দৈনিক সোজা সাপটা

নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক অঙ্গনে ইয়াহিয়া আলম উচ্ছাসকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই এবার আলোচনায় এসেছেন আক্তার নামে

শহরকে অশান্ত করতে নেপথ্যে উচ্ছাস, ফতুল্লায় আক্তার



শহরকে অশান্ত করতে নেপথ্যে উচ্ছাস, ফতুল্লায় আক্তার
শহরকে অশান্ত করতে নেপথ্যে উচ্ছাস, ফতুল্লায় আক্তার

নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক অঙ্গনে ইয়াহিয়া আলম উচ্ছাসকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই এবার আলোচনায় এসেছেন আক্তার নামে আরেক ব্যবসায়ী। স্থানীয় কয়েকটি সূত্রের দাবি, নারায়ণগঞ্জ শহর, গোগনগর, কাশীপুরসহ আশপাশের এলাকায় উচ্ছাসের তৎপরতা রয়েছে।

 

অন্যদিকে ফতুল্লা এলাকায় আক্তারের তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি। তাঁদের অভিযোগ, এই দুই ব্যক্তিকে ঘিরে রাজনৈতিক যোগাযোগ, অর্থের উৎস এবং এলাকায় প্রভাব বিস্তারের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।


স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন এলেও কিছু বিতর্কিত ব্যবসায়ীর রাজনৈতিক যোগাযোগ ও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা থেমে নেই।

 

বরং পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে কেউ কেউ নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করে নতুন করে প্রভাব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন। 


ইয়াহিয়া আলম উচ্ছাসকে নিয়ে এর আগেও স্থানীয় রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী মহলে নানা আলোচনা ছিল বলে কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে। অভিযোগ রয়েছে, অতীতে তিনি আজমেরী ওসমান এবং আওয়ামী লীগের সাবেক প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কথা বিভিন্ন মহলে তুলে ধরতেন। বর্তমানে তিনি বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন। 


নতুন করে ওঠা অভিযোগ অনুযায়ী, নারায়ণগঞ্জ শহর, গোগনগর, কাশীপুর ও আশপাশের এলাকায় উচ্ছাসের যোগাযোগ ও তৎপরতা রয়েছে। স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, এসব এলাকায় রাজনৈতিক যোগাযোগ রক্ষা এবং বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন তিনি। 


অন্যদিকে ফতুল্লা এলাকায় আক্তার নামে এক ব্যবসায়ীর তৎপরতা নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকটি সূত্রের দাবি, তিনি এলাকায় রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক যোগাযোগ ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন।

 

তাঁর বিরুদ্ধে ফতুল্লার পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার তৎপরতায় যুক্ত থাকার অভিযোগও করা হয়েছে। অতীতে তিনি মাদক এবং অস্ত্র সহ একাধিকবার গ্রেফতার হয়েছিলেন। তিনি শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত।
আক্তার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট হত্যা মামলারও আসামি ।

 

এ ক্ষেত্রে মামলার নম্বর, সংশ্লিষ্ট থানার নাম, এজাহার, অভিযোগপত্র এবং আদালতের সর্বশেষ আদেশ যাচাই করে তাঁর আইনগত অবস্থান নিশ্চিত করা জরুরি। সংশ্লিষ্ট নথি থেকেই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।


উচ্ছাস ও আক্তারের তৎপরতা নিয়ে স্থানীয় মহলে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, তার প্রকৃত চিত্র জানতে কয়েকটি বিষয় অনুসন্ধানের দাবি উঠেছে।

 

তাঁদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, আয় ও অর্থের উৎস, রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের কোনো প্রমাণ রয়েছে কি না এবং কোনো বেআইনি কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের অভিযোগ এবং তাদের আয়ের উৎস। 


নারায়ণগঞ্জ শহর, গোগনগর, কাশীপুর ও ফতুল্লার মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় রাজনৈতিক বিরোধ, অপরাধপ্রবণতা কিংবা অবৈধ প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠলে তা গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। 

বিষয় : শহরকে অশান্ত করতে নেপথ্যে উচ্ছাস ফতুল্লায় আক্তার

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক সোজা সাপটা

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


শহরকে অশান্ত করতে নেপথ্যে উচ্ছাস, ফতুল্লায় আক্তার

প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক অঙ্গনে ইয়াহিয়া আলম উচ্ছাসকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই এবার আলোচনায় এসেছেন আক্তার নামে আরেক ব্যবসায়ী। স্থানীয় কয়েকটি সূত্রের দাবি, নারায়ণগঞ্জ শহর, গোগনগর, কাশীপুরসহ আশপাশের এলাকায় উচ্ছাসের তৎপরতা রয়েছে।

 

অন্যদিকে ফতুল্লা এলাকায় আক্তারের তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি। তাঁদের অভিযোগ, এই দুই ব্যক্তিকে ঘিরে রাজনৈতিক যোগাযোগ, অর্থের উৎস এবং এলাকায় প্রভাব বিস্তারের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।


স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন এলেও কিছু বিতর্কিত ব্যবসায়ীর রাজনৈতিক যোগাযোগ ও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা থেমে নেই।

 

বরং পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে কেউ কেউ নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করে নতুন করে প্রভাব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন। 


ইয়াহিয়া আলম উচ্ছাসকে নিয়ে এর আগেও স্থানীয় রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী মহলে নানা আলোচনা ছিল বলে কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে। অভিযোগ রয়েছে, অতীতে তিনি আজমেরী ওসমান এবং আওয়ামী লীগের সাবেক প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কথা বিভিন্ন মহলে তুলে ধরতেন। বর্তমানে তিনি বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন। 


নতুন করে ওঠা অভিযোগ অনুযায়ী, নারায়ণগঞ্জ শহর, গোগনগর, কাশীপুর ও আশপাশের এলাকায় উচ্ছাসের যোগাযোগ ও তৎপরতা রয়েছে। স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, এসব এলাকায় রাজনৈতিক যোগাযোগ রক্ষা এবং বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন তিনি। 


অন্যদিকে ফতুল্লা এলাকায় আক্তার নামে এক ব্যবসায়ীর তৎপরতা নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকটি সূত্রের দাবি, তিনি এলাকায় রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক যোগাযোগ ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন।

 

তাঁর বিরুদ্ধে ফতুল্লার পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার তৎপরতায় যুক্ত থাকার অভিযোগও করা হয়েছে। অতীতে তিনি মাদক এবং অস্ত্র সহ একাধিকবার গ্রেফতার হয়েছিলেন। তিনি শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত।
আক্তার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট হত্যা মামলারও আসামি ।

 

এ ক্ষেত্রে মামলার নম্বর, সংশ্লিষ্ট থানার নাম, এজাহার, অভিযোগপত্র এবং আদালতের সর্বশেষ আদেশ যাচাই করে তাঁর আইনগত অবস্থান নিশ্চিত করা জরুরি। সংশ্লিষ্ট নথি থেকেই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।


উচ্ছাস ও আক্তারের তৎপরতা নিয়ে স্থানীয় মহলে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, তার প্রকৃত চিত্র জানতে কয়েকটি বিষয় অনুসন্ধানের দাবি উঠেছে।

 

তাঁদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, আয় ও অর্থের উৎস, রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের কোনো প্রমাণ রয়েছে কি না এবং কোনো বেআইনি কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের অভিযোগ এবং তাদের আয়ের উৎস। 


নারায়ণগঞ্জ শহর, গোগনগর, কাশীপুর ও ফতুল্লার মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় রাজনৈতিক বিরোধ, অপরাধপ্রবণতা কিংবা অবৈধ প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠলে তা গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। 


দৈনিক সোজা সাপটা

সম্পাদক :
আবু সাউদ মাসুদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
শহরকে অশান্ত করতে নেপথ্যে উচ্ছাস, ফতুল্লায় আক্তার
0:00 / 0:00
1x