নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় চুরির অভিযোগে মারধরের শিকার হওয়ার পর ইয়াসিন (২১) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে কাশিপুরের মধ্য নরসিংহপুর এলাকার হাজীপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
ফতুল্লা মডেল থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) শামসুদ্দোহা জানান, মারধরের অপমান থেকে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
রাত সাড়ে ১০টায় আব্দুর রহমান কাসেমীর বাড়ির গেটের সামনে ইয়াসিনের মরদেহ পাওয়া যায়। তিনি ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিলেন। তার বাবার নাম বাচ্চু মিয়া।
পুলিশ জানায়, আব্দুর রহমান কাসেমীর বাড়ি থেকে কাঁচ চুরির অভিযোগ ওঠে ইয়াসিনের বিরুদ্ধে। এ অভিযোগকে কেন্দ্র করে আবুল মিয়ার ছেলে শান্ত, আক্তার দেওয়ানের ছেলে জনি দেওয়ান ও মৃত কফিল উদ্দিন মুন্সীর ছেলে ইমরান তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এরপর রাতে বাড়ির গেটের সামনে ইয়াসিনের গলায় ফাঁস দেওয়া মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুব আলম জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
চুরির অভিযোগে মারধরের ঘটনা এবং যুবকের মৃত্যুর মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় চুরির অভিযোগে মারধরের শিকার হওয়ার পর ইয়াসিন (২১) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে কাশিপুরের মধ্য নরসিংহপুর এলাকার হাজীপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
ফতুল্লা মডেল থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) শামসুদ্দোহা জানান, মারধরের অপমান থেকে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
রাত সাড়ে ১০টায় আব্দুর রহমান কাসেমীর বাড়ির গেটের সামনে ইয়াসিনের মরদেহ পাওয়া যায়। তিনি ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিলেন। তার বাবার নাম বাচ্চু মিয়া।
পুলিশ জানায়, আব্দুর রহমান কাসেমীর বাড়ি থেকে কাঁচ চুরির অভিযোগ ওঠে ইয়াসিনের বিরুদ্ধে। এ অভিযোগকে কেন্দ্র করে আবুল মিয়ার ছেলে শান্ত, আক্তার দেওয়ানের ছেলে জনি দেওয়ান ও মৃত কফিল উদ্দিন মুন্সীর ছেলে ইমরান তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এরপর রাতে বাড়ির গেটের সামনে ইয়াসিনের গলায় ফাঁস দেওয়া মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুব আলম জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
চুরির অভিযোগে মারধরের ঘটনা এবং যুবকের মৃত্যুর মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন