নালিশ করতে গিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের ধাক্কা ও ধমকের শিকার হয়েছেন রুবেল হোসেন নামের এক যুবক।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে ফতুল্লার শিবু মার্কেট এলাকার 'রানী মা প্লাজা'র সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত এক গণমাধ্যমকর্মী পুরো দৃশ্যটি ভিডিও ধারন করেন, যা পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শ্রমিক অসন্তোষ সামাল দিতে বুধবার সকালে শিবু মার্কেট এলাকায় যান রাজনৈতিক নেতারা। দুপুর দেড়টার দিকে রানী মা প্লাজার নিচে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের পুলিশ সুপারের (এসপি) সাথে কথা বলছিলেন নাসিক প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এড. সাখাওয়াত হোসেন খান। এ সময় পাশে থাকা জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনির উপস্থিতিতেই রুবেল হোসেন নামে ওই যুবক পুলিশের কাছে কিছু একটা নালিশ করার চেষ্টা করেন। বিষয়টিতে ক্ষুব্ধ হয়ে এড. সাখাওয়াত তাকে ধাক্কা দিয়ে ধমকের সুরে বলেন, "এগুলো কি এখানে বলার সময়? যাও মিয়া এখান থেকে।"
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার পর বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন যে, সাখাওয়াত হোসেন খান সঠিক কাজই করেছেন।
স্থানীয় বিএনপি ও যুবদল নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পূর্বে রুবেল হোসেনের রাজনৈতিক কোনো অবস্থান বা সক্রিয়তা ছিল না। সরকার পতনের পর তিনি নিজেকে প্রথমে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি দাবি করে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিঙ্ক রোডে বিশাল ব্যানার ও ফেস্টুন টাঙিয়ে আত্মপ্রকাশ করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকরা খোঁজখবর শুরু করলে তিনি পরিচয় বদলে নিজেকে থানা যুবদলের নেতা এবং সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে দাবি করতে থাকেন।
যুবদলের প্রবীণ ও ত্যাগী নেতারা জানান, রাজপথের আন্দোলন- সংগ্রামে রুবেল হোসেনের কোনো ভূমিকা ছিল না। তার নামে কোনো মামলা কিংবা কারাবরণের ইতিহাসও নেই। ৫ আগস্টের পর হঠাৎ করে আসা এমন সুবিধাভোগী ও হাইব্রিড নেতাদের কারণে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন তারা।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
নালিশ করতে গিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের ধাক্কা ও ধমকের শিকার হয়েছেন রুবেল হোসেন নামের এক যুবক।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে ফতুল্লার শিবু মার্কেট এলাকার 'রানী মা প্লাজা'র সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত এক গণমাধ্যমকর্মী পুরো দৃশ্যটি ভিডিও ধারন করেন, যা পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শ্রমিক অসন্তোষ সামাল দিতে বুধবার সকালে শিবু মার্কেট এলাকায় যান রাজনৈতিক নেতারা। দুপুর দেড়টার দিকে রানী মা প্লাজার নিচে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের পুলিশ সুপারের (এসপি) সাথে কথা বলছিলেন নাসিক প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এড. সাখাওয়াত হোসেন খান। এ সময় পাশে থাকা জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনির উপস্থিতিতেই রুবেল হোসেন নামে ওই যুবক পুলিশের কাছে কিছু একটা নালিশ করার চেষ্টা করেন। বিষয়টিতে ক্ষুব্ধ হয়ে এড. সাখাওয়াত তাকে ধাক্কা দিয়ে ধমকের সুরে বলেন, "এগুলো কি এখানে বলার সময়? যাও মিয়া এখান থেকে।"
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার পর বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন যে, সাখাওয়াত হোসেন খান সঠিক কাজই করেছেন।
স্থানীয় বিএনপি ও যুবদল নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পূর্বে রুবেল হোসেনের রাজনৈতিক কোনো অবস্থান বা সক্রিয়তা ছিল না। সরকার পতনের পর তিনি নিজেকে প্রথমে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি দাবি করে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিঙ্ক রোডে বিশাল ব্যানার ও ফেস্টুন টাঙিয়ে আত্মপ্রকাশ করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকরা খোঁজখবর শুরু করলে তিনি পরিচয় বদলে নিজেকে থানা যুবদলের নেতা এবং সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে দাবি করতে থাকেন।
যুবদলের প্রবীণ ও ত্যাগী নেতারা জানান, রাজপথের আন্দোলন- সংগ্রামে রুবেল হোসেনের কোনো ভূমিকা ছিল না। তার নামে কোনো মামলা কিংবা কারাবরণের ইতিহাসও নেই। ৫ আগস্টের পর হঠাৎ করে আসা এমন সুবিধাভোগী ও হাইব্রিড নেতাদের কারণে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন তারা।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন