নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২২নং ওয়ার্ডের বন্দর শাহী মসজিদ এলাকায় বন্দর ইসলামিয়া ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ শেখ মুহাম্মদ আতিক উল্লাহর পতদত্যাগে দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালণ করেছে বিক্ষুব্ধ এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। দূর্ণীতি অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতাসহ নানা অভিযোগ উত্থ্যাপন করে ১৮ অক্টোবর রোববার দুপুরে ক্যাম্পাস অভ্যন্তরে তারা এসব কর্মসূচী পালণ করে। এ সংক্রান্তে মাদ্রাসা পরিচালনা পরিষদ ও শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে একটি সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও বৈঠকের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ছাত্ররা অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবি নিয়ে আন্দোলন করে এবং আগামীকাল শনিবার একদফা নিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মসূচী ঘোষণারও সিদ্ধান্ত নেন। ছাত্রদের সঙ্গে একাত্নতা প্রকাশ করে অভিভাকদের অনেকেই গণমাধ্যমকর্মীদেরকে জানান, অধ্যক্ষ শেখ মুহাম্মদ আতিকউল্লাহ রুক্ষ মেজাজী। সে কোন অভিভাবকের সঙ্গে ভাল ব্যবহার করেন না। অপরাপর অভিাভাবক বলেন, অধ্যক্ষ শেখ মুহাম্মদ আতিক উল্লাহ যোগদানের পর থেকেই মাদ্রাসায় যত অনিয়ম আর স্বেচ্ছাচারিতা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের ভর্তির নামে সে অভিভাবকদের সঙ্গে জুলুম করেন। গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদেরকে তিনি শিক্ষা থেকে দূরে সরানোর মতো জগণ্য কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। তাকে অনতিবিলম্বে অপসারন না করা হলে আমরা আমাদের সন্তানদেরকে অন্য মাদ্রাসায় ভর্তি করতে বাধ্য হবো।

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২২নং ওয়ার্ডের বন্দর শাহী মসজিদ এলাকায় বন্দর ইসলামিয়া ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ শেখ মুহাম্মদ আতিক উল্লাহর পতদত্যাগে দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালণ করেছে বিক্ষুব্ধ এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। দূর্ণীতি অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতাসহ নানা অভিযোগ উত্থ্যাপন করে ১৮ অক্টোবর রোববার দুপুরে ক্যাম্পাস অভ্যন্তরে তারা এসব কর্মসূচী পালণ করে। এ সংক্রান্তে মাদ্রাসা পরিচালনা পরিষদ ও শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে একটি সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও বৈঠকের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ছাত্ররা অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবি নিয়ে আন্দোলন করে এবং আগামীকাল শনিবার একদফা নিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মসূচী ঘোষণারও সিদ্ধান্ত নেন। ছাত্রদের সঙ্গে একাত্নতা প্রকাশ করে অভিভাকদের অনেকেই গণমাধ্যমকর্মীদেরকে জানান, অধ্যক্ষ শেখ মুহাম্মদ আতিকউল্লাহ রুক্ষ মেজাজী। সে কোন অভিভাবকের সঙ্গে ভাল ব্যবহার করেন না। অপরাপর অভিাভাবক বলেন, অধ্যক্ষ শেখ মুহাম্মদ আতিক উল্লাহ যোগদানের পর থেকেই মাদ্রাসায় যত অনিয়ম আর স্বেচ্ছাচারিতা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের ভর্তির নামে সে অভিভাবকদের সঙ্গে জুলুম করেন। গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদেরকে তিনি শিক্ষা থেকে দূরে সরানোর মতো জগণ্য কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। তাকে অনতিবিলম্বে অপসারন না করা হলে আমরা আমাদের সন্তানদেরকে অন্য মাদ্রাসায় ভর্তি করতে বাধ্য হবো।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন