নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে পাখির খাবারের দোকান থেকে সাইলোর চুরি হওয়া গম পুলিশের উপস্থিতিতে উদ্ধার করে অন্যত্র বিক্রির অভিযোগ উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ সিণ্ডিকেটের বিরুদ্ধে। রবিবার (৯ আগষ্ট) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের ডেমরা-চিটাগাং রোডের চেয়ারম্যান বাড়ী সংলগ্ন বাবুলের দোকান থেকে থানা পুলিশের সহযোগিতায় ৩৫০ বস্তা গম উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জের একটি শক্তিশালী সিণ্ডিকেটের কাছে বিক্রি করে দেয়া হয়। এ ঘটনায় সাইলোর ডিলার ও থানা পুলিশের ভুমিকা নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধায় চিটাগাং রোডের বাবুলের পাখির খাবারের দোকানে একটি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ট-১৬-৮৭০১) বোঝাই ২৫০ বস্তা গম আনলোড করা হয়। রাতেই দোকানদার বাবুল চোরাই সিণ্ডিকেটের কাছ থেকে ক্রয় করে আনলোড করা খাদ্য অধিদপ্তরের লগো যুক্ত বস্তা থেকে গম বের করে অন্য বস্তায় গম স্থানান্তর করে গুদামজাত করে ফেলে। পরের দিন রবিবার দুপুর ২টার দিকে সাইলোর ডিলার খোরশেদের নেতৃত্বে কিছু লোকজন ওই দোকান থেকে গমগুলো ফেরত নিতে আসে। খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আল মামুন কবিরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে এসে নিজেরা দাড়িয়ে থেকে তাদেরকে ২৫০ বস্তার স্থলে ৩৫০ বস্তা গম বুঝিয়ে দেয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দাম-দরে না বনায় এখান থেকে চোরাই গমগুলো ফেরত নিয়ে নিতাইগঞ্জের এক প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করা হয়।
পাখির খাবারের দোকানদার মো: বাবুল সরকারী ২৫০ বস্তা গম কিনে রেখেছেন স্বীকার করে বলেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই আল মামুন এবং সাইলোগেট থেকে খোরশেদ ও নারায়ণগঞ্জ থেকে সোহাগ এসেছিল। আমাকে আইনি ঝামেলায় না ফেলার শর্তে ২৫০ বস্তা গমের স্থলে ৩৫০ বস্তা গম নিয়ে গেছে। তিনি বলেন, গম গুলো ঠিকাদার খোরশেদের।
সাইলো ঠিকাদার খোরশেদের মুঠোফোনে একাধিক বার কল করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ব্যাপারে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আল মামুন কবির বলেন, আমি গমের বৈধ ডিও দেখেছি এবং যার মাল সে নিয়ে গেছে। বাবুলের গোডাউন থেকে চোরাই গম উদ্ধার করে থানায় না নিয়ে কিভাবে গম ছেড়ে দিলেন এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি কাগজ দেখেছি, সঠিক আছে তাই থানায় না নিয়ে যার মাল তাকে দিয়েছি। তবে তাদের তিনি চিনেন না বলে ও জানান। ২৫০ বস্তা গমের স্থলে ৩৫০ বস্তা গম উদ্ধারের বিষয়ে এসআই আরও বলেন, বাবুলকে মামলা করতে বলেন।
নারায়ণগঞ্জ সাইলোর সুপার মো: আকরাম হোসেন বলেন, সাইলোর গম বাইরে বিক্রি করার সুযোগ নেই। ঠিকাদারের মাধ্যামে গম পরিবহন করা হয়, সাইলোর বাইরে কিছু হলে এর দায় দায়িত্ব একমাত্র ঠিকাদারের। শিমরাইল এলাকার বাবুলের দোকান থেকে গত রবিবার দুপুরে আপনাদের ঠিকাদার খোরশেদের নেতৃত্বে ৩৬০ বস্তা গম থানার এসআই আল মামুন কবিরের সহায়তায় উদ্ধার করা হয়েছে এ বিষয়ে কিছু জানেন কিনা এ প্রশ্নের জবাবে সুপার বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে পাখির খাবারের দোকান থেকে সাইলোর চুরি হওয়া গম পুলিশের উপস্থিতিতে উদ্ধার করে অন্যত্র বিক্রির অভিযোগ উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ সিণ্ডিকেটের বিরুদ্ধে। রবিবার (৯ আগষ্ট) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের ডেমরা-চিটাগাং রোডের চেয়ারম্যান বাড়ী সংলগ্ন বাবুলের দোকান থেকে থানা পুলিশের সহযোগিতায় ৩৫০ বস্তা গম উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জের একটি শক্তিশালী সিণ্ডিকেটের কাছে বিক্রি করে দেয়া হয়। এ ঘটনায় সাইলোর ডিলার ও থানা পুলিশের ভুমিকা নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধায় চিটাগাং রোডের বাবুলের পাখির খাবারের দোকানে একটি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ট-১৬-৮৭০১) বোঝাই ২৫০ বস্তা গম আনলোড করা হয়। রাতেই দোকানদার বাবুল চোরাই সিণ্ডিকেটের কাছ থেকে ক্রয় করে আনলোড করা খাদ্য অধিদপ্তরের লগো যুক্ত বস্তা থেকে গম বের করে অন্য বস্তায় গম স্থানান্তর করে গুদামজাত করে ফেলে। পরের দিন রবিবার দুপুর ২টার দিকে সাইলোর ডিলার খোরশেদের নেতৃত্বে কিছু লোকজন ওই দোকান থেকে গমগুলো ফেরত নিতে আসে। খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আল মামুন কবিরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে এসে নিজেরা দাড়িয়ে থেকে তাদেরকে ২৫০ বস্তার স্থলে ৩৫০ বস্তা গম বুঝিয়ে দেয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দাম-দরে না বনায় এখান থেকে চোরাই গমগুলো ফেরত নিয়ে নিতাইগঞ্জের এক প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করা হয়।
পাখির খাবারের দোকানদার মো: বাবুল সরকারী ২৫০ বস্তা গম কিনে রেখেছেন স্বীকার করে বলেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই আল মামুন এবং সাইলোগেট থেকে খোরশেদ ও নারায়ণগঞ্জ থেকে সোহাগ এসেছিল। আমাকে আইনি ঝামেলায় না ফেলার শর্তে ২৫০ বস্তা গমের স্থলে ৩৫০ বস্তা গম নিয়ে গেছে। তিনি বলেন, গম গুলো ঠিকাদার খোরশেদের।
সাইলো ঠিকাদার খোরশেদের মুঠোফোনে একাধিক বার কল করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ব্যাপারে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আল মামুন কবির বলেন, আমি গমের বৈধ ডিও দেখেছি এবং যার মাল সে নিয়ে গেছে। বাবুলের গোডাউন থেকে চোরাই গম উদ্ধার করে থানায় না নিয়ে কিভাবে গম ছেড়ে দিলেন এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি কাগজ দেখেছি, সঠিক আছে তাই থানায় না নিয়ে যার মাল তাকে দিয়েছি। তবে তাদের তিনি চিনেন না বলে ও জানান। ২৫০ বস্তা গমের স্থলে ৩৫০ বস্তা গম উদ্ধারের বিষয়ে এসআই আরও বলেন, বাবুলকে মামলা করতে বলেন।
নারায়ণগঞ্জ সাইলোর সুপার মো: আকরাম হোসেন বলেন, সাইলোর গম বাইরে বিক্রি করার সুযোগ নেই। ঠিকাদারের মাধ্যামে গম পরিবহন করা হয়, সাইলোর বাইরে কিছু হলে এর দায় দায়িত্ব একমাত্র ঠিকাদারের। শিমরাইল এলাকার বাবুলের দোকান থেকে গত রবিবার দুপুরে আপনাদের ঠিকাদার খোরশেদের নেতৃত্বে ৩৬০ বস্তা গম থানার এসআই আল মামুন কবিরের সহায়তায় উদ্ধার করা হয়েছে এ বিষয়ে কিছু জানেন কিনা এ প্রশ্নের জবাবে সুপার বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন