নারায়ণগঞ্জের বন্দরের সাবদীতে ‘ফুলের বাগান রেস্টুরেন্ট’ নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মাদকবিরোধী অবস্থানের জেরে স্থানীয় মাদক কারবারিরা প্রতিষ্ঠানটিতে আগুন দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন মালিক জামান মিয়া।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের দিঘলদী শ্মশানসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জামান মিয়া স্থানীয় দিঘলদী জামে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক।
জামান মিয়া জানান, এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ঘোষণা দেওয়া হয়। সেদিন মুসল্লি ও এলাকাবাসী মাদক কারবারে জড়িত বলে অভিযুক্ত চারজনের বাড়িতে যান। এরপর থেকে প্রতিদিন রাত ১১টা পর্যন্ত মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসী যৌথভাবে এলাকায় পাহারা দিচ্ছেন।
তাঁর অভিযোগ, এসব কর্মকাণ্ডে ক্ষিপ্ত হয়ে মাদক কারবারিরা প্রতিশোধ নিতে তাঁর রেস্টুরেন্টে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, প্রায় ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে রেস্টুরেন্টটি গড়ে তুলেছিলেন। এক বছর ধরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও ভেতরে আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল ছিল। সকালে আগুন জ্বলতে দেখে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ ঘটনায় তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তবে আগুনের সূত্রপাত ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগের বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস কিংবা পুলিশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দরের সাবদীতে ‘ফুলের বাগান রেস্টুরেন্ট’ নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মাদকবিরোধী অবস্থানের জেরে স্থানীয় মাদক কারবারিরা প্রতিষ্ঠানটিতে আগুন দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন মালিক জামান মিয়া।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের দিঘলদী শ্মশানসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জামান মিয়া স্থানীয় দিঘলদী জামে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক।
জামান মিয়া জানান, এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ঘোষণা দেওয়া হয়। সেদিন মুসল্লি ও এলাকাবাসী মাদক কারবারে জড়িত বলে অভিযুক্ত চারজনের বাড়িতে যান। এরপর থেকে প্রতিদিন রাত ১১টা পর্যন্ত মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসী যৌথভাবে এলাকায় পাহারা দিচ্ছেন।
তাঁর অভিযোগ, এসব কর্মকাণ্ডে ক্ষিপ্ত হয়ে মাদক কারবারিরা প্রতিশোধ নিতে তাঁর রেস্টুরেন্টে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, প্রায় ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে রেস্টুরেন্টটি গড়ে তুলেছিলেন। এক বছর ধরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও ভেতরে আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল ছিল। সকালে আগুন জ্বলতে দেখে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ ঘটনায় তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তবে আগুনের সূত্রপাত ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগের বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস কিংবা পুলিশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন