নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াত সমর্থিত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সুমন রহমানের বাড়িতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহারের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে নারায়ণগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। অভিযানে অবৈধ সংযোগের সত্যতা পেয়ে বিদ্যুৎ লাইনটি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর সকালে ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের রামনগর এলাকায় কাউন্সিলর প্রার্থী সুমনের বাড়িতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মদনপুর জোনাল অফিস এই অভিযান চালায়।
অভিযান পরিচালনার সত্যতা নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিস (মদনপুর শাখা)-এর প্রকৌশলী সাইদুর রহমান জানান, “সুমন রহমানের বাড়িতে অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিষয়টি হাতেনাতে ধরা পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে ওই বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।”
জরিমানা ও কতদিন ধরে এই অবৈধ সংযোগ চলছিল—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “মিটারের রিডিং পরীক্ষা করার পর বোঝা যাবে তারা কতদিন ধরে এই অবৈধ লাইন ব্যবহার করছিলেন। রিডিংয়ের ওপর ভিত্তি করে আইন অনুযায়ী জরিমানা ধার্য করা হবে।”
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের আগে সুমন রহমান আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার ভাই মিজানুর রহমান ছিলেন বন্দর থানা ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক। তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তিনি অবস্থান বদলে জামায়াতের ব্যানার-ফেস্টুন ব্যবহার করে কাউন্সিলর পদে প্রচারণা শুরু করেন। জনপ্রতিনিধি হওয়ার আগেই বাড়িতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহারের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকার সাধারণ বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “জনপ্রতিনিধি হওয়ার আগেই যিনি নিজের বাড়িতে অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন, তিনি নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় গেলে সাধারণ মানুষের কী দশা হবে, তা সহজেই অনুমেয়।”
তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সুমন রহমান। তিনি বলেন, “আমরা কোনো অবৈধ সংযোগ চালাইনি। পাশের ভবনের তার ছিঁড়ে গিয়েছিল, পরে সেটি জোড়া দিয়ে লাইন ব্যবহার করা হচ্ছিল। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভাগ এসে সংযোগ কেটে দিয়েছে। আমি মিটারের যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে বিষয়টি অবগত করেছি।”

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াত সমর্থিত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সুমন রহমানের বাড়িতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহারের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে নারায়ণগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। অভিযানে অবৈধ সংযোগের সত্যতা পেয়ে বিদ্যুৎ লাইনটি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর সকালে ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের রামনগর এলাকায় কাউন্সিলর প্রার্থী সুমনের বাড়িতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মদনপুর জোনাল অফিস এই অভিযান চালায়।
অভিযান পরিচালনার সত্যতা নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিস (মদনপুর শাখা)-এর প্রকৌশলী সাইদুর রহমান জানান, “সুমন রহমানের বাড়িতে অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিষয়টি হাতেনাতে ধরা পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে ওই বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।”
জরিমানা ও কতদিন ধরে এই অবৈধ সংযোগ চলছিল—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “মিটারের রিডিং পরীক্ষা করার পর বোঝা যাবে তারা কতদিন ধরে এই অবৈধ লাইন ব্যবহার করছিলেন। রিডিংয়ের ওপর ভিত্তি করে আইন অনুযায়ী জরিমানা ধার্য করা হবে।”
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের আগে সুমন রহমান আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার ভাই মিজানুর রহমান ছিলেন বন্দর থানা ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক। তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তিনি অবস্থান বদলে জামায়াতের ব্যানার-ফেস্টুন ব্যবহার করে কাউন্সিলর পদে প্রচারণা শুরু করেন। জনপ্রতিনিধি হওয়ার আগেই বাড়িতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহারের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকার সাধারণ বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “জনপ্রতিনিধি হওয়ার আগেই যিনি নিজের বাড়িতে অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন, তিনি নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় গেলে সাধারণ মানুষের কী দশা হবে, তা সহজেই অনুমেয়।”
তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সুমন রহমান। তিনি বলেন, “আমরা কোনো অবৈধ সংযোগ চালাইনি। পাশের ভবনের তার ছিঁড়ে গিয়েছিল, পরে সেটি জোড়া দিয়ে লাইন ব্যবহার করা হচ্ছিল। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভাগ এসে সংযোগ কেটে দিয়েছে। আমি মিটারের যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে বিষয়টি অবগত করেছি।”

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন