দৈনিক সোজা সাপটা

পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যাখ্যা

এক শিশুর রক্ত পরীক্ষার সেম্পল নেয়াকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তির তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। শিশুটির পরিবারের অভিযোগ না থাকলেও বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে পপুলার ডায়ানগস্টিক সেন্টার কতৃপক্ষ ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। পাঠকদের সুবিধার্থে নিম্নে তা দেয়া হলো, ১৬ মাস বয়সী রাইয়ান নামে এক শিশু রোগীর চিকিৎসা সেবা সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। আমাদের কাছে প্রতীয়মান হচ্ছে, একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন করার লক্ষ্যে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে। এমতাব্যস্থায় বিষয়টি নিয়ে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড প্রকৃত ঘটনা ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন অনুভব করে। তাই বিষয়টি সকলের জ্ঞাতার্থে নিন্মে ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো। উল্লেখ্য, শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করা হয়নি। এছাড়া পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে শিশুটি সুস্থ হয়ে ইতোমধ্যে বাসায় ফিরেছে। পুরো বিষয়টি পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ নিবিড়ভাবে তদারকি করেছে এবং মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে নিয়মিত শিশুটির খোঁজখবর নিয়েছে। পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যাখ্যা তথা প্রকৃত ঘটনাগত ০৮-০৭-২০২৬ ইং তারিখে ১৬ মাস বয়সী রাইয়ান নামে শিশুটি একজন বিশেষজ্ঞ সার্জনের রেফারেন্সে অস্ত্রোপচারের পূর্বপ্রস্তুতি (চৎব-ড়ঢ়বৎধঃরাব) হিসেবে প্রয়োজনীয় কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর জন্য পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আসে। প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞ মেডিকেল টিম যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে তার রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে।পরদিন রিপোর্ট সংগ্রহের সময় শিশুটির অভিভাবক তাকে নিয়ে পুনরায় পপুলারে আসেন এবং জানান, শিশুটির হাতের নখ থেকে বাহু পর্যন্ত ফোলা দেখা দিয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিশেষজ্ঞ সার্জন ডা. এ কে এম শফিউল আলম ফেরদৌস, শিশু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সাইফুল আজম এবং শিশু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. দেলোয়ার হোসেনের পরামর্শ নেওয়া হয়।বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে শিশুটির হাতে সেলুলাইটিস (ঈবষষঁষরঃরং) নামক এক ধরনের প্রদাহজনিত (ওহভষধসসধঃড়ৎু) রোগ শনাক্ত হয়। চিকিৎসকদের মতে, এটি দ্রুত বিস্তার লাভ করতে পারে এবং এর লক্ষণ আগের দিন থেকেই প্রকাশ পেতে শুরু করেছিল। তারা আরও জানান, এ সমস্যার সঙ্গে রক্তের নমুনা সংগ্রহের কোনো সম্পর্ক নেই; বরং এটি শিশুটির শরীরে পূর্ব থেকেই বিদ্যমান একটি রোগজনিত অবস্থা।পরবর্তীতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী উন্নত চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে ঢাকা শিশু হাসপাতাল অথবা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ শেষে শিশুটি সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরে এসেছে।অত্যন্ত মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ চিকিৎসাকালীন পুরো সময় শিশুটির সার্বিক খোঁজখবর রেখেছে। পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বক্তব্যপপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হলো সঠিক রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা। দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জসহ আশপাশের জেলার অসংখ্য রোগী ও তাদের স্বজনদের আস্থা অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটি নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে আসছে।তাই যাচাই-বাছাই ছাড়া বিভ্রান্তিকর বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কোনো তথ্য প্রচার না করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যাখ্যা