তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে নারায়ণগঞ্জ। কয়েকদিন ধরেই জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ। ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। প্রখর রোদ আর ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ, রিকশাচালক, নির্মাণশ্রমিক ও পথচারীদের কষ্ট সবচেয়ে বেশি।
মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে শহরের চাষাঢ়া, খানপুর, দুই নম্বর রেলগেট, বঙ্গবন্ধু সড়ক এলাকা বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা যায়, প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না।
দুপুরের দিকে ব্যস্ত সড়কগুলোতেও মানুষের উপস্থিতি তুলনামূলক কম ছিল। যারা বের হয়েছেন, তাদের অনেকেই ছাতা, টুপি কিংবা গামছা দিয়ে মাথা ঢেকে চলাচল করতে দেখা গেছে।
প্রচণ্ড গরমে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ। রিকশাচালক, ভ্যানচালক ও দিনমজুরদের অনেককেই কাজের ফাঁকে ছায়াযুক্ত স্থানে বিশ্রাম নিতে দেখা যায়। কেউ কেউ রাস্তার পাশের দোকান থেকে ঠান্ডা পানি ও শরবত খেয়ে কিছুটা স্বস্তি পাওয়ার চেষ্টা করছেন।
শহরের চাষাঢ়া এলাকার রিকশাচালক আব্দুল করিম বলেন, সকালে কিছুটা কাজ করা গেলেও দুপুরের পর রাস্তায় থাকা খুব কষ্টকর হয়ে যায়। গরমে শরীর একেবারে দুর্বল হয়ে যায়। তারপরও সংসারের জন্য রাস্তায় নামতে হচ্ছে।
খানপুর এলাকার নির্মাণশ্রমিক সোহেল মিয়া বলেন, রোদের মধ্যে কাজ করতে গিয়ে মাথা ঘুরে যায়। কয়েকবার কাজ বন্ধ রেখে বিশ্রাম নিতে হয়েছে। গরমের কারণে কাজের গতি কমে গেছে।
অন্যদিকে তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে ঠান্ডা পানীয়, শরবত, ডাব ও আইসক্রিমের বিক্রি বেড়েছে। শহরের বিভিন্ন মোড়ে এসব পণ্যের দোকানে ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে।
দুই নম্বর রেলগেট এলাকায় শরবত বিক্রেতা মিজানুর রহমান জানান, গরম যত বাড়ছে, বিক্রিও তত বাড়ছে। দুপুরের দিকে ক্রেতাদের চাপ সবচেয়ে বেশি থাকে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ এ এফ এম মুশিউর রহমান বলেন, অতিরিক্ত গরমে হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা ও বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বের হওয়া, বেশি বেশি পানি পান করা এবং শিশু ও বয়স্কদের বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে নারায়ণগঞ্জ। কয়েকদিন ধরেই জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ। ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। প্রখর রোদ আর ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ, রিকশাচালক, নির্মাণশ্রমিক ও পথচারীদের কষ্ট সবচেয়ে বেশি।
মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে শহরের চাষাঢ়া, খানপুর, দুই নম্বর রেলগেট, বঙ্গবন্ধু সড়ক এলাকা বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা যায়, প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না।
দুপুরের দিকে ব্যস্ত সড়কগুলোতেও মানুষের উপস্থিতি তুলনামূলক কম ছিল। যারা বের হয়েছেন, তাদের অনেকেই ছাতা, টুপি কিংবা গামছা দিয়ে মাথা ঢেকে চলাচল করতে দেখা গেছে।
প্রচণ্ড গরমে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ। রিকশাচালক, ভ্যানচালক ও দিনমজুরদের অনেককেই কাজের ফাঁকে ছায়াযুক্ত স্থানে বিশ্রাম নিতে দেখা যায়। কেউ কেউ রাস্তার পাশের দোকান থেকে ঠান্ডা পানি ও শরবত খেয়ে কিছুটা স্বস্তি পাওয়ার চেষ্টা করছেন।
শহরের চাষাঢ়া এলাকার রিকশাচালক আব্দুল করিম বলেন, সকালে কিছুটা কাজ করা গেলেও দুপুরের পর রাস্তায় থাকা খুব কষ্টকর হয়ে যায়। গরমে শরীর একেবারে দুর্বল হয়ে যায়। তারপরও সংসারের জন্য রাস্তায় নামতে হচ্ছে।
খানপুর এলাকার নির্মাণশ্রমিক সোহেল মিয়া বলেন, রোদের মধ্যে কাজ করতে গিয়ে মাথা ঘুরে যায়। কয়েকবার কাজ বন্ধ রেখে বিশ্রাম নিতে হয়েছে। গরমের কারণে কাজের গতি কমে গেছে।
অন্যদিকে তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে ঠান্ডা পানীয়, শরবত, ডাব ও আইসক্রিমের বিক্রি বেড়েছে। শহরের বিভিন্ন মোড়ে এসব পণ্যের দোকানে ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে।
দুই নম্বর রেলগেট এলাকায় শরবত বিক্রেতা মিজানুর রহমান জানান, গরম যত বাড়ছে, বিক্রিও তত বাড়ছে। দুপুরের দিকে ক্রেতাদের চাপ সবচেয়ে বেশি থাকে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ এ এফ এম মুশিউর রহমান বলেন, অতিরিক্ত গরমে হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা ও বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বের হওয়া, বেশি বেশি পানি পান করা এবং শিশু ও বয়স্কদের বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন