নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাদা-কালো পতাকা প্রদর্শন এবং সম্প্রতি ভারতীয় গুপ্তচর আটকের ঘটনাকে ঘিরে মন্তব্য করেছেন আল-জাজিরার সাংবাদিক ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদক জুলকারনাইন সায়ের।
শনিবার (২৭ জুন) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি দাবি করেন, চীন সফরের আগে এবং সফর চলাকালে চট্টগ্রাম বন্দরে অগ্নিকাণ্ডের দুটি ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে একটি চট্টগ্রাম বন্দরে এবং অন্যটি বন্দরের অকশন শেডে সংঘটিত হয়।
জুলকারনাইন সায়ের তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, চীন সফর চলাকালে এবং সফর সফলভাবে শেষ হওয়ার পর দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে সাদা-কালো পতাকার মিছিল দেখা যায়। একই সময়ে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, ফেনী ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকার সড়ক, ফ্লাইওভার এবং আবাসিক এলাকায় সাদা-কালো পতাকা টাঙানোর ঘটনাও ঘটে।
তিনি আরও বলেন, এসব ঘটনার মধ্যেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে দুই ভারতীয় গুপ্তচর আটক হয় এবং তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সংবেদনশীল তথ্য-উপাত্ত উদ্ধার করা হয়।
স্ট্যাটাসে তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন ঘটনার সময়ক্রম বিশ্লেষণ করলে একটি রাষ্ট্রের উদ্বেগ ও অস্থিরতার বহিঃপ্রকাশ স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।
তিনি বলেন, মানুষ যখন নার্ভাস হয়ে যায় তখন সে বিচলিত হয়ে এমন সব কার্যকলাপ করে যা দেখে তার মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। কিন্তু একটা রাষ্ট্র যে নার্ভাস হয়ে এভাবে নিজেদের পশ্চাৎ উন্মুক্ত করে দেয়, সেটা এসব ঘটনার টাইম লাইন দেখলে বেশ স্পষ্টভাবেই বুঝতে পারা যায়।
একই সঙ্গে তিনি অতীতে বিভিন্ন ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে মন্তব্য করে বলেন, যারা পূর্বে বিশেষ গোষ্ঠীর মঞ্চস্থ নাটকের বলি হয়েছেন, তাদের স্বজনরা যখন একই গোষ্ঠীর অর্থায়নে পরিচালিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন, তখন তাদের প্রতি তার অনুকম্পা জন্মায়।
তার এই স্ট্যাটাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে তিনি যেসব দাবি করেছেন, সেগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাদা-কালো পতাকা প্রদর্শন এবং সম্প্রতি ভারতীয় গুপ্তচর আটকের ঘটনাকে ঘিরে মন্তব্য করেছেন আল-জাজিরার সাংবাদিক ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদক জুলকারনাইন সায়ের।
শনিবার (২৭ জুন) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি দাবি করেন, চীন সফরের আগে এবং সফর চলাকালে চট্টগ্রাম বন্দরে অগ্নিকাণ্ডের দুটি ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে একটি চট্টগ্রাম বন্দরে এবং অন্যটি বন্দরের অকশন শেডে সংঘটিত হয়।
জুলকারনাইন সায়ের তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, চীন সফর চলাকালে এবং সফর সফলভাবে শেষ হওয়ার পর দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে সাদা-কালো পতাকার মিছিল দেখা যায়। একই সময়ে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, ফেনী ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকার সড়ক, ফ্লাইওভার এবং আবাসিক এলাকায় সাদা-কালো পতাকা টাঙানোর ঘটনাও ঘটে।
তিনি আরও বলেন, এসব ঘটনার মধ্যেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে দুই ভারতীয় গুপ্তচর আটক হয় এবং তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সংবেদনশীল তথ্য-উপাত্ত উদ্ধার করা হয়।
স্ট্যাটাসে তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন ঘটনার সময়ক্রম বিশ্লেষণ করলে একটি রাষ্ট্রের উদ্বেগ ও অস্থিরতার বহিঃপ্রকাশ স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।
তিনি বলেন, মানুষ যখন নার্ভাস হয়ে যায় তখন সে বিচলিত হয়ে এমন সব কার্যকলাপ করে যা দেখে তার মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। কিন্তু একটা রাষ্ট্র যে নার্ভাস হয়ে এভাবে নিজেদের পশ্চাৎ উন্মুক্ত করে দেয়, সেটা এসব ঘটনার টাইম লাইন দেখলে বেশ স্পষ্টভাবেই বুঝতে পারা যায়।
একই সঙ্গে তিনি অতীতে বিভিন্ন ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে মন্তব্য করে বলেন, যারা পূর্বে বিশেষ গোষ্ঠীর মঞ্চস্থ নাটকের বলি হয়েছেন, তাদের স্বজনরা যখন একই গোষ্ঠীর অর্থায়নে পরিচালিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন, তখন তাদের প্রতি তার অনুকম্পা জন্মায়।
তার এই স্ট্যাটাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে তিনি যেসব দাবি করেছেন, সেগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন