দৈনিক সোজা সাপটা

জামিন নিতে আদালতে পরীমনি, সঙ্গে ১০ বডিগার্ড



জামিন নিতে আদালতে পরীমনি, সঙ্গে ১০ বডিগার্ড
জামিন নিতে আদালতে পরীমনি, সঙ্গে ১০ বডিগার্ড

বোট ক্লাবে ভাঙচুর, ক্লাবের সভাপতি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর আদালতে এসেছেন অভিনেত্রী পরীমনি। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সাদা গাড়িতে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে পৌঁছান তিনি।


শুনানি শুরু না হওয়ায় পরীমনি গাড়ির ভেতরেই অবস্থান করছিলেন। কালো পোশাক পরা ১০ জন বডিগার্ড গাড়িটি ঘিরে ছিলেন। শুনানি শুরু হলে নিরাপত্তা দিয়ে তাঁকে আদালতে নেওয়ার কথা ছিল।


এর আগের দিন বুধবার ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রাহমান পরীমনির জামিন নামঞ্জুর করে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। সেদিন মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য ছিল। পরীমনি আদালতে হাজির না হয়ে আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভীর মাধ্যমে সময়ের আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, অ্যালার্জিজনিত অসুস্থতার কারণে তিনি আদালতে আসতে পারেননি।


তবে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবুল কালাম মোহাম্মদ সোহেল ওই আবেদনের বিরোধিতা করেন। তাঁর দাবি, পরীমনি ইচ্ছাকৃতভাবে আদালতে হাজির না হয়ে সময় চেয়েছেন, এতে আদালতের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে। শুনানি শেষে আদালত সময়ের আবেদন নাকচ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৩ ডিসেম্বর তারিখ ধার্য করেন।


২০২২ সালের ৬ জুলাই নাসির উদ্দিন মাহমুদ এ মামলা করেন। মামলায় পরীমনির পাশাপাশি তাঁর দুই সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমিকে আসামি করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ২৬ জুন আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। সেদিন আদালতে অনুপস্থিত থাকায় পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। পরদিন তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।


মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০২১ সালের ৮ জুন রাত ১২টার পর পরীমনি ও তাঁর সহযোগীরা সাভারের বোট ক্লাবে গিয়ে মদ পান করেন। পরে তাঁরা বিনা মূল্যে মদের বোতল নিতে চাইলে ক্লাবে ভাঙচুর করেন। এজাহারে আরও বলা হয়, রাত সোয়া ১টার দিকে ক্লাব ছাড়ার সময় নাসির উদ্দিনকে ডেকে একটি ব্লু লেবেল মদের বোতল বিনা মূল্যে দেওয়ার জন্য চাপ দেন পরীমনি। নাসির রাজি না হওয়ায় তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পরীমনি তাঁর দিকে একটি সার্ভিং গ্লাস ও মোবাইল ফোন ছুড়ে মারেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে নাসির মাথা ও বুকে আঘাত পান বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।


২০২১ সালের ১৪ জুন ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও তাঁর বন্ধু অমির বিরুদ্ধে সাভার থানায় মামলা করেছিলেন পরীমনি। পরে তাঁর বিরুদ্ধেও মাদক মামলা হয়।


আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক সোজা সাপটা

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬


জামিন নিতে আদালতে পরীমনি, সঙ্গে ১০ বডিগার্ড

প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

বোট ক্লাবে ভাঙচুর, ক্লাবের সভাপতি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর আদালতে এসেছেন অভিনেত্রী পরীমনি। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সাদা গাড়িতে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে পৌঁছান তিনি।


শুনানি শুরু না হওয়ায় পরীমনি গাড়ির ভেতরেই অবস্থান করছিলেন। কালো পোশাক পরা ১০ জন বডিগার্ড গাড়িটি ঘিরে ছিলেন। শুনানি শুরু হলে নিরাপত্তা দিয়ে তাঁকে আদালতে নেওয়ার কথা ছিল।


এর আগের দিন বুধবার ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রাহমান পরীমনির জামিন নামঞ্জুর করে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। সেদিন মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য ছিল। পরীমনি আদালতে হাজির না হয়ে আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভীর মাধ্যমে সময়ের আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, অ্যালার্জিজনিত অসুস্থতার কারণে তিনি আদালতে আসতে পারেননি।


তবে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবুল কালাম মোহাম্মদ সোহেল ওই আবেদনের বিরোধিতা করেন। তাঁর দাবি, পরীমনি ইচ্ছাকৃতভাবে আদালতে হাজির না হয়ে সময় চেয়েছেন, এতে আদালতের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে। শুনানি শেষে আদালত সময়ের আবেদন নাকচ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৩ ডিসেম্বর তারিখ ধার্য করেন।


২০২২ সালের ৬ জুলাই নাসির উদ্দিন মাহমুদ এ মামলা করেন। মামলায় পরীমনির পাশাপাশি তাঁর দুই সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমিকে আসামি করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ২৬ জুন আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। সেদিন আদালতে অনুপস্থিত থাকায় পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। পরদিন তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।


মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০২১ সালের ৮ জুন রাত ১২টার পর পরীমনি ও তাঁর সহযোগীরা সাভারের বোট ক্লাবে গিয়ে মদ পান করেন। পরে তাঁরা বিনা মূল্যে মদের বোতল নিতে চাইলে ক্লাবে ভাঙচুর করেন। এজাহারে আরও বলা হয়, রাত সোয়া ১টার দিকে ক্লাব ছাড়ার সময় নাসির উদ্দিনকে ডেকে একটি ব্লু লেবেল মদের বোতল বিনা মূল্যে দেওয়ার জন্য চাপ দেন পরীমনি। নাসির রাজি না হওয়ায় তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পরীমনি তাঁর দিকে একটি সার্ভিং গ্লাস ও মোবাইল ফোন ছুড়ে মারেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে নাসির মাথা ও বুকে আঘাত পান বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।


২০২১ সালের ১৪ জুন ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও তাঁর বন্ধু অমির বিরুদ্ধে সাভার থানায় মামলা করেছিলেন পরীমনি। পরে তাঁর বিরুদ্ধেও মাদক মামলা হয়।



দৈনিক সোজা সাপটা

সম্পাদক :
আবু সাউদ মাসুদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
জামিন নিতে আদালতে পরীমনি, সঙ্গে ১০ বডিগার্ড
0:00 / 0:00
1x