নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন মৌচাক বাসস্ট্যান্ডে আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় মঞ্জিল পরিবহনের জ্যেষ্ঠ চালক মো. রবিনকে (৩৫) ফোনে ডেকে নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে রাতভর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা ইকবালের অনুসারী হিসেবে পরিচিত ক্যাডার বাহিনীর বিরুদ্ধে এই হামলার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবার।
ভুক্তভোগী চালক রবিন জানান, গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে তাঁকে মুঠোফোনে ডেকে নেওয়া হয়। মঞ্জিল পরিবহনের চালকদের মধ্যে তিনি জ্যেষ্ঠ হওয়ায় তাঁকে সরিয়ে পুরো বাসস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং পরিবহন মালিকদের জিম্মি করে মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায়ের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এই অন্যায়ে বাধা দেওয়ায় তাঁর ওপর এই বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়।
রবিনের অভিযোগ, সাবেক কাউন্সিলর ইকবাল মিয়ার প্রধান আজাহার ওরফে ‘কুত্তা আজাহার’-এর নির্দেশে শিমরাইলের মেম্বারের ছেলে ইয়াবা রাসেল, হিরোঞ্চি বিল্লালসহ তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা তাঁকে সারারাত আটকে রেখে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। পরবর্তীতে চিকিৎসার জন্য নারায়ণগঞ্জের খানপুর হাসপাতালে গেলে হামলাকারীরা সেখানেও উপস্থিত হয়ে তাঁর চিকিৎসাসংক্রান্ত ও পুলিশ কেসের কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয়। এ ছাড়া ঘটনা নিয়ে মামলা বা মুখ খুললে পরিবারসহ তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরো জানান তারা দীর্ঘদিন যাবত কাচপুর ব্রিজের নিচে মঞ্জিল বাসস্টার্ন ও টাইগার মিল এলাকায় সন্ত্রাসের রাম-রাজত্ব করে আর্সছে। বর্তমানে তারা বিএনপি নেতাদের ছত্রছায়া এগুলো করছে বলে জানান।
ঘটনার পর ক্যামেরার সামনে ক্ষোভ প্রকাশ করে রবিনের স্ত্রী সুলতানা জানান, সন্ত্রাসীরা তাঁর স্বামীকে রাতভর নির্মমভাবে মারধর করে সকালে ঘটনাস্থলে গেলে আমার গলার চেইন। ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় এবং বর্তমানে প্রাণনাশের আতঙ্কে আমরা কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে পারছি না। তিনি দ্রুত ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে অভিযুক্ত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আকুল আবেদন জানান।
এবিষয়ে জানতে ২ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ইকবালকে মুঠোফোনে কল করলে তিনি জানান সবাইতো মিছিল মিটিংয়ে যায় সবাইকি আমার লোক, তবে এরা সবাই খারাপ ঐ ড্রাইভার ও খারাপ আমি খবর নিয়েছি।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ এমদাদুল হককে কল করলে তিনি বলেন আমরা কোন মামলা অভিযোগ পাইনি। তবে কেউ অভিযোগ করলে ব্যাবস্থাপনা গ্রহন করবো।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন মৌচাক বাসস্ট্যান্ডে আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় মঞ্জিল পরিবহনের জ্যেষ্ঠ চালক মো. রবিনকে (৩৫) ফোনে ডেকে নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে রাতভর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা ইকবালের অনুসারী হিসেবে পরিচিত ক্যাডার বাহিনীর বিরুদ্ধে এই হামলার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবার।
ভুক্তভোগী চালক রবিন জানান, গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে তাঁকে মুঠোফোনে ডেকে নেওয়া হয়। মঞ্জিল পরিবহনের চালকদের মধ্যে তিনি জ্যেষ্ঠ হওয়ায় তাঁকে সরিয়ে পুরো বাসস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং পরিবহন মালিকদের জিম্মি করে মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায়ের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এই অন্যায়ে বাধা দেওয়ায় তাঁর ওপর এই বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়।
রবিনের অভিযোগ, সাবেক কাউন্সিলর ইকবাল মিয়ার প্রধান আজাহার ওরফে ‘কুত্তা আজাহার’-এর নির্দেশে শিমরাইলের মেম্বারের ছেলে ইয়াবা রাসেল, হিরোঞ্চি বিল্লালসহ তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা তাঁকে সারারাত আটকে রেখে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। পরবর্তীতে চিকিৎসার জন্য নারায়ণগঞ্জের খানপুর হাসপাতালে গেলে হামলাকারীরা সেখানেও উপস্থিত হয়ে তাঁর চিকিৎসাসংক্রান্ত ও পুলিশ কেসের কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয়। এ ছাড়া ঘটনা নিয়ে মামলা বা মুখ খুললে পরিবারসহ তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরো জানান তারা দীর্ঘদিন যাবত কাচপুর ব্রিজের নিচে মঞ্জিল বাসস্টার্ন ও টাইগার মিল এলাকায় সন্ত্রাসের রাম-রাজত্ব করে আর্সছে। বর্তমানে তারা বিএনপি নেতাদের ছত্রছায়া এগুলো করছে বলে জানান।
ঘটনার পর ক্যামেরার সামনে ক্ষোভ প্রকাশ করে রবিনের স্ত্রী সুলতানা জানান, সন্ত্রাসীরা তাঁর স্বামীকে রাতভর নির্মমভাবে মারধর করে সকালে ঘটনাস্থলে গেলে আমার গলার চেইন। ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় এবং বর্তমানে প্রাণনাশের আতঙ্কে আমরা কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে পারছি না। তিনি দ্রুত ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে অভিযুক্ত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আকুল আবেদন জানান।
এবিষয়ে জানতে ২ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ইকবালকে মুঠোফোনে কল করলে তিনি জানান সবাইতো মিছিল মিটিংয়ে যায় সবাইকি আমার লোক, তবে এরা সবাই খারাপ ঐ ড্রাইভার ও খারাপ আমি খবর নিয়েছি।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ এমদাদুল হককে কল করলে তিনি বলেন আমরা কোন মামলা অভিযোগ পাইনি। তবে কেউ অভিযোগ করলে ব্যাবস্থাপনা গ্রহন করবো।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন