দৈনিক সোজা সাপটা

‘সবাই ক্ষমা করে দিয়েন আমাকে। ভালো থেকো প্রিয় বউ। সবকিছু শেষ আমার।’— শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যার দিকে নিজের ফেসবুক আইডিতে এমন একটি স্ট্যাটাস

ফেসবুক স্ট্যাটাসে ক্ষমা চাইলেন, সন্ধ্যায় মিলল গাছে ঝুলন্ত মরদেহ



ফেসবুক স্ট্যাটাসে ক্ষমা চাইলেন, সন্ধ্যায় মিলল গাছে ঝুলন্ত মরদেহ
ফেসবুক স্ট্যাটাসে ক্ষমা চাইলেন, সন্ধ্যায় মিলল গাছে ঝুলন্ত মরদেহ

‘সবাই ক্ষমা করে দিয়েন আমাকে। ভালো থেকো প্রিয় বউ। সবকিছু শেষ আমার।’— শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যার দিকে নিজের ফেসবুক আইডিতে এমন একটি স্ট্যাটাস দেন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মরিয়মনগর ইউনিয়নের ফুলগাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ তানভির হোসেন (৩০)। স্ট্যাটাস দেওয়ার কিছু সময় পরই বাড়ির পাশের কর্ণফুলী নদীর চরের একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী তানভির কুরবানির ঈদ উপলক্ষ্যে ছুটিতে দেশে এসেছিলেন। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে আবার কর্মস্থলে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে শুক্রবার সন্ধ্যায় তার ফেসবুক আইডিতে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস প্রকাশিত হয়।

স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘আমার মৃত্যুর কারণ আমার চাচা শ্বশুর। এত বড় অপবাদ না দিলেও পারতে। সবাই ক্ষমা করে দিয়েন আমাকে। ভালো থেকো প্রিয় বউ। সবকিছু শেষ আমার।’

স্ট্যাটাসটি প্রকাশের পর পরিচিতদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। পরে স্থানীয়রা বাড়ির পাশের কর্ণফুলী নদীর চরের একটি গাছে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। স্বজনরা দ্রুত তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মরিয়মনগর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. বেলাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তানভিরের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে পরিবেশ। প্রতিবেশীদের ভাষ্য— হাসি-খুশি ও ভদ্র স্বভাবের তানভিরের এমন মৃত্যু তারা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না।

তবে ফেসবুক স্ট্যাটাসে তানভির যে অভিযোগ করেছেন, তার সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি। অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি জহির উদ্দিন বলেন, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ এবং ফেসবুক স্ট্যাটাসে উল্লিখিত অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক সোজা সাপটা

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


ফেসবুক স্ট্যাটাসে ক্ষমা চাইলেন, সন্ধ্যায় মিলল গাছে ঝুলন্ত মরদেহ

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬

featured Image

‘সবাই ক্ষমা করে দিয়েন আমাকে। ভালো থেকো প্রিয় বউ। সবকিছু শেষ আমার।’— শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যার দিকে নিজের ফেসবুক আইডিতে এমন একটি স্ট্যাটাস দেন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মরিয়মনগর ইউনিয়নের ফুলগাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ তানভির হোসেন (৩০)। স্ট্যাটাস দেওয়ার কিছু সময় পরই বাড়ির পাশের কর্ণফুলী নদীর চরের একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী তানভির কুরবানির ঈদ উপলক্ষ্যে ছুটিতে দেশে এসেছিলেন। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে আবার কর্মস্থলে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে শুক্রবার সন্ধ্যায় তার ফেসবুক আইডিতে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস প্রকাশিত হয়।

স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘আমার মৃত্যুর কারণ আমার চাচা শ্বশুর। এত বড় অপবাদ না দিলেও পারতে। সবাই ক্ষমা করে দিয়েন আমাকে। ভালো থেকো প্রিয় বউ। সবকিছু শেষ আমার।’

স্ট্যাটাসটি প্রকাশের পর পরিচিতদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। পরে স্থানীয়রা বাড়ির পাশের কর্ণফুলী নদীর চরের একটি গাছে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। স্বজনরা দ্রুত তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মরিয়মনগর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. বেলাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তানভিরের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে পরিবেশ। প্রতিবেশীদের ভাষ্য— হাসি-খুশি ও ভদ্র স্বভাবের তানভিরের এমন মৃত্যু তারা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না।

তবে ফেসবুক স্ট্যাটাসে তানভির যে অভিযোগ করেছেন, তার সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি। অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি জহির উদ্দিন বলেন, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ এবং ফেসবুক স্ট্যাটাসে উল্লিখিত অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।


দৈনিক সোজা সাপটা

সম্পাদক :
আবু সাউদ মাসুদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে ক্ষমা চাইলেন, সন্ধ্যায় মিলল গাছে ঝুলন্ত মরদেহ
0:00 / 0:00
1x