দৈনিক সোজা সাপটা

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ নারায়ণগঞ্জে ফের সাংগঠনিকভাবে সক্রিয়

স্থানীয়দের সংগঠিত করছে আ.লীগ



স্থানীয়দের সংগঠিত করছে আ.লীগ
স্থানীয়দের সংগঠিত করছে আ.লীগ

সোজাসাপটা রিপোর্ট
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ নারায়ণগঞ্জে ফের সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে—এমন অভিযোগ উঠেছে। দলটির শীর্ষ পর্যায়ের অধিকাংশ নেতা দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে না থাকলেও দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারির নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠন গোছানোর চেষ্টা চলছে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে।
৫ আগস্টের পর নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের বড় একটি অংশ দেশ ছেড়েছেন বলে দলীয় ও স্থানীয় সূত্রগুলো দাবি করছে। তাদের অনেকে বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন। আবার কয়েকজন নেতা দেশে থাকলেও আত্মগোপনে রয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে প্রকাশ্য রাজনীতির বাইরে থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সংগঠিত করার প্রক্রিয়ায় বিদেশে অবস্থানরত সাবেক এমপিদের ভূমিকা রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন প্রভাবশালী অবস্থানে থাকা সাবেক এমপি শামীম ওসমান ও নজরুল ইসলাম বাবু বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে। অন্যদিকে সাবেক এমপি কায়সার হাসনাত দেশে থাকলেও আত্মগোপনে রয়েছেন বলে দলীয় সূত্রের দাবি। এছাড়া সাবেক মন্ত্রী ও নারায়ণগঞ্জের প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম দস্তগীর গাজী গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
শীর্ষ নেতাদের অনুপস্থিতিতে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারির নেতাকর্মীদের অনেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন। তাদের কেউ কেউ নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করলেও প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন না। ফলে দীর্ঘদিনের পরিচিত সাংগঠনিক কাঠামো অনেকটাই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে।
তবে এই অবস্থার মধ্যেও দলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ ধরে রাখার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত সাবেক এমপিরা বিভিন্ন মাধ্যমে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন এবং সাংগঠনিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নিচ্ছেন বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার নতুন বিষয় হয়ে উঠেছে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য স্থানীয় কমিটি গঠনের তৎপরতা। অভিযোগ রয়েছে, আগে সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না—এমন কিছু ব্যক্তিকেও বিভিন্নভাবে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাদের নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন সাংগঠনিক কাঠামো দাঁড় করানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, আওয়ামী লীগের পরিচিত ও পুরোনো নেতাদের অনেকেই বর্তমানে এলাকায় নেই কিংবা আত্মগোপনে থাকায় নতুন মুখকে সামনে এনে সংগঠন পুনর্গঠনের চেষ্টা চলছে। এর মাধ্যমে দলটির স্থানীয় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডকে নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে এই সাংগঠনিক তৎপরতার বাস্তবতা কতটা, কারা এর সঙ্গে যুক্ত এবং এসব কার্যক্রম কোথা থেকে পরিচালিত হচ্ছে—তা নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। বিশেষ করে দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা প্রকাশ্যে না থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠন পুনর্গঠনের উদ্যোগ কতটা কার্যকর হবে, সেটিও রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার পরও দলটির নেতাকর্মীদের সংগঠিত করার অভিযোগ সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা তৈরি হয়েছে। আইনগতভাবে নিষিদ্ধ কোনো কার্যক্রমের আড়ালে সংগঠন পরিচালনা করা হচ্ছে কি না, কিংবা স্থানীয় পর্যায়ে নতুন কমিটি গঠনের নামে কোনো সাংগঠনিক তৎপরতা চলছে কি না—এসব বিষয়ও পর্যবেক্ষণের দাবি উঠেছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপস) তারেক আল মেহেদী জানান, বিভিন্ন মাধ্যমে এবং মিছিল থেকে আটক ব্যক্তিদের বিভিন্নভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অপরাধীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, কোনো ঘটনা ঘটার পর শুধু অভিযুক্তদের শনাক্ত করাই নয়, ঘটনার পেছনে কারা রয়েছে এবং তাদের সঙ্গে অন্য কারও সম্পৃক্ততা আছে কি না, সে বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। গতকালও বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, বিভিন্ন মিছিলের ভিডিও ফুটেজ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত উপাত্তও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি জোরদার রয়েছে।
সব মিলিয়ে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা প্রকাশ্যে না থাকলেও তৃণমূল পর্যায়ে দলটির সঙ্গে যুক্তদের সংগঠিত করার চেষ্টা চলছে—এমন আলোচনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। বিদেশে অবস্থানরত সাবেক এমপিদের সঙ্গে স্থানীয় নেতাকর্মীদের যোগাযোগ এবং নতুন মুখকে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ সেই তৎপরতারই অংশ কি না, তা নিয়ে এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক সোজা সাপটা

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


স্থানীয়দের সংগঠিত করছে আ.লীগ

প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সোজাসাপটা রিপোর্ট
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ নারায়ণগঞ্জে ফের সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে—এমন অভিযোগ উঠেছে। দলটির শীর্ষ পর্যায়ের অধিকাংশ নেতা দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে না থাকলেও দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারির নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠন গোছানোর চেষ্টা চলছে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে।
৫ আগস্টের পর নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের বড় একটি অংশ দেশ ছেড়েছেন বলে দলীয় ও স্থানীয় সূত্রগুলো দাবি করছে। তাদের অনেকে বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন। আবার কয়েকজন নেতা দেশে থাকলেও আত্মগোপনে রয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে প্রকাশ্য রাজনীতির বাইরে থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সংগঠিত করার প্রক্রিয়ায় বিদেশে অবস্থানরত সাবেক এমপিদের ভূমিকা রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন প্রভাবশালী অবস্থানে থাকা সাবেক এমপি শামীম ওসমান ও নজরুল ইসলাম বাবু বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে। অন্যদিকে সাবেক এমপি কায়সার হাসনাত দেশে থাকলেও আত্মগোপনে রয়েছেন বলে দলীয় সূত্রের দাবি। এছাড়া সাবেক মন্ত্রী ও নারায়ণগঞ্জের প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম দস্তগীর গাজী গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
শীর্ষ নেতাদের অনুপস্থিতিতে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারির নেতাকর্মীদের অনেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন। তাদের কেউ কেউ নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করলেও প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন না। ফলে দীর্ঘদিনের পরিচিত সাংগঠনিক কাঠামো অনেকটাই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে।
তবে এই অবস্থার মধ্যেও দলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ ধরে রাখার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত সাবেক এমপিরা বিভিন্ন মাধ্যমে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন এবং সাংগঠনিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নিচ্ছেন বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার নতুন বিষয় হয়ে উঠেছে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য স্থানীয় কমিটি গঠনের তৎপরতা। অভিযোগ রয়েছে, আগে সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না—এমন কিছু ব্যক্তিকেও বিভিন্নভাবে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাদের নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন সাংগঠনিক কাঠামো দাঁড় করানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, আওয়ামী লীগের পরিচিত ও পুরোনো নেতাদের অনেকেই বর্তমানে এলাকায় নেই কিংবা আত্মগোপনে থাকায় নতুন মুখকে সামনে এনে সংগঠন পুনর্গঠনের চেষ্টা চলছে। এর মাধ্যমে দলটির স্থানীয় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডকে নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে এই সাংগঠনিক তৎপরতার বাস্তবতা কতটা, কারা এর সঙ্গে যুক্ত এবং এসব কার্যক্রম কোথা থেকে পরিচালিত হচ্ছে—তা নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। বিশেষ করে দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা প্রকাশ্যে না থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠন পুনর্গঠনের উদ্যোগ কতটা কার্যকর হবে, সেটিও রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার পরও দলটির নেতাকর্মীদের সংগঠিত করার অভিযোগ সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা তৈরি হয়েছে। আইনগতভাবে নিষিদ্ধ কোনো কার্যক্রমের আড়ালে সংগঠন পরিচালনা করা হচ্ছে কি না, কিংবা স্থানীয় পর্যায়ে নতুন কমিটি গঠনের নামে কোনো সাংগঠনিক তৎপরতা চলছে কি না—এসব বিষয়ও পর্যবেক্ষণের দাবি উঠেছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপস) তারেক আল মেহেদী জানান, বিভিন্ন মাধ্যমে এবং মিছিল থেকে আটক ব্যক্তিদের বিভিন্নভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অপরাধীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, কোনো ঘটনা ঘটার পর শুধু অভিযুক্তদের শনাক্ত করাই নয়, ঘটনার পেছনে কারা রয়েছে এবং তাদের সঙ্গে অন্য কারও সম্পৃক্ততা আছে কি না, সে বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। গতকালও বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, বিভিন্ন মিছিলের ভিডিও ফুটেজ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত উপাত্তও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি জোরদার রয়েছে।
সব মিলিয়ে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা প্রকাশ্যে না থাকলেও তৃণমূল পর্যায়ে দলটির সঙ্গে যুক্তদের সংগঠিত করার চেষ্টা চলছে—এমন আলোচনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। বিদেশে অবস্থানরত সাবেক এমপিদের সঙ্গে স্থানীয় নেতাকর্মীদের যোগাযোগ এবং নতুন মুখকে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ সেই তৎপরতারই অংশ কি না, তা নিয়ে এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।


দৈনিক সোজা সাপটা

সম্পাদক :
আবু সাউদ মাসুদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
স্থানীয়দের সংগঠিত করছে আ.লীগ
0:00 / 0:00
1x