যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে ভোট দেয়ার অভিযোগে বাংলাদেশি এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মোহাম্মদ হাছিবুর রহমান (৩৩) নামের ওই বাংলাদেশির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি মার্কিন নাগরিক না হয়েও ২০২৪ সালের নভেম্বরে দেশটির নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।
এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের জেলা অ্যাটর্নির কার্যালয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের জেলা অ্যাটর্নির কার্যালয় এ তথ্য জানিয়েছে বলে স্থানীয় সময় বুধবার (২৮ অক্টোবর) মার্কিন বিচার বিভাগের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ৩৩ বছর বয়সী হাছিবুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিক। তার বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অবৈধভাবে ভোট দেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। মেরিল্যান্ডের জেলা অ্যাটর্নি কেলি ও. হেইস এবং এফবিআইয়ের বাল্টিমোর কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ এজেন্ট জিমি পল এ অভিযোগের বিষয়ে ঘোষণা দেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মোহাম্মদ হাছিবুর রহমান জানতেন যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নন। তা সত্ত্বেও ২০২৪ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোট দেন তিনি। ওই নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ করা হয়েছিল।
তবে অভিযোগপত্র দাখিলের অর্থ এই নয় যে অভিযুক্ত ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। ফৌজদারি মামলার পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়ায় দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তকে নির্দোষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
এদিকে নাগরিক না হয়েও মার্কিন নির্বাচনে ভোট দেয়ার এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে হাছিবুর রহমানের সর্বোচ্চ এক বছরের ফেডারেল কারাদণ্ড হতে পারে। তবে ফেডারেল অপরাধের ক্ষেত্রে সাধারণত সর্বোচ্চ নির্ধারিত সাজার চেয়ে কম সাজা দেয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সাজা নির্ধারণের নির্দেশিকা এবং আইনে উল্লেখিত অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ফেডারেল জেলা আদালতের বিচারক তার সাজা নির্ধারণ করবেন।
এদিকে তদন্তে ভূমিকা রাখার জন্য এফবিআইয়ের প্রশংসা করেছেন জেলা অ্যাটর্নি কেলি ও. হেইস। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) ওয়াশিংটন কার্যালয়কে সহায়তার জন্য ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি।
একইসঙ্গে ফেডারেল মামলাটির বিচার পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সহকারী মার্কিন অ্যাটর্নি ফিলিপ মোৎসেকেও ধন্যবাদ জানান হেইস।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে ভোট দেয়ার অভিযোগে বাংলাদেশি এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মোহাম্মদ হাছিবুর রহমান (৩৩) নামের ওই বাংলাদেশির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি মার্কিন নাগরিক না হয়েও ২০২৪ সালের নভেম্বরে দেশটির নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।
এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের জেলা অ্যাটর্নির কার্যালয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের জেলা অ্যাটর্নির কার্যালয় এ তথ্য জানিয়েছে বলে স্থানীয় সময় বুধবার (২৮ অক্টোবর) মার্কিন বিচার বিভাগের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ৩৩ বছর বয়সী হাছিবুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিক। তার বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অবৈধভাবে ভোট দেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। মেরিল্যান্ডের জেলা অ্যাটর্নি কেলি ও. হেইস এবং এফবিআইয়ের বাল্টিমোর কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ এজেন্ট জিমি পল এ অভিযোগের বিষয়ে ঘোষণা দেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মোহাম্মদ হাছিবুর রহমান জানতেন যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নন। তা সত্ত্বেও ২০২৪ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোট দেন তিনি। ওই নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ করা হয়েছিল।
তবে অভিযোগপত্র দাখিলের অর্থ এই নয় যে অভিযুক্ত ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। ফৌজদারি মামলার পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়ায় দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তকে নির্দোষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
এদিকে নাগরিক না হয়েও মার্কিন নির্বাচনে ভোট দেয়ার এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে হাছিবুর রহমানের সর্বোচ্চ এক বছরের ফেডারেল কারাদণ্ড হতে পারে। তবে ফেডারেল অপরাধের ক্ষেত্রে সাধারণত সর্বোচ্চ নির্ধারিত সাজার চেয়ে কম সাজা দেয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সাজা নির্ধারণের নির্দেশিকা এবং আইনে উল্লেখিত অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ফেডারেল জেলা আদালতের বিচারক তার সাজা নির্ধারণ করবেন।
এদিকে তদন্তে ভূমিকা রাখার জন্য এফবিআইয়ের প্রশংসা করেছেন জেলা অ্যাটর্নি কেলি ও. হেইস। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) ওয়াশিংটন কার্যালয়কে সহায়তার জন্য ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি।
একইসঙ্গে ফেডারেল মামলাটির বিচার পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সহকারী মার্কিন অ্যাটর্নি ফিলিপ মোৎসেকেও ধন্যবাদ জানান হেইস।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন