কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার সরকারি গুদামে ধান রাখা নিয়ে খাদ্য পরিদর্শকের ঘুষ নির্ধারণের কথোপকথনের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। উপজেলার সরকারি খাদ্য গুদামের ভেতরে একটি কক্ষের ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে সরকারি খাদ্য পরিদর্শক জয়নাল আবেদীন ভূইয়া সরাসরি একজন কৃষকের কাছে ঘুষ চাচ্ছেন।
প্রতি টন ধানে দুই হাজার টাকা অতিরিক্ত অর্থ দাবি করে খাদ্য পরিদর্শক বলছেন, সরকারি রেট অনুযায়ী এক টন ধানের দাম ৩৬ হাজার টাকা। অথচ বাজারে ৩০ হাজার টাকা। সেখানে ৬ হাজার টাকা বেশি পাচ্ছেন। আমাকে তো অর্ধেক দিতে বলিনি। তিন ভাগের এক ভাগ দিতে বলেছি।
তবে প্রথমে ভিডিওটি নিজের বলে স্বীকার করলেও পরে দাবি করেন, এটি এডিট করা।
তথ্য বলছে, সরকারি রেট অনুযায়ী প্রতি মণ ধানের দাম নির্ধারিত ১,৪৪০ টাকা। একজন কৃষক সর্বোচ্চ তিন টন পর্যন্ত ধান সরবরাহ করতে পারেন। সরকারি দামে প্রতি টনে কৃষক পাচ্ছেন বাজার দরের চেয়ে গড়ে ছয় হাজার টাকা বেশি। শুধু ঘুষ নয়, প্রতি মণের ওজন হিসাবেও চলছে কারচুপি। ৪০ কেজির জায়গায় ৪২ কেজি করে মেপে নিচ্ছেন। ফলে এক টন ধানে আরও ৯০০ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন এই কর্মকর্তা।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৫
কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার সরকারি গুদামে ধান রাখা নিয়ে খাদ্য পরিদর্শকের ঘুষ নির্ধারণের কথোপকথনের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। উপজেলার সরকারি খাদ্য গুদামের ভেতরে একটি কক্ষের ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে সরকারি খাদ্য পরিদর্শক জয়নাল আবেদীন ভূইয়া সরাসরি একজন কৃষকের কাছে ঘুষ চাচ্ছেন।
প্রতি টন ধানে দুই হাজার টাকা অতিরিক্ত অর্থ দাবি করে খাদ্য পরিদর্শক বলছেন, সরকারি রেট অনুযায়ী এক টন ধানের দাম ৩৬ হাজার টাকা। অথচ বাজারে ৩০ হাজার টাকা। সেখানে ৬ হাজার টাকা বেশি পাচ্ছেন। আমাকে তো অর্ধেক দিতে বলিনি। তিন ভাগের এক ভাগ দিতে বলেছি।
তবে প্রথমে ভিডিওটি নিজের বলে স্বীকার করলেও পরে দাবি করেন, এটি এডিট করা।
তথ্য বলছে, সরকারি রেট অনুযায়ী প্রতি মণ ধানের দাম নির্ধারিত ১,৪৪০ টাকা। একজন কৃষক সর্বোচ্চ তিন টন পর্যন্ত ধান সরবরাহ করতে পারেন। সরকারি দামে প্রতি টনে কৃষক পাচ্ছেন বাজার দরের চেয়ে গড়ে ছয় হাজার টাকা বেশি। শুধু ঘুষ নয়, প্রতি মণের ওজন হিসাবেও চলছে কারচুপি। ৪০ কেজির জায়গায় ৪২ কেজি করে মেপে নিচ্ছেন। ফলে এক টন ধানে আরও ৯০০ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন এই কর্মকর্তা।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন