উৎসবমুখর পরিবেশ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব দীপাবলি ও শ্যামাপূজা। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভক্ত ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়।
রবিবার (৮ নভেম্বর ) নগরীর মিশনপাড়া এলাকায় অবস্থিত রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমে পূজা-অর্চনা ও নানা ধর্মীয় আয়োজনের অনুষ্ঠিত হলো দীপাবলি ও শ্যামাপূজা।
অনুষ্ঠানে দেওভোগ সাধু নাগ মহাশয় আশ্রমের সভাপতি তারাপদ আচার্য প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা ও এফবিসিসিআই-এর সাবেক পরিচালক প্রবীর কুমার সাহা এবং রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তারাপদ আচার্য সবাইকে দীপাবলি ও কালীপূজার শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, বিগত দুর্গাপূজা অত্যন্ত সুন্দর, নির্বিঘ্ন ও দ্বিধাহীনভাবে সম্পন্ন হয়েছিল, যেখানে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। একইভাবে শ্যামাপূজাতেও ভক্তদের ব্যাপক সমাগম ঘটেছে।
বক্তব্যে তিনি মা কালীর রূপ ও মহিমা তুলে ধরে ঐতিহাসিক প্রসঙ্গ টেনে বলেন, স্বামী বিবেকানন্দের শিষ্যা ভগিনী নিবেদিতা এবং রামকৃষ্ণ-রামপ্রসাদের মতো সাধকরা মা কালীর কল্যাণময়ী রূপের কথাই প্রকাশ করে গেছেন। মা সর্বদা বিপদে মানুষকে রক্ষা করেন ও আশীর্বাদ দেন। পরিশেষে তিনি উপস্থিত সকলকে মা কালীর আদর্শ ও মানবকল্যাণের শিক্ষা নিজেদের জীবনে ধারণ করার আহ্বান জানান।

সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
উৎসবমুখর পরিবেশ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব দীপাবলি ও শ্যামাপূজা। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভক্ত ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়।
রবিবার (৮ নভেম্বর ) নগরীর মিশনপাড়া এলাকায় অবস্থিত রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমে পূজা-অর্চনা ও নানা ধর্মীয় আয়োজনের অনুষ্ঠিত হলো দীপাবলি ও শ্যামাপূজা।
অনুষ্ঠানে দেওভোগ সাধু নাগ মহাশয় আশ্রমের সভাপতি তারাপদ আচার্য প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা ও এফবিসিসিআই-এর সাবেক পরিচালক প্রবীর কুমার সাহা এবং রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তারাপদ আচার্য সবাইকে দীপাবলি ও কালীপূজার শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, বিগত দুর্গাপূজা অত্যন্ত সুন্দর, নির্বিঘ্ন ও দ্বিধাহীনভাবে সম্পন্ন হয়েছিল, যেখানে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। একইভাবে শ্যামাপূজাতেও ভক্তদের ব্যাপক সমাগম ঘটেছে।
বক্তব্যে তিনি মা কালীর রূপ ও মহিমা তুলে ধরে ঐতিহাসিক প্রসঙ্গ টেনে বলেন, স্বামী বিবেকানন্দের শিষ্যা ভগিনী নিবেদিতা এবং রামকৃষ্ণ-রামপ্রসাদের মতো সাধকরা মা কালীর কল্যাণময়ী রূপের কথাই প্রকাশ করে গেছেন। মা সর্বদা বিপদে মানুষকে রক্ষা করেন ও আশীর্বাদ দেন। পরিশেষে তিনি উপস্থিত সকলকে মা কালীর আদর্শ ও মানবকল্যাণের শিক্ষা নিজেদের জীবনে ধারণ করার আহ্বান জানান।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন