নারায়ণগঞ্জ শহরের মহিলা কলেজের সামনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন। এসময় মহিলা কলেজের গেইসের সামনে সরকারি জায়গায় তৈরি অবৈধ স্থাপনা ও কয়েকটি টিনের ঘর ভেঙে দেয়া হয়।
মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া মহিলা কলেজের সামনে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময় মহিলা কলেজের গেইটের সামনে সরকারি জায়গায় নির্মিত ছাউনি, টিন ও বাঁশের বেড়া দিয়ে তৈরি কয়েকটি দোকান ভেঙে দেয়া হয়। এছাড়াও সরকারি জায়গায় নির্মিত অভিযোগে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দুইটি পাকা ঘর ও দুইটি টিনের ঘর ভেঙে দেয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন কোন নোটিশ ছাড়াও তাদের বসত ঘর ভেঙে দেয়া হয়েছে। কোর্টে এই জায়গার মালিকানা নিয়ে মামলাও চলমান রয়েছে বলে দাবী করেন তারা। তবে এ সংক্রান্ত কোন কাগজ দেখাতে পারেনি তারা।
এবিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, উচ্ছেদের আগে তাদের লিখিত নোটিশ দেয়া হয়েছে। এর আগে মৌখিকভাবেও তাদের একাধিকবার বলা হয়েছে। জানানো হয়নি এই দাবী অসত্য।
তিনি আরও বলেন, এই জায়গাটি সরকারি জায়গা। তারা দেড়শো বছর ধরে এখানে বসবাস করছে বলে দাবী করলেও এটা সত্য নয়। এখানে আগে ডোবা ছিল। তারা দাবী করেছে জায়গাটি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান আছে। তবে আমরা মামলার কাগজ দেখতে চাইলে তারা কোন কাগজ দেখাতে পারেনি।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ শহরের মহিলা কলেজের সামনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন। এসময় মহিলা কলেজের গেইসের সামনে সরকারি জায়গায় তৈরি অবৈধ স্থাপনা ও কয়েকটি টিনের ঘর ভেঙে দেয়া হয়।
মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া মহিলা কলেজের সামনে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময় মহিলা কলেজের গেইটের সামনে সরকারি জায়গায় নির্মিত ছাউনি, টিন ও বাঁশের বেড়া দিয়ে তৈরি কয়েকটি দোকান ভেঙে দেয়া হয়। এছাড়াও সরকারি জায়গায় নির্মিত অভিযোগে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দুইটি পাকা ঘর ও দুইটি টিনের ঘর ভেঙে দেয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন কোন নোটিশ ছাড়াও তাদের বসত ঘর ভেঙে দেয়া হয়েছে। কোর্টে এই জায়গার মালিকানা নিয়ে মামলাও চলমান রয়েছে বলে দাবী করেন তারা। তবে এ সংক্রান্ত কোন কাগজ দেখাতে পারেনি তারা।
এবিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, উচ্ছেদের আগে তাদের লিখিত নোটিশ দেয়া হয়েছে। এর আগে মৌখিকভাবেও তাদের একাধিকবার বলা হয়েছে। জানানো হয়নি এই দাবী অসত্য।
তিনি আরও বলেন, এই জায়গাটি সরকারি জায়গা। তারা দেড়শো বছর ধরে এখানে বসবাস করছে বলে দাবী করলেও এটা সত্য নয়। এখানে আগে ডোবা ছিল। তারা দাবী করেছে জায়গাটি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান আছে। তবে আমরা মামলার কাগজ দেখতে চাইলে তারা কোন কাগজ দেখাতে পারেনি।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন