নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলন শেষে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন দলটির সর্বস্তরের নেতা-কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকরা। বিশাল জনসমাবেশের পর পুরো ঈদগাহ মাঠের আবর্জনা ও প্লাস্টিক পরিষ্কার করে তারা মাঠটিকে আগের রূপে ফিরিয়ে দিয়েছেন।
এর আগে, গত ১৯ জুন (শুক্রবার) শহরের ঐতিহাসিক ঈদগাহ মাঠে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এই কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি নেতা-কর্মী অংশ নেন।
দুপুরে সম্মেলন শেষ হওয়ার পরপরই জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের নির্দেশে মাঠে নামেন কয়েকশত স্বেচ্ছাসেবক। ব্যানার, ফেস্টুন, পানির বোতল, প্লাস্টিক কাপ এবং কাগজের টুকরোসহ মাঠের সমস্ত আবর্জনা নিজ দায়িত্বে কুড়িয়ে নির্দিষ্ট স্থানে জড়ো করেন তারা। এতে সাধারণ পথচারী ও এলাকাবাসীর মধ্যে বেশ ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে।
মাঠ পরিষ্কারের এই মহৎ উদ্যোগে অংশ নিয়ে নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের আমীর আবদুল বলেন “ইসলাম কেবল ইবাদত-বন্দেগির নাম নয়, পরিচ্ছন্নতাও ঈমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। আমাদের কর্মী সম্মেলনে হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন। সম্মেলন শেষে মাঠটি নোংরা রেখে চলে যাওয়া আমাদের দায়িত্বশীলতার পরিচয় বহন করে না। আমরা সমাজকে একটি বার্তা দিতে চাই—রাজনীতি বা জনসভা মানেই বিশৃঙ্খলা বা জনদুর্ভোগ নয়। পরিবেশ রক্ষা ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।”
তিনি আরও বলেন, আগামী দিনেও যেকোনো রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মসূচিতে জনগণের যেন কোনো ভোগান্তি না হয়, সেদিকে জামায়াতে ইসলামী সর্বোচ্চ সজাগ দৃষ্টি রাখবে।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলন শেষে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন দলটির সর্বস্তরের নেতা-কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকরা। বিশাল জনসমাবেশের পর পুরো ঈদগাহ মাঠের আবর্জনা ও প্লাস্টিক পরিষ্কার করে তারা মাঠটিকে আগের রূপে ফিরিয়ে দিয়েছেন।
এর আগে, গত ১৯ জুন (শুক্রবার) শহরের ঐতিহাসিক ঈদগাহ মাঠে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এই কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি নেতা-কর্মী অংশ নেন।
দুপুরে সম্মেলন শেষ হওয়ার পরপরই জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের নির্দেশে মাঠে নামেন কয়েকশত স্বেচ্ছাসেবক। ব্যানার, ফেস্টুন, পানির বোতল, প্লাস্টিক কাপ এবং কাগজের টুকরোসহ মাঠের সমস্ত আবর্জনা নিজ দায়িত্বে কুড়িয়ে নির্দিষ্ট স্থানে জড়ো করেন তারা। এতে সাধারণ পথচারী ও এলাকাবাসীর মধ্যে বেশ ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে।
মাঠ পরিষ্কারের এই মহৎ উদ্যোগে অংশ নিয়ে নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের আমীর আবদুল বলেন “ইসলাম কেবল ইবাদত-বন্দেগির নাম নয়, পরিচ্ছন্নতাও ঈমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। আমাদের কর্মী সম্মেলনে হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন। সম্মেলন শেষে মাঠটি নোংরা রেখে চলে যাওয়া আমাদের দায়িত্বশীলতার পরিচয় বহন করে না। আমরা সমাজকে একটি বার্তা দিতে চাই—রাজনীতি বা জনসভা মানেই বিশৃঙ্খলা বা জনদুর্ভোগ নয়। পরিবেশ রক্ষা ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।”
তিনি আরও বলেন, আগামী দিনেও যেকোনো রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মসূচিতে জনগণের যেন কোনো ভোগান্তি না হয়, সেদিকে জামায়াতে ইসলামী সর্বোচ্চ সজাগ দৃষ্টি রাখবে।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন