দৈনিক সোজা সাপটা

রাষ্ট্রপতির সহকারী পরিচয়ে আসামি ছাড়াতে ফোন



রাষ্ট্রপতির সহকারী পরিচয়ে আসামি ছাড়াতে ফোন
রাষ্ট্রপতির সহকারী পরিচয়ে আসামি ছাড়াতে ফোন

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্রেপ্তার এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নিতে রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত সহকারী পরিচয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ফোন করার অভিযোগ উঠেছে। ফোনদাতা নিজের নাম জোনায়েত ইসলাম বলেছেন বলে জানিয়েছেন ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহাবুব আলম।

ওসির ভাষ্য, সন্দেহ হওয়ায় ওই ব্যক্তিকে ভিডিও কলে কথা বলতে বলেন তিনি। এরপর ওই ব্যক্তি আর ভিডিও কল দেননি বা যোগাযোগ করেননি।

গ্রেপ্তার শারজাহান সরকার (৫৫) কুতুবপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি ফতুল্লার পশ্চিম ভুইগড় এলাকার মৃত আফজাল হোসেনের ছেলে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনসংক্রান্ত তিনটি মামলার আসামি তিনি।

ওসি মাহাবুব আলম জানান, বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে ভুইগড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে শারজাহান সরকারকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনা হয়। রাত ১২টার দিকে তাঁর সরকারি নম্বরে একটি ফোন আসে। অপর প্রান্তের ব্যক্তি নিজেকে রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত সহকারী পরিচয় দিয়ে শারজাহানকে ছেড়ে দিতে বলেন।

ওসি জানান, শারজাহান আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা ও একাধিক মামলার আসামি বলে জানানো হলেও ফোনদাতা তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলতে থাকেন। পরিচয় নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় একপর্যায়ে তাঁকে ভিডিও কলে কথা বলতে বলা হয়। কিন্তু তিনি আর ভিডিও কল দেননি।

ওসির ভাষ্য অনুযায়ী, ফোনদাতার গ্রামের বাড়ি জানতে চাইলে তিনি টাঙ্গাইলের কথা বলেন। ব্যবহৃত নম্বরটি ট্রুকলার অ্যাপে খুঁজলে ছবিসহ ‘জোনায়েত হোম কিপার’ নাম দেখা যায়। তবে ফোনদাতার প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পুলিশ জানায়, ৫ আগস্টের পর থেকে শারজাহান পলাতক ছিলেন। এলাকায় অবস্থানের খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক সোজা সাপটা

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬


রাষ্ট্রপতির সহকারী পরিচয়ে আসামি ছাড়াতে ফোন

প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্রেপ্তার এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নিতে রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত সহকারী পরিচয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ফোন করার অভিযোগ উঠেছে। ফোনদাতা নিজের নাম জোনায়েত ইসলাম বলেছেন বলে জানিয়েছেন ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহাবুব আলম।

ওসির ভাষ্য, সন্দেহ হওয়ায় ওই ব্যক্তিকে ভিডিও কলে কথা বলতে বলেন তিনি। এরপর ওই ব্যক্তি আর ভিডিও কল দেননি বা যোগাযোগ করেননি।

গ্রেপ্তার শারজাহান সরকার (৫৫) কুতুবপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি ফতুল্লার পশ্চিম ভুইগড় এলাকার মৃত আফজাল হোসেনের ছেলে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনসংক্রান্ত তিনটি মামলার আসামি তিনি।

ওসি মাহাবুব আলম জানান, বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে ভুইগড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে শারজাহান সরকারকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনা হয়। রাত ১২টার দিকে তাঁর সরকারি নম্বরে একটি ফোন আসে। অপর প্রান্তের ব্যক্তি নিজেকে রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত সহকারী পরিচয় দিয়ে শারজাহানকে ছেড়ে দিতে বলেন।

ওসি জানান, শারজাহান আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা ও একাধিক মামলার আসামি বলে জানানো হলেও ফোনদাতা তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলতে থাকেন। পরিচয় নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় একপর্যায়ে তাঁকে ভিডিও কলে কথা বলতে বলা হয়। কিন্তু তিনি আর ভিডিও কল দেননি।

ওসির ভাষ্য অনুযায়ী, ফোনদাতার গ্রামের বাড়ি জানতে চাইলে তিনি টাঙ্গাইলের কথা বলেন। ব্যবহৃত নম্বরটি ট্রুকলার অ্যাপে খুঁজলে ছবিসহ ‘জোনায়েত হোম কিপার’ নাম দেখা যায়। তবে ফোনদাতার প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পুলিশ জানায়, ৫ আগস্টের পর থেকে শারজাহান পলাতক ছিলেন। এলাকায় অবস্থানের খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।



দৈনিক সোজা সাপটা

সম্পাদক :
আবু সাউদ মাসুদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
রাষ্ট্রপতির সহকারী পরিচয়ে আসামি ছাড়াতে ফোন
0:00 / 0:00
1x