নারায়ণগঞ্জে ওসমানীয় সাম্রাজ্যের অস্ত্রভাণ্ডারের এক ভয়ঙ্কর তথ্য কি পাওয়া যাবে। কে সেই আল আলামিন নূর? তার আসল পরিচয়ই বা কী? ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গোপনে ওসমান পরিবারের স্বজনদের কোন ষড়যন্ত্রের মিশনে কাজ করছেন? ফ্যাসিস্টদের দোসর আল আলামিন নূর।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় শামীম ওসমানের নেতৃত্বে প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে মহড়া! এতে কতজনকে প্রশাসন চিহ্নিত করে আসামি করেছে? প্রকাশ্যে ঝনঝনানি অস্ত্র কোথায় উধাও হয়ে গেল? নারায়ণগঞ্জে কার কার কাছে গচ্ছিত রয়েছে?
অয়ন ওসমান ও তার শ্যালক মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ ভিকির অস্ত্রের ভাণ্ডার কার কাছে লুকানো রয়েছে? প্রশাসন কি সেই খবর জানে? প্রশ্ন এখন নারায়ণগঞ্জ শহর ও শহরতলীর সাধারণ মানুষের মাঝে। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে একটাই গুঞ্জন— ২০২৪ সালের ২ আগস্ট, শুক্রবারে আওয়ামী লীগ ও ওসমান পরিবারের সমর্থকদের এত অস্ত্র কোথায় উধাও হলো? প্রশাসন ওসমান সাম্রাজ্যের অস্ত্র উদ্ধারে কী ব্যবস্থা নিয়েছে? ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে, নাকি কোনো গোঁজামিল দিয়ে মানুষকে গল্পকাহিনি শোনাচ্ছে প্রশাসন?
গোপন সূত্রে আরও জানা যায়, নারায়ণগঞ্জের প্রভাবশালী সাবেক এমপিদের মধ্যে অন্যতম শামীম ওসমান। তার পরিবার ও পরিবারের নিকট-দূরের স্বজনেরা প্রভাব খাটিয়ে দাপট দেখিয়েছেন। শামীম ওসমানের বেয়াই ফয়েজ উদ্দিন লাভলু এবং অয়ন ওসমানের শ্যালক মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ ভিকি। এছাড়া ভিকির ভায়রাভাই আলা আমীন নূর, যা গোপন তথ্যসূত্রে জানা যায়। চাষাড়ায় প্রাইম জেনারেল হাসপাতাল রয়েছে ভিকির ভায়রাভাই আলা আমীন নূরের।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা কালে হরহামেশাই যাতায়াত করতেন ভিকি। আলা আমীন নূরের চাষাড়া প্রাইম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার অন্তরালে গোপন অস্ত্রের নিরাপদ আশ্রয়স্থল ছিল ভিকি ও বোন জামাই অয়নের। যা প্রাইম জেনারেল হাসপাতালের আলা আমীন নূরকে গ্রেপ্তার করলে সকল অপকর্মের ঘটনা ও লুকানো অবৈধ অস্ত্রের উন্মোচন হবে শহরবাসী প্রত্যাশা করছেন।
এ হাসপাতালে রোগীদের বর্জ্যের থেকে বেশি বের হতো ফেনসিডিলের খালি বোতল ও মাদকদ্রব্যের ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি। তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ মামলা চলমান থাকলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন আলা আমীন নূর।
সূত্রে আরও জানা যায়, ভিকির ভায়রাভাই আলা আমীন নূর এখনও প্রভাব খাটিয়ে চাষাড়ার ও নারায়ণগঞ্জে ধাপরিয়ে বেড়াচ্ছেন।
এবিষযে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ছুটিতে ছিলেন এবং সরকারি নাম্বার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি সদর ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মজিবর রহমান বলেন, আমরা এধরেন কোন তথ্য পেলে পদক্ষেপ নিব।
এ বিষয়ে সংবাদটি লেখা ও প্রকাশের পূর্ব পর্যন্ত প্রাইম জেনারেল হাসপাতালের আলা আমীন নূরের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে ওসমানীয় সাম্রাজ্যের অস্ত্রভাণ্ডারের এক ভয়ঙ্কর তথ্য কি পাওয়া যাবে। কে সেই আল আলামিন নূর? তার আসল পরিচয়ই বা কী? ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গোপনে ওসমান পরিবারের স্বজনদের কোন ষড়যন্ত্রের মিশনে কাজ করছেন? ফ্যাসিস্টদের দোসর আল আলামিন নূর।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় শামীম ওসমানের নেতৃত্বে প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে মহড়া! এতে কতজনকে প্রশাসন চিহ্নিত করে আসামি করেছে? প্রকাশ্যে ঝনঝনানি অস্ত্র কোথায় উধাও হয়ে গেল? নারায়ণগঞ্জে কার কার কাছে গচ্ছিত রয়েছে?
অয়ন ওসমান ও তার শ্যালক মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ ভিকির অস্ত্রের ভাণ্ডার কার কাছে লুকানো রয়েছে? প্রশাসন কি সেই খবর জানে? প্রশ্ন এখন নারায়ণগঞ্জ শহর ও শহরতলীর সাধারণ মানুষের মাঝে। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে একটাই গুঞ্জন— ২০২৪ সালের ২ আগস্ট, শুক্রবারে আওয়ামী লীগ ও ওসমান পরিবারের সমর্থকদের এত অস্ত্র কোথায় উধাও হলো? প্রশাসন ওসমান সাম্রাজ্যের অস্ত্র উদ্ধারে কী ব্যবস্থা নিয়েছে? ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে, নাকি কোনো গোঁজামিল দিয়ে মানুষকে গল্পকাহিনি শোনাচ্ছে প্রশাসন?
গোপন সূত্রে আরও জানা যায়, নারায়ণগঞ্জের প্রভাবশালী সাবেক এমপিদের মধ্যে অন্যতম শামীম ওসমান। তার পরিবার ও পরিবারের নিকট-দূরের স্বজনেরা প্রভাব খাটিয়ে দাপট দেখিয়েছেন। শামীম ওসমানের বেয়াই ফয়েজ উদ্দিন লাভলু এবং অয়ন ওসমানের শ্যালক মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ ভিকি। এছাড়া ভিকির ভায়রাভাই আলা আমীন নূর, যা গোপন তথ্যসূত্রে জানা যায়। চাষাড়ায় প্রাইম জেনারেল হাসপাতাল রয়েছে ভিকির ভায়রাভাই আলা আমীন নূরের।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা কালে হরহামেশাই যাতায়াত করতেন ভিকি। আলা আমীন নূরের চাষাড়া প্রাইম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার অন্তরালে গোপন অস্ত্রের নিরাপদ আশ্রয়স্থল ছিল ভিকি ও বোন জামাই অয়নের। যা প্রাইম জেনারেল হাসপাতালের আলা আমীন নূরকে গ্রেপ্তার করলে সকল অপকর্মের ঘটনা ও লুকানো অবৈধ অস্ত্রের উন্মোচন হবে শহরবাসী প্রত্যাশা করছেন।
এ হাসপাতালে রোগীদের বর্জ্যের থেকে বেশি বের হতো ফেনসিডিলের খালি বোতল ও মাদকদ্রব্যের ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি। তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ মামলা চলমান থাকলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন আলা আমীন নূর।
সূত্রে আরও জানা যায়, ভিকির ভায়রাভাই আলা আমীন নূর এখনও প্রভাব খাটিয়ে চাষাড়ার ও নারায়ণগঞ্জে ধাপরিয়ে বেড়াচ্ছেন।
এবিষযে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ছুটিতে ছিলেন এবং সরকারি নাম্বার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি সদর ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মজিবর রহমান বলেন, আমরা এধরেন কোন তথ্য পেলে পদক্ষেপ নিব।
এ বিষয়ে সংবাদটি লেখা ও প্রকাশের পূর্ব পর্যন্ত প্রাইম জেনারেল হাসপাতালের আলা আমীন নূরের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন