নারায়ণগঞ্জে একটি প্রতিষ্ঠানের ৫০ শতাংশ অংশীদার করার কথা বলে এক যুবকের কাছ থেকে ৯ লাখ টাকা নেওয়া এবং পরে অংশীদারত্ব অস্বীকার করে টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় জি.জি. সাকলাইন হোসেন, জি.এম. মাসুদ ঢালী ও ফৌজিয়া মাসুদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ, অর্থ আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে আদালতে মামলা করেছেন মোহাম্মদ সাব্বির হোসেন (২১) নামের এক যুবক।
আদালতে দাখিল করা অভিযোগের বিবরণ অনুযায়ী, বাদী সাব্বির হোসেন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পূর্ব শিয়াচর এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্তদের ঠিকানা নারায়ণগঞ্জ সদর এলাকার ২৩ নম্বর লয়েল ট্যাংক রোড। তাঁদের মধ্যে জি.জি. সাকলাইন হোসেন জি.এস.এইচ এক্সপ্রেস নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার আরজিতে সাব্বির হোসেন দাবি করেন, প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক সংকট দেখা দিলে তাঁকে ব্যবসার ৫০ শতাংশ অংশীদার হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। ওই প্রস্তাবে সম্মত হয়ে তিনি ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর এক লাখ টাকা এবং ২৫ নভেম্বর ছয় লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন। পরে ব্যবসা পরিচালনার জন্য আরও দুই লাখ টাকা দেন। সব মিলিয়ে তাঁর দেওয়া অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় নয় লাখ টাকা।
অভিযোগে বলা হয়, বিনিয়োগের বিষয়ে পক্ষগুলোর মধ্যে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে একটি ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব চুক্তি সম্পাদিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, সাব্বিরের প্রতিষ্ঠানের ৫০ শতাংশ অংশীদার হওয়ার এবং ব্যবসার লভ্যাংশ পাওয়ার কথা ছিল। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁকে কোনো লভ্যাংশ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আরজিতে আরও বলা হয়, অংশীদারত্ব ও লভ্যাংশের বিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগ করলে অভিযুক্তরা তাঁকে প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হিসেবে স্বীকার করেননি। একই সঙ্গে তাঁর বিনিয়োগ করা নয় লাখ টাকা ফেরত দিতেও অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগ করেন বাদী।
অভিযোগ অনুযায়ী, পাওনা টাকা ফেরত চেয়ে ২০২৬ সালের ১৯ এপ্রিল অভিযুক্তদের আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। এরপরও টাকা ফেরত না পাওয়ায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন সাব্বির। তবে তাতেও সমাধান হয়নি বলে মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদীর অভিযোগ, গত ২ মে বিকেল ৫টার দিকে তিনি সাক্ষীদের সঙ্গে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের টানবাজার এলাকার পদ্মা সিটি প্লাজা-২-এ অবস্থিত অভিযুক্তের অফিসে যান। সেখানে বিনিয়োগের টাকা ফেরত, ব্যবসার লভ্যাংশ প্রদান এবং চুক্তি অনুযায়ী ৫০ শতাংশ অংশীদারত্ব নিশ্চিত করার দাবি জানালে অভিযুক্তরা তাঁর ওপর ক্ষিপ্ত হন এবং মারমুখী আচরণ করেন।
এ সময় টাকা ফেরত বা ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব দাবি করলে মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং প্রয়োজনে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেছেন সাব্বির হোসেন।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে একটি প্রতিষ্ঠানের ৫০ শতাংশ অংশীদার করার কথা বলে এক যুবকের কাছ থেকে ৯ লাখ টাকা নেওয়া এবং পরে অংশীদারত্ব অস্বীকার করে টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় জি.জি. সাকলাইন হোসেন, জি.এম. মাসুদ ঢালী ও ফৌজিয়া মাসুদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ, অর্থ আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে আদালতে মামলা করেছেন মোহাম্মদ সাব্বির হোসেন (২১) নামের এক যুবক।
আদালতে দাখিল করা অভিযোগের বিবরণ অনুযায়ী, বাদী সাব্বির হোসেন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পূর্ব শিয়াচর এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্তদের ঠিকানা নারায়ণগঞ্জ সদর এলাকার ২৩ নম্বর লয়েল ট্যাংক রোড। তাঁদের মধ্যে জি.জি. সাকলাইন হোসেন জি.এস.এইচ এক্সপ্রেস নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার আরজিতে সাব্বির হোসেন দাবি করেন, প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক সংকট দেখা দিলে তাঁকে ব্যবসার ৫০ শতাংশ অংশীদার হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। ওই প্রস্তাবে সম্মত হয়ে তিনি ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর এক লাখ টাকা এবং ২৫ নভেম্বর ছয় লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন। পরে ব্যবসা পরিচালনার জন্য আরও দুই লাখ টাকা দেন। সব মিলিয়ে তাঁর দেওয়া অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় নয় লাখ টাকা।
অভিযোগে বলা হয়, বিনিয়োগের বিষয়ে পক্ষগুলোর মধ্যে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে একটি ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব চুক্তি সম্পাদিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, সাব্বিরের প্রতিষ্ঠানের ৫০ শতাংশ অংশীদার হওয়ার এবং ব্যবসার লভ্যাংশ পাওয়ার কথা ছিল। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁকে কোনো লভ্যাংশ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আরজিতে আরও বলা হয়, অংশীদারত্ব ও লভ্যাংশের বিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগ করলে অভিযুক্তরা তাঁকে প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হিসেবে স্বীকার করেননি। একই সঙ্গে তাঁর বিনিয়োগ করা নয় লাখ টাকা ফেরত দিতেও অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগ করেন বাদী।
অভিযোগ অনুযায়ী, পাওনা টাকা ফেরত চেয়ে ২০২৬ সালের ১৯ এপ্রিল অভিযুক্তদের আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। এরপরও টাকা ফেরত না পাওয়ায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন সাব্বির। তবে তাতেও সমাধান হয়নি বলে মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদীর অভিযোগ, গত ২ মে বিকেল ৫টার দিকে তিনি সাক্ষীদের সঙ্গে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের টানবাজার এলাকার পদ্মা সিটি প্লাজা-২-এ অবস্থিত অভিযুক্তের অফিসে যান। সেখানে বিনিয়োগের টাকা ফেরত, ব্যবসার লভ্যাংশ প্রদান এবং চুক্তি অনুযায়ী ৫০ শতাংশ অংশীদারত্ব নিশ্চিত করার দাবি জানালে অভিযুক্তরা তাঁর ওপর ক্ষিপ্ত হন এবং মারমুখী আচরণ করেন।
এ সময় টাকা ফেরত বা ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব দাবি করলে মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং প্রয়োজনে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেছেন সাব্বির হোসেন।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন