্থ হয়ে অন্যায়ভাবে হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছে নিজেকে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের ভাগিনা দাবিদার ফেরদৌস ওয়াহিদ সুমনের বিরুদ্ধে।‎সম্প্রতি স্কুল শিক্ষিকা রওশন আরা মিম তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুক) আইডিতে এক পোস্টের মাধ্যমে ফেরদৌস ওয়াহিদ সুমনের বিরুদ্ধে এই গুরুত্বর অভিযোগ তোলেন।‎শিক্ষিকা রওশন আরা মিমের দাবি, ফেরদৌস ওয়াহিদ সুমনের কুপ্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় সে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাংবাদিকদের ভুল ও মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে।‎সম্প্রতি ওই শিক্ষিকার স্বামী অপু সারোয়ারের বাড়ির নিচতলার ভাড়াটিয়া মরিয়ম নামে এক নারী অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকা অবস্থায় স্থানীয় এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। তবে কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে মূল আটককৃতদের ছবি ব্যবহার না করে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাড়িওয়ালা অপু সারোয়ার এবং তার স্ত্রী শিক্ষিকা রওশন আরা মিমের ছবি ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। শিক্ষিকার দাবি, ফেরদৌস ওয়াহিদ সুমন ইন্ধন জোগায় বলেই এই মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচারিত হয়েছে।‎অভিযোগের বিষয়ে জানতে ফেরদৌস ওয়াহিদ সুমনের মুঠোফোনে (০১৮১৯১৪৬২) যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে বলেন, “আপনার কথা বুঝতে পারছি না, কল কেটে আপনাকে ফোন দিচ্ছি।” পরবর্তীতে তিনি নিজে কল করে নিজেকে ‘অপরাধ দমন’ পত্রিকার সহ-সম্পাদক পরিচয় দিয়ে বলেন, “আমিও সাংবাদিক, আপনিও সাংবাদিক। আমি কোনো যাচাই-বাছাই করব না, কোনো প্রশ্নও করব না।” এ সময় প্রমান দিতে না পারলে ১০ কোটি ও ১ কোটি টাকার মানহানি মামলা করার হুমকি দিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।‎‎স্থানীয়দের মতে, অভিযোগ সত্য হলে এটি কেবল ব্যক্তিগত অনৈতিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং এটি ক্ষমতার অপব্যবহার এবং একজন নারী শিক্ষিকার নিরাপত্তার প্রশ্ন। কোনো রাজনৈতিক পরিচয়, পারিবারিক প্রভাব বা ক্ষমতার দাপট যেন তদন্তে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে।‎যেহেতু অভিযুক্ত সুমন সংসদ সদস্যের পরিচয়ে প্রভাব বিস্তার করছে, তাই স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম ও তার রাজনৈতিক সচিব আবুল কাউসার আশার উচিত বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা।  অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে, কারণ আইন সবার জন্যই সমান।

কালামের ভাগিনার বিরুদ্ধে শিক্ষিকাকে হেনস্তার অভিযোগ‎
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৫২ এএম
বিএনপি সরকার কতোটুকু সফল বলে মনে করেন?

বিএনপি সরকার কতোটুকু সফল বলে মনে করেন?

  শতভাগ
  কিছুটা
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৮ জন
কোন ছবি নেই !
কোন ছবি নেই !