নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে খাসির মাংসে পানি মিশিয়ে বিক্রির দায়ে আব্দুল বাতেন (৫৫) নামে এক মাংস ব্যবসায়ীকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে কাঁচপুর রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম এ জরিমানা করেন।
জরিমানাপ্রাপ্ত আব্দুল বাতেন উপজেলার বারদী ইউনিয়নের দৈলরদী গ্রামের মৃত এলাহী ব্যাপারীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা বাজার এলাকায় মাংস বিক্রি করে আসছিলেন।
জানা যায়, অভিযানে খাসির মাংসে পানি মিশিয়ে বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে তাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে ১৫ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। পরে ব্যবসায়ী বাতেন নিজের অপরাধ স্বীকার করে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোছাম্মৎ নইফা বেগম, পেশকার বায়েজিদ, সোনারগাঁ থানার এসআই পারভেজসহ পুলিশের সদস্যরা। এ সময় ফিল্ড ফ্যাসিলেটর মো. ইকবাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম বলেন, ভোক্তাদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত মাংস ও খাদ্যপণ্য নিশ্চিত করতে প্রশাসন কাজ করছে। পশু চিকিৎসকের ছাড়পত্র ছাড়া পশু জবাই ও মাংস বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে খাসির মাংসে পানি মিশিয়ে বিক্রির দায়ে আব্দুল বাতেন (৫৫) নামে এক মাংস ব্যবসায়ীকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে কাঁচপুর রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম এ জরিমানা করেন।
জরিমানাপ্রাপ্ত আব্দুল বাতেন উপজেলার বারদী ইউনিয়নের দৈলরদী গ্রামের মৃত এলাহী ব্যাপারীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা বাজার এলাকায় মাংস বিক্রি করে আসছিলেন।
জানা যায়, অভিযানে খাসির মাংসে পানি মিশিয়ে বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে তাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে ১৫ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। পরে ব্যবসায়ী বাতেন নিজের অপরাধ স্বীকার করে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোছাম্মৎ নইফা বেগম, পেশকার বায়েজিদ, সোনারগাঁ থানার এসআই পারভেজসহ পুলিশের সদস্যরা। এ সময় ফিল্ড ফ্যাসিলেটর মো. ইকবাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম বলেন, ভোক্তাদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত মাংস ও খাদ্যপণ্য নিশ্চিত করতে প্রশাসন কাজ করছে। পশু চিকিৎসকের ছাড়পত্র ছাড়া পশু জবাই ও মাংস বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন