নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার আসামি রাসেল আহমেদকে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১। তার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার বিভিন্ন থানায় অন্তত ১২টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে র্যাব-১১।
এর আগে গতকাল রাত ১২টা ১০ মিনিটে ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানার পান্থপথ এলাকা থেকে র্যাব-১১ ও র্যাব-২ এর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সোনারগাঁও উপজেলার কুরবানপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি গোডাউন থেকে একটি দেশীয় শটগান, চার রাউন্ড গুলি ও ১৪টি টেঁটা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি রাসেল আহমেদ (৩৫) সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের কুরবানপুর এলাকার মৃত সাফাতুল্লার ছেলে।
র্যাব জানায়, সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের পাঁচানী, কোরবানপুর ও শান্তিনগর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী বাহিনী পরিচালনা করতেন কুরবানপুর এলাকার মৃত সাফাতুল্লার ছেলে রাসেল আহমেদ। নতুন শিল্পকারখানা, ড্রেজিং ও আবাসন প্রকল্পকে কেন্দ্র করে আধিপত্য বিস্তার, ইট-বালু সরবরাহ, ঝুট ও স্ক্র্যাপ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এবং নির্মাণকাজে ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় ছিল তাদের মূল কর্মকাণ্ড।
র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকায় প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে রাসেলের বাহিনী প্রকাশ্যে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, রামদা, টেঁটা ও হকিস্টিক নিয়ে মহড়া দিত। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ওপর গুলি চালানো, টেঁটাবিদ্ধ করে আহত করা, বাড়িঘরে হামলা এবং মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী সংবাদ প্রকাশ করায় স্থানীয় সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
এসব কর্মকাণ্ডের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই রাসেল ও তার সহযোগীদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছিল র্যাব। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে গ্রেপ্তার এবং অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি রাসেলের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সোনারগাঁও থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার আসামি রাসেল আহমেদকে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১। তার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার বিভিন্ন থানায় অন্তত ১২টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে র্যাব-১১।
এর আগে গতকাল রাত ১২টা ১০ মিনিটে ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানার পান্থপথ এলাকা থেকে র্যাব-১১ ও র্যাব-২ এর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সোনারগাঁও উপজেলার কুরবানপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি গোডাউন থেকে একটি দেশীয় শটগান, চার রাউন্ড গুলি ও ১৪টি টেঁটা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি রাসেল আহমেদ (৩৫) সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের কুরবানপুর এলাকার মৃত সাফাতুল্লার ছেলে।
র্যাব জানায়, সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের পাঁচানী, কোরবানপুর ও শান্তিনগর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী বাহিনী পরিচালনা করতেন কুরবানপুর এলাকার মৃত সাফাতুল্লার ছেলে রাসেল আহমেদ। নতুন শিল্পকারখানা, ড্রেজিং ও আবাসন প্রকল্পকে কেন্দ্র করে আধিপত্য বিস্তার, ইট-বালু সরবরাহ, ঝুট ও স্ক্র্যাপ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এবং নির্মাণকাজে ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় ছিল তাদের মূল কর্মকাণ্ড।
র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকায় প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে রাসেলের বাহিনী প্রকাশ্যে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, রামদা, টেঁটা ও হকিস্টিক নিয়ে মহড়া দিত। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ওপর গুলি চালানো, টেঁটাবিদ্ধ করে আহত করা, বাড়িঘরে হামলা এবং মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী সংবাদ প্রকাশ করায় স্থানীয় সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
এসব কর্মকাণ্ডের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই রাসেল ও তার সহযোগীদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছিল র্যাব। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে গ্রেপ্তার এবং অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি রাসেলের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সোনারগাঁও থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন