নারায়ণগঞ্জের বন্দরে হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে নানা ধরণের মাদক। পাড়া মহল্লার উঠতি বয়সের ছেলে-মেয়েদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে মারণব্যাধি এই মাদক। এক প্রকার প্রকাশ্যেই চলছে বেচাকেনা ও সেবন। ফলে চুরি, ছিনতাই খুনখারাবিসহ প্রতিনিয়ত ঘটছে নানান অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। এতে অতিষ্ঠ এলাকার মানুষ। সম্প্রতি বন্দরে মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ঘটেছে কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। মাদক ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বে প্রাণ হারিয়েছেন কয়েকজন। এ ছাড়া মাদক বিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপরও হামলার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ বলছে মাদক নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
তথ্যানুসন্ধানে জানা য়ায়, এ মাসের ১০ অক্টোবর মাদক ব্যবসার জের ধরে বন্দর উপজেলা কলাগাছিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ঘারমোড়া এলাকা মৃত শেখ আহাম্মদ মিয়ার ছেলে রাসেলকে (৩৬) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে প্রতিপক্ষের মাদক ব্যবসায়ীরা।
গত ১৯ মে বন্দরের মদনগঞ্জ সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্প এলাকায় খুন হন জুয়েল হোসেন (৪২) নামে এক ব্যক্তি। মাদক সেবন নিয়ে তর্কের জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকেরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে । নিহত জুয়েল বন্দরের মদনগঞ্জ শান্তিনগর এলাকার মৃত তাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি পেশায় ড্রেজার ব্যবসায়ী ছিলেন বলে জানা গেছে ।
এ বছরের ৫ আগস্ট বন্দরের শুভকরদি এলাকায় মাদক দ্বন্দ্বে খুন হন আমির হোসেন ডালিম (৩৬) নামের এক যুবক। ডালিম বন্দরের আলীসারদি গ্রামের মৃত জসিমউদ্দিন ওরফে লেচু মিয়ার ছেলে। প্রতিপক্ষ মাদক ব্যবসায়ীরা তাকে ছুরিকাঘাতে জখম করে। পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এছাড়া রাতে পুরান বন্দর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযানে গেলে ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশের হামলা করা হয়। এতে কয়েকজন পুলিশ আহত হন।
এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ -সার্কেল) দীপংকর ঘোষ জানান , মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিদিন অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। গত তিন মাসে ১১৩ জন মাদক ব্যবসায়ী ও ২৩২ জন মাদক সেবীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডসহ আলোচিত মামলার বেশির ভাগ আসামিদের ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। দুর্গা পূজার পর মাদক বিরোধী অভিযান জোরদার করা হবে।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে নানা ধরণের মাদক। পাড়া মহল্লার উঠতি বয়সের ছেলে-মেয়েদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে মারণব্যাধি এই মাদক। এক প্রকার প্রকাশ্যেই চলছে বেচাকেনা ও সেবন। ফলে চুরি, ছিনতাই খুনখারাবিসহ প্রতিনিয়ত ঘটছে নানান অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। এতে অতিষ্ঠ এলাকার মানুষ। সম্প্রতি বন্দরে মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ঘটেছে কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। মাদক ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বে প্রাণ হারিয়েছেন কয়েকজন। এ ছাড়া মাদক বিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপরও হামলার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ বলছে মাদক নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
তথ্যানুসন্ধানে জানা য়ায়, এ মাসের ১০ অক্টোবর মাদক ব্যবসার জের ধরে বন্দর উপজেলা কলাগাছিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ঘারমোড়া এলাকা মৃত শেখ আহাম্মদ মিয়ার ছেলে রাসেলকে (৩৬) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে প্রতিপক্ষের মাদক ব্যবসায়ীরা।
গত ১৯ মে বন্দরের মদনগঞ্জ সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্প এলাকায় খুন হন জুয়েল হোসেন (৪২) নামে এক ব্যক্তি। মাদক সেবন নিয়ে তর্কের জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকেরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে । নিহত জুয়েল বন্দরের মদনগঞ্জ শান্তিনগর এলাকার মৃত তাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি পেশায় ড্রেজার ব্যবসায়ী ছিলেন বলে জানা গেছে ।
এ বছরের ৫ আগস্ট বন্দরের শুভকরদি এলাকায় মাদক দ্বন্দ্বে খুন হন আমির হোসেন ডালিম (৩৬) নামের এক যুবক। ডালিম বন্দরের আলীসারদি গ্রামের মৃত জসিমউদ্দিন ওরফে লেচু মিয়ার ছেলে। প্রতিপক্ষ মাদক ব্যবসায়ীরা তাকে ছুরিকাঘাতে জখম করে। পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এছাড়া রাতে পুরান বন্দর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযানে গেলে ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশের হামলা করা হয়। এতে কয়েকজন পুলিশ আহত হন।
এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ -সার্কেল) দীপংকর ঘোষ জানান , মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিদিন অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। গত তিন মাসে ১১৩ জন মাদক ব্যবসায়ী ও ২৩২ জন মাদক সেবীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডসহ আলোচিত মামলার বেশির ভাগ আসামিদের ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। দুর্গা পূজার পর মাদক বিরোধী অভিযান জোরদার করা হবে।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন