ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। সৃষ্টিকর্তা ছাড় দেন কিন্তু ছেড়ে দেন না। শরীরের নাম মহাশয়, যাহা সহায় তাই সয় কিন্তু সময় মত শোধ লয়। এককালের নারায়ণগঞ্জের দন্ডমুন্ডের কর্তা সাবেক এমপি শামীম ওসমান লিভার সিরোসিসে (ক্যান্সার) আক্রান্ত।
বায়োউসপি পরীক্ষার পর তার এ অসুখটি পজিটিভ আসে। তার এই অসুখটি এখন ফোর্থ স্টেজে রয়েছে। ফলে তার শারিরীক অবস্থা খুবুই নাজুক পর্যায়ে।
লিভারসহ তার অসুখটি সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তামানে তিনি ভারতের চেন্নাইয়ের এ্যাপোলো প্রোটন ক্যানসার হাসপাতালে কেমো থেরাপি দিচ্ছেন। এ তথ্য জানিয়েছেন, খোদ শামীম ওসমানের ঘনিষ্টসুত্র। কিন্তু ওসমান পরিবার চায় না বিষয়টি মিডিয়া কিংবা জনসম্মুখে আসুক।
ফলে একাধিক সুত্র তাদের নাম প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। জেন্টলমেন্ট কমিটমেন্টের কারণে তাদের নামগুলো প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না।
সুত্র জানিয়েছেন, চেন্নাইয়ের ক্যানসার হাসপাতালে বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে। গত কয়েকদিন আগে শামীম ওসমানকে প্রথম কেমো থেরোপি দেবার পর তার শারিরীক অবস্থার ভয়াবহ অবনতি ঘটে।
দ্রুত তাকে প্রথমে আইসিউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় ৭২ ঘন্টা। প্রায় ৬০ ঘন্টা পর লাইফ সাপোর্টে থাকা শামীম ওসমান হাতের আগুল নাড়াচাড়া শুরু করলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আশার আলো জেগে উঠে।
ইতোমধ্যে এই খবরে কানাডা প্রবাসি শামীম ওসমানের ভায়রা ডা. জিলকত ও শামীম ওসমানের স্ত্রী লিপির বড় ভাই ডা. শামীম আমেরিকা থেকে চেন্নাই ছুটে আসেন। তারা ডাক্তারদের সঙ্গে বোর্ড মিটিংএ বসেন। তারা চেন্নাই ক্যানসার হাসপাতালের ডাক্তারদের বোর্ড মিটিংএ শামীম ওসমানকে আমেরিকাতে নিয়ে যেতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
কিন্তু তার শারিরীক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক থাকায় তা সম্ভব হয়নি। ৭২ ঘন্টা লাইফ সাপোর্টে থাকার পর অবস্থার উন্নতি হলে শামীম ওসমানকে ফের আইসিউতে স্থানান্তর করেন ডাক্তাররা। বর্তমানে তিনি আইসিউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তার শরীরের বেশ কয়েকটি অর্গ্যাণ কাজ করছে না।
ডাক্তাররা বলছেন শামীম ওসমানের অবস্থা জটিল। ডাক্তারা বারে বারে বলছেন আপনারা ভগবানকে ডাকুন একমাত্র ভগবানই তাকে রক্ষা করতে পারেন। ক্যানসার সমগ্র শরীরে ছড়িয়ে পড়ায় তার চিকিৎসা জটিল হয়ে পড়েছে। লিভারের অধিকাংশ অংশ ড্যামেজ হয়ে গেছে।
যার ফলশ্রুতিতে যে কোন সময় যে কিছু ঘটে যেতে পারে। অর্থাৎ শামীম ওসমান এখন রয়েছেন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে। তবে ক্যানসারের জন্য আবিস্কৃত নতুন ক্যানসার ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা চেষ্টা চালাচ্ছে শামীম ওসমানের পরিবার।
এদিকে নিষিদ্ধ ঘোষিত নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট খোকন সাহা মারাত্বক ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী রয়েছেন। তার দেহের একটি বিশাল অংশ প্যারালাইসিস হয়ে পড়েছে। তিনি কাউকে চিনতে পারছেন না।
অসুস্থ খোকন সাহার সঙ্গে থাকা তার পরিবারের সদস্যরা তিনি কোথায় চিকিৎসা নিচ্ছেন তা প্রকাশ করতে রাজি হননি।। খোকন সাহা তার জীবনের অধিকাংশ সময় অতিরিক্ত মদ্যপানে আশক্ত ছিলেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুত্রটি শামীম ওসমানের দুবাই নাম্বারের একটি হোয়াটসএ্যাপ নাম্বার আমাদের সরবরাহ করেছেন কিন্তু সেই ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও কেউ রিসিভ করেননি। ফলে পরিবারের সদস্যদের কোন বক্তব্য আমাদের এ প্রতিবেদক সংগ্রহ করতে পারে নি।
ওদিকে খালেদ হায়দার খান কাজলের দুইটি কিউনিই ড্যামেজ হয়ে পড়েছে। ফলে তিনি এখন শয্যাশায়ী। সপ্তাহে তিন দিন ডায়ালসিস করে বেঁচে থাকতে হচ্ছে কাজলকে।
কাজল বর্তমানে রাজধানীর ঢাকায় বসবাস করছেন। আওয়ামীলীগ সরকারের সময়ে নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ছিলেন খালেদ হায়দার খান কাজল। কাজলের পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, শারিরীকভাবে খুবই অসুস্থ অবস্থায় রয়েছেন কাজল।
এরআগে কাজলের ওপেন হার্ট সার্জারি হয়েছিল। কিডনি ড্যামেজের পর ট্রান্সপ্লান্ট করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু ডাক্তারা তার শারিরীক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক থাকায় কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করা যাবে না বলে সিদ্ধান্ত দেন। ফলে শারিরীকভাবে কাজলের উত্তরণের আর কোন সুযোগ নেই।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। সৃষ্টিকর্তা ছাড় দেন কিন্তু ছেড়ে দেন না। শরীরের নাম মহাশয়, যাহা সহায় তাই সয় কিন্তু সময় মত শোধ লয়। এককালের নারায়ণগঞ্জের দন্ডমুন্ডের কর্তা সাবেক এমপি শামীম ওসমান লিভার সিরোসিসে (ক্যান্সার) আক্রান্ত।
বায়োউসপি পরীক্ষার পর তার এ অসুখটি পজিটিভ আসে। তার এই অসুখটি এখন ফোর্থ স্টেজে রয়েছে। ফলে তার শারিরীক অবস্থা খুবুই নাজুক পর্যায়ে।
লিভারসহ তার অসুখটি সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তামানে তিনি ভারতের চেন্নাইয়ের এ্যাপোলো প্রোটন ক্যানসার হাসপাতালে কেমো থেরাপি দিচ্ছেন। এ তথ্য জানিয়েছেন, খোদ শামীম ওসমানের ঘনিষ্টসুত্র। কিন্তু ওসমান পরিবার চায় না বিষয়টি মিডিয়া কিংবা জনসম্মুখে আসুক।
ফলে একাধিক সুত্র তাদের নাম প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। জেন্টলমেন্ট কমিটমেন্টের কারণে তাদের নামগুলো প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না।
সুত্র জানিয়েছেন, চেন্নাইয়ের ক্যানসার হাসপাতালে বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে। গত কয়েকদিন আগে শামীম ওসমানকে প্রথম কেমো থেরোপি দেবার পর তার শারিরীক অবস্থার ভয়াবহ অবনতি ঘটে।
দ্রুত তাকে প্রথমে আইসিউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় ৭২ ঘন্টা। প্রায় ৬০ ঘন্টা পর লাইফ সাপোর্টে থাকা শামীম ওসমান হাতের আগুল নাড়াচাড়া শুরু করলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আশার আলো জেগে উঠে।
ইতোমধ্যে এই খবরে কানাডা প্রবাসি শামীম ওসমানের ভায়রা ডা. জিলকত ও শামীম ওসমানের স্ত্রী লিপির বড় ভাই ডা. শামীম আমেরিকা থেকে চেন্নাই ছুটে আসেন। তারা ডাক্তারদের সঙ্গে বোর্ড মিটিংএ বসেন। তারা চেন্নাই ক্যানসার হাসপাতালের ডাক্তারদের বোর্ড মিটিংএ শামীম ওসমানকে আমেরিকাতে নিয়ে যেতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
কিন্তু তার শারিরীক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক থাকায় তা সম্ভব হয়নি। ৭২ ঘন্টা লাইফ সাপোর্টে থাকার পর অবস্থার উন্নতি হলে শামীম ওসমানকে ফের আইসিউতে স্থানান্তর করেন ডাক্তাররা। বর্তমানে তিনি আইসিউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তার শরীরের বেশ কয়েকটি অর্গ্যাণ কাজ করছে না।
ডাক্তাররা বলছেন শামীম ওসমানের অবস্থা জটিল। ডাক্তারা বারে বারে বলছেন আপনারা ভগবানকে ডাকুন একমাত্র ভগবানই তাকে রক্ষা করতে পারেন। ক্যানসার সমগ্র শরীরে ছড়িয়ে পড়ায় তার চিকিৎসা জটিল হয়ে পড়েছে। লিভারের অধিকাংশ অংশ ড্যামেজ হয়ে গেছে।
যার ফলশ্রুতিতে যে কোন সময় যে কিছু ঘটে যেতে পারে। অর্থাৎ শামীম ওসমান এখন রয়েছেন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে। তবে ক্যানসারের জন্য আবিস্কৃত নতুন ক্যানসার ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা চেষ্টা চালাচ্ছে শামীম ওসমানের পরিবার।
এদিকে নিষিদ্ধ ঘোষিত নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট খোকন সাহা মারাত্বক ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী রয়েছেন। তার দেহের একটি বিশাল অংশ প্যারালাইসিস হয়ে পড়েছে। তিনি কাউকে চিনতে পারছেন না।
অসুস্থ খোকন সাহার সঙ্গে থাকা তার পরিবারের সদস্যরা তিনি কোথায় চিকিৎসা নিচ্ছেন তা প্রকাশ করতে রাজি হননি।। খোকন সাহা তার জীবনের অধিকাংশ সময় অতিরিক্ত মদ্যপানে আশক্ত ছিলেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুত্রটি শামীম ওসমানের দুবাই নাম্বারের একটি হোয়াটসএ্যাপ নাম্বার আমাদের সরবরাহ করেছেন কিন্তু সেই ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও কেউ রিসিভ করেননি। ফলে পরিবারের সদস্যদের কোন বক্তব্য আমাদের এ প্রতিবেদক সংগ্রহ করতে পারে নি।
ওদিকে খালেদ হায়দার খান কাজলের দুইটি কিউনিই ড্যামেজ হয়ে পড়েছে। ফলে তিনি এখন শয্যাশায়ী। সপ্তাহে তিন দিন ডায়ালসিস করে বেঁচে থাকতে হচ্ছে কাজলকে।
কাজল বর্তমানে রাজধানীর ঢাকায় বসবাস করছেন। আওয়ামীলীগ সরকারের সময়ে নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ছিলেন খালেদ হায়দার খান কাজল। কাজলের পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, শারিরীকভাবে খুবই অসুস্থ অবস্থায় রয়েছেন কাজল।
এরআগে কাজলের ওপেন হার্ট সার্জারি হয়েছিল। কিডনি ড্যামেজের পর ট্রান্সপ্লান্ট করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু ডাক্তারা তার শারিরীক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক থাকায় কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করা যাবে না বলে সিদ্ধান্ত দেন। ফলে শারিরীকভাবে কাজলের উত্তরণের আর কোন সুযোগ নেই।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন