নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু বলেছেন, একটি রাজনৈতিক দল যখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকে, তখন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তাদের দায়িত্ব। মুসলমান, হিন্দু, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ—সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি গণতান্ত্রিক ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে চায় বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ২০ কোটি মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের লক্ষ্য।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় নারায়ণগঞ্জ শহরের মিশনপাড়া হোসিয়ারি সমিতি কমিউনিটি সেন্টারে মহানগরীর শারদীয় দুর্গোৎসবের সেরা ১০টি পূজামণ্ডপকে মোস্তাফিজুর রহমান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
টিপু বলেন, “আমরা সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাইবোনদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং তাদের সহযোগিতা করতে পূজামণ্ডপে গিয়েছি। পূজার আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে নয়, বরং তারা যেন নির্বিঘ্নে উৎসব উদ্যাপন করতে পারেন, সে জন্য তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি।”
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর এবার শারদীয় দুর্গোৎসব অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদ্যাপিত হয়েছে। এবারের পূজায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ ছিল। তবে উৎসবকে ঘিরে কিছুটা উদ্বেগ ও চ্যালেঞ্জও ছিল। বিশেষ করে বিজয়া দশমীর প্রতিমা বিসর্জনের দিন সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবার সহযোগিতায় দুর্গোৎসব সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
মোস্তাফিজুর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পূজার আগে থেকেই ফাউন্ডেশন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সহযোগিতা করে আসছে। এবার মহানগরীর ৫০টি পূজামণ্ডপের মধ্যে সেরা ১০টি মণ্ডপকে উপহার দিয়ে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এ ধরনের উদ্যোগ ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধন আরও দৃঢ় করবে।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে টিপু বলেন, “আমরা আপনাদের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকতে চাই। আপনারাও আমাদের পাশে থাকবেন। আমরা চাই, আপনারা আমাদের সঙ্গে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করুন। সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও শক্তিশালী হোক।”
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু বলে কাউকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই; প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। সজলের যতটুকু অধিকার, কার্তিক ঘোষেরও ততটুকু অধিকার রয়েছে।
টিপু বলেন, “আমরা মুসলমান, হিন্দু, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ—সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে চাই। তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি বৈষম্যহীন, নিরাপদ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলে ২০ কোটি মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চাই।”
নারায়ণগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি কার্তিক ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপন, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল।
এছাড়াও মহানগর বিএনপি ১১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন রিপন, মহানগর মহিলা দলের সভানেত্রী দিলারা মাসুদ ময়না,জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি কার্তিক ঘোষ, মিঠুন মোদক, সিনিয়র সহ-সভাপতি নিতাই দত্ত, সহ- সভাপতি সুশীল দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক তাপস কুমার সাহা প্রমুখ।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু বলেছেন, একটি রাজনৈতিক দল যখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকে, তখন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তাদের দায়িত্ব। মুসলমান, হিন্দু, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ—সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি গণতান্ত্রিক ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে চায় বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ২০ কোটি মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের লক্ষ্য।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় নারায়ণগঞ্জ শহরের মিশনপাড়া হোসিয়ারি সমিতি কমিউনিটি সেন্টারে মহানগরীর শারদীয় দুর্গোৎসবের সেরা ১০টি পূজামণ্ডপকে মোস্তাফিজুর রহমান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
টিপু বলেন, “আমরা সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাইবোনদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং তাদের সহযোগিতা করতে পূজামণ্ডপে গিয়েছি। পূজার আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে নয়, বরং তারা যেন নির্বিঘ্নে উৎসব উদ্যাপন করতে পারেন, সে জন্য তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি।”
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর এবার শারদীয় দুর্গোৎসব অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদ্যাপিত হয়েছে। এবারের পূজায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ ছিল। তবে উৎসবকে ঘিরে কিছুটা উদ্বেগ ও চ্যালেঞ্জও ছিল। বিশেষ করে বিজয়া দশমীর প্রতিমা বিসর্জনের দিন সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবার সহযোগিতায় দুর্গোৎসব সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
মোস্তাফিজুর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পূজার আগে থেকেই ফাউন্ডেশন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সহযোগিতা করে আসছে। এবার মহানগরীর ৫০টি পূজামণ্ডপের মধ্যে সেরা ১০টি মণ্ডপকে উপহার দিয়ে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এ ধরনের উদ্যোগ ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধন আরও দৃঢ় করবে।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে টিপু বলেন, “আমরা আপনাদের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকতে চাই। আপনারাও আমাদের পাশে থাকবেন। আমরা চাই, আপনারা আমাদের সঙ্গে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করুন। সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও শক্তিশালী হোক।”
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু বলে কাউকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই; প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। সজলের যতটুকু অধিকার, কার্তিক ঘোষেরও ততটুকু অধিকার রয়েছে।
টিপু বলেন, “আমরা মুসলমান, হিন্দু, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ—সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে চাই। তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি বৈষম্যহীন, নিরাপদ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলে ২০ কোটি মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চাই।”
নারায়ণগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি কার্তিক ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপন, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল।
এছাড়াও মহানগর বিএনপি ১১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন রিপন, মহানগর মহিলা দলের সভানেত্রী দিলারা মাসুদ ময়না,জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি কার্তিক ঘোষ, মিঠুন মোদক, সিনিয়র সহ-সভাপতি নিতাই দত্ত, সহ- সভাপতি সুশীল দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক তাপস কুমার সাহা প্রমুখ।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন