ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

নির্বাচনে চিত্রনায়িকা রোজিনা ও পলির অভিযোগ নিয়ে যা বললেন শিবা শানু

সাদনান আল নূর তিয়ান সাদনান আল নূর তিয়ান

প্রকাশিত: ০৮ জুলাই, ২০২৬

নির্বাচনে চিত্রনায়িকা রোজিনা ও পলির অভিযোগ নিয়ে যা বললেন শিবা শানু

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিতর্কের শুরু হয়েছে। এর মধ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ তুলেছেন চিত্রনায়িকা রোজিনা ও পলি। গত ৫ জুলাই রাজধানীর উত্তরার নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সংগঠনের নির্বাচন নিয়ে হতাশার কথা জানান তিনি।
চিত্রনায়িকা রোজিনা অভিযোগ করে বলেন, এবারের নির্বাচনে ভোটগ্রহণের সুষ্ঠু পরিবেশ ছিল না। ভোটগ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশের প্রক্রিয়াতে বিভিন্ন অসংগতি দেখেছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) এখন আর আগের মতো নেই। এখানে সম্মান, মূল্যবোধ নষ্ট হচ্ছে। আর আমার মৃত্যুর পর লাশ যেন এফডিসিতে না নেয়া হয়।
এবারের নির্বাচনে আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে পরাজয়ের পর অভিযোগ তুলেছেন চিত্রনায়িকা পলি। তিনি দাবি করেছেন―নির্বাচনে তাকে হারানোর জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। এছাড়াও দাবি করেছেন, নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় অর্থের প্রভাব স্পষ্ট ছিল। এমনকি তিনি এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু বিচারও দাবি করেন।
এদিকে শিল্পী সমিতির নির্বাচন ও এর ভোটগ্রহণ নিয়ে চিত্রনায়িকা রোজিনা ও পলির তোলা অভিযোগের ব্যাপারে চ্যানেল 24-এর সঙ্গে কথা বলেছেন সংগঠনের সভাপতি ও জনপ্রিয় খল-অভিনেতা শিবা শানু। তিনি বলেন, নির্বাচনে পরাজয় হলে স্বাভাবিকভাবেই মনটা খারাপ হয়। আবার তাকে যদি বিভিন্ন ধরনের কথা বলা হয়, এতে আঘাতটা বেশিই লাগে। আশা করি এই খারাপ লাগাটাও কেটে যাবে।


আগামীতে শিল্পী সমিতি নিয়ে কীভাবে কাজ করবেন, সংগঠনটি কীভাবে পরিচালনা করবেন, এ নিয়ে পরিকল্পনাওে করেছেন শিবা শানু। এ ক্ষেত্রে পরাজিত প্রার্থীদেরও কাজের সুযোগ থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এ তারকা বলেন, আমার এখানে বিভিন্ন উপকমিটি হবে। তারা (পরাজিত প্রার্থী) যেহেতু শিল্পীদের সেবা করার জন্য নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন, এ জন্য সেসব উপকমিটিতে তাদের রাখা হবে। যাতে তারা যে শিল্পীদের পাশে থাকতে চেয়েছিলেন, সেটি হয়। এভাবে তারা শিল্পী সমিতির নির্বাচিত কমিটির সঙ্গে কাজ করবেন।
এছাড়া নির্বাচনে অর্থ লেনদেনের ব্যাপারে এ অভিনেতা বলেন, তিনি (পলি) যে অভিযোগ করেছেন, এখানে কেউই টাকার জন্য আসেনি। কথাটি হলো- হয়তো মনোক্ষুণ্ন হয়ে কথাটি বলেছে। সে সন্দেহ করেছে, হয়তো এমনটা হতে পারে। আশা করি সব ঠিক হয়ে যাবে। আর ব্যবস্থা নেয়ার কিছু নেই। তবে তাদের সঙ্গে আগে কথা বলে নেই, দেখি কী বলতে চাচ্ছে তারা। তারপর না হয় সিদ্ধান্তে যাওয়া যাবে।

Link copied!