ইরানের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার ওপর আর কোনো বিধিনিষেধ নেই বলে জানিয়েছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো সামরিক সংঘাতের সূত্রপাত হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে নজিরবিহীন জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংস্থাটি।
শনিবার তেহরানের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে ‘আইআরজিসি মহাকাশ সপ্তাহ’ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাহিনীটির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মহেব্বি।
সংবাদ সম্মেলনে মহেব্বি বলেন, নিজেদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও ভৌগোলিক সুবিধা কাজে লাগিয়ে ইরান ভূগর্ভে অসংখ্য গোপন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি তৈরি করেছে। শত্রুপক্ষের অব্যাহত হামলার মধ্যেও দেশটির সামরিক উৎপাদন কার্যক্রম থেমে থাকেনি। বরং অস্ত্র উৎপাদনের কারখানাগুলোকে নিরাপত্তার স্বার্থে ভূগর্ভে স্থানান্তর করা হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের সামরিক বাহিনী সাতটি এমকিউএম-১৭০ নজরদারি ড্রোন অক্ষত অবস্থায় নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। তাঁর মতে, এটি দেশটির সামরিক প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতার অগ্রগতির প্রমাণ।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সতর্ক করে আইআরজিসির মুখপাত্র বলেন, তাদের কোনো ভুল সিদ্ধান্তের কারণে ইরানের সঙ্গে নতুন করে সংঘাত সৃষ্টি হলে এর পরিণতি দীর্ঘদিন ভোগ করতে হবে। ভবিষ্যতে যুদ্ধ শুরু হলে ইরানের এমন কিছু নতুন সামরিক সক্ষমতা সামনে আসবে, যা প্রতিপক্ষকে বিস্মিত করবে।
বক্তব্যে আইআরজিসির মহাকাশ বাহিনীর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের কথাও তুলে ধরেন মহেব্বি। তিনি বলেন, বিদেশি অস্ত্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব প্রযুক্তিতে সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষমতা অর্জন করেছে ইরান। ফলে অস্ত্র আমদানিকারক দেশ থেকে এখন অস্ত্র রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে তারা।
তিনি আরও জানান, ইরান নিজস্ব প্রযুক্তিতে ‘আরমান’ ক্ষেপণাস্ত্র, ‘৩৫৮’ ড্রোন এবং ‘খোরদাদ-৩’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মতো সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করেছে। এসব প্রযুক্তি ও অস্ত্র বিদেশেও সরবরাহ করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
মহেব্বির ভাষ্য অনুযায়ী, সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে ইরান এখন অনেকটাই স্বনির্ভর। প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও প্রযুক্তির জন্য অন্য দেশের ওপর নির্ভর করতে হয় না দেশটিকে। চলমান মহাকাশ সপ্তাহে এসব সামরিক প্রযুক্তির কয়েকটি সাধারণ মানুষের সামনে প্রদর্শন করা হবে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: মেহের নিউজ

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
ইরানের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার ওপর আর কোনো বিধিনিষেধ নেই বলে জানিয়েছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো সামরিক সংঘাতের সূত্রপাত হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে নজিরবিহীন জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংস্থাটি।
শনিবার তেহরানের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে ‘আইআরজিসি মহাকাশ সপ্তাহ’ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাহিনীটির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মহেব্বি।
সংবাদ সম্মেলনে মহেব্বি বলেন, নিজেদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও ভৌগোলিক সুবিধা কাজে লাগিয়ে ইরান ভূগর্ভে অসংখ্য গোপন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি তৈরি করেছে। শত্রুপক্ষের অব্যাহত হামলার মধ্যেও দেশটির সামরিক উৎপাদন কার্যক্রম থেমে থাকেনি। বরং অস্ত্র উৎপাদনের কারখানাগুলোকে নিরাপত্তার স্বার্থে ভূগর্ভে স্থানান্তর করা হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের সামরিক বাহিনী সাতটি এমকিউএম-১৭০ নজরদারি ড্রোন অক্ষত অবস্থায় নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। তাঁর মতে, এটি দেশটির সামরিক প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতার অগ্রগতির প্রমাণ।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সতর্ক করে আইআরজিসির মুখপাত্র বলেন, তাদের কোনো ভুল সিদ্ধান্তের কারণে ইরানের সঙ্গে নতুন করে সংঘাত সৃষ্টি হলে এর পরিণতি দীর্ঘদিন ভোগ করতে হবে। ভবিষ্যতে যুদ্ধ শুরু হলে ইরানের এমন কিছু নতুন সামরিক সক্ষমতা সামনে আসবে, যা প্রতিপক্ষকে বিস্মিত করবে।
বক্তব্যে আইআরজিসির মহাকাশ বাহিনীর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের কথাও তুলে ধরেন মহেব্বি। তিনি বলেন, বিদেশি অস্ত্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব প্রযুক্তিতে সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষমতা অর্জন করেছে ইরান। ফলে অস্ত্র আমদানিকারক দেশ থেকে এখন অস্ত্র রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে তারা।
তিনি আরও জানান, ইরান নিজস্ব প্রযুক্তিতে ‘আরমান’ ক্ষেপণাস্ত্র, ‘৩৫৮’ ড্রোন এবং ‘খোরদাদ-৩’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মতো সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করেছে। এসব প্রযুক্তি ও অস্ত্র বিদেশেও সরবরাহ করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
মহেব্বির ভাষ্য অনুযায়ী, সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে ইরান এখন অনেকটাই স্বনির্ভর। প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও প্রযুক্তির জন্য অন্য দেশের ওপর নির্ভর করতে হয় না দেশটিকে। চলমান মহাকাশ সপ্তাহে এসব সামরিক প্রযুক্তির কয়েকটি সাধারণ মানুষের সামনে প্রদর্শন করা হবে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: মেহের নিউজ

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন