দৈনিক সোজা সাপটা

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর

মাঠে জামায়াত, পিছিয়ে অন্যরা



মাঠে জামায়াত, পিছিয়ে অন্যরা
মাঠে জামায়াত, পিছিয়ে অন্যরা

সোজাসাপটা রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রস্তুতি শুরু হলেও মাঠের কার্যক্রমে এখন পর্যন্ত এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি মেয়র প্রার্থী হিসেবে মহানগর জামায়াতের আমীর মাওলানা আবদুল জব্বারের নাম ঘোষণা করে নিয়মিত প্রচারণা ও সামাজিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। বিপরীতে ক্ষমতাসীন বিএনপি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি।
রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন রয়েছে, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের বর্তমান প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানই বিএনপির সমর্থন পেতে পারেন। তবে দলটির পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। অন্যদিকে এনসিপি আপাতত প্রার্থী ঘোষণা না করলেও এককভাবে সিটি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে। দলটির মহানগর আহ্বায়ক শওকত আলীকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এ ছাড়া খেলাফত মজলিসের এবিএম সিরাজুল মামুনও সিটি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে অল্প ব্যবধানে পরাজিত হওয়া এই নেতা সিটি নির্বাচনেও মাঠে থাকতে পারেন বলে দলীয় সূত্রে আলোচনা রয়েছে।
নির্বাচনের তফসিল কিংবা ভোটের তারিখ এখনো চূড়ান্ত না হলেও জামায়াতে ইসলামী অনেকটা আগেভাগেই সাংগঠনিক প্রস্তুতি শুরু করেছে। গত ১০ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর রুকন সম্মেলনে মহানগর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বারের নাম মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে কয়েকটি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থীদের নামও প্রকাশ করা হয়। ঘোষণার পর থেকেই দলীয় নেতাকর্মীরা সম্ভাব্য প্রার্থীকে সামনে রেখে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মসূচি পালন করছেন।
জামায়াতের ঘোষিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—১ নম্বর ওয়ার্ডে মো. কফিল আহমাদ, ২ নম্বরে মো. জামাল হোসাইন, ৫ নম্বরে মাওলানা হাবিবুল্লাহ বাহার, ৬ নম্বরে মাওলানা আব্দুল গফুর, ৮ নম্বরে অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর দেওয়ান, ৯ নম্বরে মো. ইসমাঈল হোসাইন, ১১ নম্বরে মো. খোরশেদ আলম, ১৩ নম্বরে এইচ এম নাসির উদ্দিন, ১৪ নম্বরে মো. সারওয়ারুল ইসলাম খান, ১৫ নম্বরে মো. আনিসুজ্জামান, ১৬ নম্বরে মো. আব্দুল বাতেন, ১৭ নম্বরে মো. তমিজ উদ্দিন, ১৮ নম্বরে মো. তোফাজ্জল হোসেন টিটয়া, ২১ নম্বরে মো. ফজলুর হাই জাফরি, ২৫ নম্বরে হাফেজ আব্দুল্লাহ এবং ২৭ নম্বরে মো. মহিউদ্দিন।
জামায়াতের মহানগর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার জানিয়েছেন, আপাতত কয়েকটি ওয়ার্ডের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি ওয়ার্ডগুলোতে আলোচনা করে পরবর্তী সময়ে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যেও পরিবর্তন আসতে পারে বলে তিনি জানান।
দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের অভ্যন্তরে আলোচনা শুরু হয়। সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাইয়ের পাশাপাশি ওয়ার্ডভিত্তিক সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করা হয়। ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করেও নেতাকর্মীরা সাধারণ মানুষের কাছে যাওয়ার নানা কর্মসূচি হাতে নেন। অনেক ক্ষেত্রে প্রার্থীদের সরাসরি সামনে না এনে দলীয় কর্মসূচির মাধ্যমে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়।
জামায়াতের মেয়র প্রার্থী আবদুল জব্বার সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে জনগণের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি কোনো এলাকায় গেলে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীদেরও সঙ্গে রাখছেন। এতে একই সঙ্গে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের পরিচিতি বাড়ছে এবং দলীয় প্রচারণাও এগিয়ে যাচ্ছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষেও নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামী মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ, আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময়, স্মরণসভা, যুবর‌্যালি, জুলাই স্মৃতিচারণ, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, গণসমাবেশ ও গণমিছিল। এসব কর্মসূচিতেও আবদুল জব্বারের উপস্থিতি ও সাংগঠনিক তৎপরতা দলটির নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দীর্ঘ কয়েক দশক পর নারায়ণগঞ্জে প্রকাশ্য মাঠে কর্মী সম্মেলন করে জামায়াতে ইসলামী। গত ১৯ জুন সকালে আয়োজিত ওই সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। তিনি আগামী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে মাওলানা আবদুল জব্বারের নাম ঘোষণা করেন। এর মধ্য দিয়ে দলটি মেয়র পদে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি ক্ষমতাসীন দল হিসেবে সাংগঠনিক ও রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও প্রার্থী ঘোষণা ও মাঠপর্যায়ের প্রচারণায় জামায়াত এখন পর্যন্ত দৃশ্যমানভাবে এগিয়ে রয়েছে। বিএনপি ও এনসিপি প্রার্থী চূড়ান্ত করার পর নির্বাচনী মাঠের সমীকরণ আরও স্পষ্ট হবে। তবে তার আগেই জামায়াত যেভাবে ওয়ার্ডভিত্তিক প্রস্তুতি, সামাজিক কার্যক্রম ও জনসম্পৃক্ততা বাড়াচ্ছে, তাতে সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলটির তৎপরতা অন্যদের তুলনায় বেশি দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক সোজা সাপটা

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


মাঠে জামায়াত, পিছিয়ে অন্যরা

প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সোজাসাপটা রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রস্তুতি শুরু হলেও মাঠের কার্যক্রমে এখন পর্যন্ত এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি মেয়র প্রার্থী হিসেবে মহানগর জামায়াতের আমীর মাওলানা আবদুল জব্বারের নাম ঘোষণা করে নিয়মিত প্রচারণা ও সামাজিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। বিপরীতে ক্ষমতাসীন বিএনপি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি।
রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন রয়েছে, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের বর্তমান প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানই বিএনপির সমর্থন পেতে পারেন। তবে দলটির পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। অন্যদিকে এনসিপি আপাতত প্রার্থী ঘোষণা না করলেও এককভাবে সিটি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে। দলটির মহানগর আহ্বায়ক শওকত আলীকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এ ছাড়া খেলাফত মজলিসের এবিএম সিরাজুল মামুনও সিটি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে অল্প ব্যবধানে পরাজিত হওয়া এই নেতা সিটি নির্বাচনেও মাঠে থাকতে পারেন বলে দলীয় সূত্রে আলোচনা রয়েছে।
নির্বাচনের তফসিল কিংবা ভোটের তারিখ এখনো চূড়ান্ত না হলেও জামায়াতে ইসলামী অনেকটা আগেভাগেই সাংগঠনিক প্রস্তুতি শুরু করেছে। গত ১০ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর রুকন সম্মেলনে মহানগর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বারের নাম মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে কয়েকটি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থীদের নামও প্রকাশ করা হয়। ঘোষণার পর থেকেই দলীয় নেতাকর্মীরা সম্ভাব্য প্রার্থীকে সামনে রেখে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মসূচি পালন করছেন।
জামায়াতের ঘোষিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—১ নম্বর ওয়ার্ডে মো. কফিল আহমাদ, ২ নম্বরে মো. জামাল হোসাইন, ৫ নম্বরে মাওলানা হাবিবুল্লাহ বাহার, ৬ নম্বরে মাওলানা আব্দুল গফুর, ৮ নম্বরে অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর দেওয়ান, ৯ নম্বরে মো. ইসমাঈল হোসাইন, ১১ নম্বরে মো. খোরশেদ আলম, ১৩ নম্বরে এইচ এম নাসির উদ্দিন, ১৪ নম্বরে মো. সারওয়ারুল ইসলাম খান, ১৫ নম্বরে মো. আনিসুজ্জামান, ১৬ নম্বরে মো. আব্দুল বাতেন, ১৭ নম্বরে মো. তমিজ উদ্দিন, ১৮ নম্বরে মো. তোফাজ্জল হোসেন টিটয়া, ২১ নম্বরে মো. ফজলুর হাই জাফরি, ২৫ নম্বরে হাফেজ আব্দুল্লাহ এবং ২৭ নম্বরে মো. মহিউদ্দিন।
জামায়াতের মহানগর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার জানিয়েছেন, আপাতত কয়েকটি ওয়ার্ডের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি ওয়ার্ডগুলোতে আলোচনা করে পরবর্তী সময়ে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যেও পরিবর্তন আসতে পারে বলে তিনি জানান।
দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের অভ্যন্তরে আলোচনা শুরু হয়। সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাইয়ের পাশাপাশি ওয়ার্ডভিত্তিক সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করা হয়। ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করেও নেতাকর্মীরা সাধারণ মানুষের কাছে যাওয়ার নানা কর্মসূচি হাতে নেন। অনেক ক্ষেত্রে প্রার্থীদের সরাসরি সামনে না এনে দলীয় কর্মসূচির মাধ্যমে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়।
জামায়াতের মেয়র প্রার্থী আবদুল জব্বার সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে জনগণের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি কোনো এলাকায় গেলে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীদেরও সঙ্গে রাখছেন। এতে একই সঙ্গে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের পরিচিতি বাড়ছে এবং দলীয় প্রচারণাও এগিয়ে যাচ্ছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষেও নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামী মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ, আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময়, স্মরণসভা, যুবর‌্যালি, জুলাই স্মৃতিচারণ, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, গণসমাবেশ ও গণমিছিল। এসব কর্মসূচিতেও আবদুল জব্বারের উপস্থিতি ও সাংগঠনিক তৎপরতা দলটির নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দীর্ঘ কয়েক দশক পর নারায়ণগঞ্জে প্রকাশ্য মাঠে কর্মী সম্মেলন করে জামায়াতে ইসলামী। গত ১৯ জুন সকালে আয়োজিত ওই সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। তিনি আগামী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে মাওলানা আবদুল জব্বারের নাম ঘোষণা করেন। এর মধ্য দিয়ে দলটি মেয়র পদে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি ক্ষমতাসীন দল হিসেবে সাংগঠনিক ও রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও প্রার্থী ঘোষণা ও মাঠপর্যায়ের প্রচারণায় জামায়াত এখন পর্যন্ত দৃশ্যমানভাবে এগিয়ে রয়েছে। বিএনপি ও এনসিপি প্রার্থী চূড়ান্ত করার পর নির্বাচনী মাঠের সমীকরণ আরও স্পষ্ট হবে। তবে তার আগেই জামায়াত যেভাবে ওয়ার্ডভিত্তিক প্রস্তুতি, সামাজিক কার্যক্রম ও জনসম্পৃক্ততা বাড়াচ্ছে, তাতে সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলটির তৎপরতা অন্যদের তুলনায় বেশি দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।


দৈনিক সোজা সাপটা

সম্পাদক :
আবু সাউদ মাসুদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
মাঠে জামায়াত, পিছিয়ে অন্যরা
0:00 / 0:00
1x