পিজা শামীম নগরীতে আলোচিত নাম। যে নামটি ভেসে উঠলেই ভেসে আসে নারায়ণগঞ্জের এক সময়ে আলোচিত হাজীসাব কিংবা ভাইজানের নাম। যে নামটির পেছনে রয়েছে শুধু অপরাধীদের নাম। পিজা শামীম এক সময়ে নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনের প্রয়াত সাংসদ নাসিম ওসমানের পিছনে থেকে কাজ করতো। তার মৃত্যুর পর জ্ঞানহীন পিজা শামীম প্রয়াত সাংসদের ছেলে আজমেরী ওসমানের পেছনে থেকেই শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন অপরাধ জগতের নেতৃত্ব দিতো। ৫ আগষ্ট স্বৈরাচারী হাসিনার পলায়নের সাথে সাথেই পালিয়ে যায় ওসমান পরিবারের সকল সদস্যরা। কিন্তু আজমেরী ওসমানের অন্যতম দোসর পিজা শামীম ৫ আগষ্ট পরবর্তী সময়ে তার আবাসস্থল মাসদাইরের নামধারী কিছু বিএনপি নেতাদেরকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে এলাকাতেই অবস্থান করছেন বহাল তবিয়তে। সেই পিজা শামীমের হাত ধরে আজমেরী ওসমানের মায়ের পালিত কিছু ছিচকে সন্ত্রাসী ও মাসদাইরে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধের হোতা মাহাবুব-হাবু-মিহিরগংরা এখনও এলাকাতে বহাল তবিয়তে পুর্বেও ন্যায় বর্তমানেও অপরাধযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুুয়ারীর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালামের পক্ষে এনসিসি ১৩ নং ওয়ার্ডের মাসদাইর বাজার এলাকায় যে নির্বাচনী প্রচারনার অস্থায়ী ক্যাম্পটি স্থাপন করা হয়েছিল সেটা মুলত স্থানীয় মাদক বিক্রেতা-শেল্টারকারী এবং আম্মাজান গ্রুপের সদস্যদের দ্বারা। যা নিয়ে দ্বিধায় পড়েছিল স্থানীয়রা।
নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনের সীমানার মধ্যে এনসিসির ১৮টি ওয়ার্ড এবং বন্দর উপজেলা নিয়ে গঠিত। তবে এনসিসির ২৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে সবচেয়ে বেশী ভোটারের সংখ্যা ১৩ নং ওয়ার্ডে। যারফলে নির্বাচনে এ ওয়ার্ডটি গুরুত্বপুর্ন। ১৩ নং ওয়ার্ডের মাসদাইর-গলাচিপা হচ্ছে মাদক ও অপরাধের অন্যতম জোন। গত কয়েকমাসে গলাচিপা চেয়ারম্যান বাড়ি সংলগ্ন হতে বিপুল পরিমানে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকসহ একজনকে গ্রেফতার করেছিলো থানা পুলিশ। এছাড়া একই এলাকায় যৌথবাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
আজমেরী ওসমানের সহযোদ্ধা পিজা শামীমের একনিষ্টকর্মী মাহাবুব-মিহির ও হাবু এবং তার বাহিনীর সদস্যরা নির্বাচনে কালাম সাহেবের প্রচার-প্রচারনায় ছিলেন মুলত তাদেও মাদকের বাজারটি টিকিয়ে রাখার জন্য।
নাম প্রকাশে অনচ্ছিুক একাধিক এলাকার সাধারন মানুষ জানান, আজমেরী ওসমানের মা যিনি আম্মাজান হিসেবে খ্যাত। বিগত আওয়ামীলীগের দীর্ঘ শাসনামলে সেই আম্মাজানের ছায়াতলে থেকে মাসদাইর ও গলাচিপা এলাকার বিভিন্ন অলিগলিতে মাদক বিক্রি-শেল্টারসহ নানাবিধ অপরাধ করে বেড়াতো পিজা শামীমের ইশারায় মাহাবুব-মিহির ও হাবুগং। যা পিজা শামীম তার বাড়িতে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রন করতেন। ৫ আগষ্টের পর আওয়ামী খোলস পরিবর্তন করে বর্তমানে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জাকির খানের বলয়ে প্রবেশ করে পুর্বের ন্যায় বর্তমানেও সেই অপকর্মের দ্বারা অব্যাহত রেখেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সাধারন ভোটারদের মতে, বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত মাহাবুব-মিহির-হাবুগংদের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে মাদকের সাম্রাজ্য। যদিও এলাকাতে মাদক বিরোধী কমিটি গঠন এবং বিভিন্নস্থানে এমপি এবং এমপি পুত্রের সাথে এদেরকে নিয়মিতভাবে দেখা পাচ্ছে স্থানীয়রা।
১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে আবুল কালাম জয়ী হলেও কোনভাবেই কমেনি মাদকের উপদ্রব। বরং আগে ছিল আওয়ামীলীগ আর বর্তমানে বিএনপির ব্যানারেই পুরোদমে চলছে মাহাবুব-মিহির-হাবুগংদের মাদক ব্যবসা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাসদাইর ও গলাচিপা চেয়ারম্যান বাড়ি ও বোয়ালিয়া খাল এলাকার অনেক বাসিন্দা জানান, মাসদাইর ও আশপাশ এলাকার অন্যতম মাদক ও অপরাধ জগতের সম্রাট হচ্ছে কসাই নাসিরের ছেলে সেলিম ও তার সহযোগি গুদারাঘাট এলাকার জাহিদ। সেলিম ও জাহিদের কাছ থেকেই মাদক সংগ্রহ করে গলাচিপা চেয়ারম্যান বাড়ি ও বোয়ালিয়া খাল এলাকার আশপাশে এষনও মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে মাহাবুব-মিহির-হাবুগং। যদিও এলাকায় মাদক মিছিল মিটিংয়ে এ মাহাবুব-মিহির-হাবুগংদের পদচারনা চোখে পড়ার মত যা রীতিমত “ ঠাকুর ঘরে কেরে আমি কলা খাইনা”র অবস্থা। অথ্যাৎ প্রকাশে মাদক বিরোধী হলে গোপনে তারাই হচ্ছে বর্তমানে উক্ত এলাকায় মাদকের মুল হোতা।
এ মাহাবুব-মিহির-হাবুগংরা এমপি আবুল কালাম ও তার ছেলে আশা’র পাশে থেকে ছবি তুলে তা তাদের ফেসবুক পেজে ছেড়ে দিয়ে নিজেদের নব্য বিএনপি কর্মী ও তুলসীপাতার ধোয়া বানাতে তৎপর রয়েছে। মুলত তারা আজমেরী ওসমানের অন্যতম দোসর পিজা শামীমের হাতিয়ার হিসেবেই এলাকাতে মাদক বিক্রি করে যাচ্ছে হরহামেশা।
স্থানীয় বাসিন্দারা আজমেরী ওসমানের অন্যতম দোসর পিজা শামীমের হাতিয়ার মাহাবুব-মিহির-হাবুগংদের বিক্রিত মাদক ব্যবসা বন্ধ করা এবং তাদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করতে জেলা পুলিশ সুপার ও র্যাবের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
পিজা শামীম নগরীতে আলোচিত নাম। যে নামটি ভেসে উঠলেই ভেসে আসে নারায়ণগঞ্জের এক সময়ে আলোচিত হাজীসাব কিংবা ভাইজানের নাম। যে নামটির পেছনে রয়েছে শুধু অপরাধীদের নাম। পিজা শামীম এক সময়ে নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনের প্রয়াত সাংসদ নাসিম ওসমানের পিছনে থেকে কাজ করতো। তার মৃত্যুর পর জ্ঞানহীন পিজা শামীম প্রয়াত সাংসদের ছেলে আজমেরী ওসমানের পেছনে থেকেই শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন অপরাধ জগতের নেতৃত্ব দিতো। ৫ আগষ্ট স্বৈরাচারী হাসিনার পলায়নের সাথে সাথেই পালিয়ে যায় ওসমান পরিবারের সকল সদস্যরা। কিন্তু আজমেরী ওসমানের অন্যতম দোসর পিজা শামীম ৫ আগষ্ট পরবর্তী সময়ে তার আবাসস্থল মাসদাইরের নামধারী কিছু বিএনপি নেতাদেরকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে এলাকাতেই অবস্থান করছেন বহাল তবিয়তে। সেই পিজা শামীমের হাত ধরে আজমেরী ওসমানের মায়ের পালিত কিছু ছিচকে সন্ত্রাসী ও মাসদাইরে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধের হোতা মাহাবুব-হাবু-মিহিরগংরা এখনও এলাকাতে বহাল তবিয়তে পুর্বেও ন্যায় বর্তমানেও অপরাধযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুুয়ারীর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালামের পক্ষে এনসিসি ১৩ নং ওয়ার্ডের মাসদাইর বাজার এলাকায় যে নির্বাচনী প্রচারনার অস্থায়ী ক্যাম্পটি স্থাপন করা হয়েছিল সেটা মুলত স্থানীয় মাদক বিক্রেতা-শেল্টারকারী এবং আম্মাজান গ্রুপের সদস্যদের দ্বারা। যা নিয়ে দ্বিধায় পড়েছিল স্থানীয়রা।
নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনের সীমানার মধ্যে এনসিসির ১৮টি ওয়ার্ড এবং বন্দর উপজেলা নিয়ে গঠিত। তবে এনসিসির ২৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে সবচেয়ে বেশী ভোটারের সংখ্যা ১৩ নং ওয়ার্ডে। যারফলে নির্বাচনে এ ওয়ার্ডটি গুরুত্বপুর্ন। ১৩ নং ওয়ার্ডের মাসদাইর-গলাচিপা হচ্ছে মাদক ও অপরাধের অন্যতম জোন। গত কয়েকমাসে গলাচিপা চেয়ারম্যান বাড়ি সংলগ্ন হতে বিপুল পরিমানে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকসহ একজনকে গ্রেফতার করেছিলো থানা পুলিশ। এছাড়া একই এলাকায় যৌথবাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
আজমেরী ওসমানের সহযোদ্ধা পিজা শামীমের একনিষ্টকর্মী মাহাবুব-মিহির ও হাবু এবং তার বাহিনীর সদস্যরা নির্বাচনে কালাম সাহেবের প্রচার-প্রচারনায় ছিলেন মুলত তাদেও মাদকের বাজারটি টিকিয়ে রাখার জন্য।
নাম প্রকাশে অনচ্ছিুক একাধিক এলাকার সাধারন মানুষ জানান, আজমেরী ওসমানের মা যিনি আম্মাজান হিসেবে খ্যাত। বিগত আওয়ামীলীগের দীর্ঘ শাসনামলে সেই আম্মাজানের ছায়াতলে থেকে মাসদাইর ও গলাচিপা এলাকার বিভিন্ন অলিগলিতে মাদক বিক্রি-শেল্টারসহ নানাবিধ অপরাধ করে বেড়াতো পিজা শামীমের ইশারায় মাহাবুব-মিহির ও হাবুগং। যা পিজা শামীম তার বাড়িতে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রন করতেন। ৫ আগষ্টের পর আওয়ামী খোলস পরিবর্তন করে বর্তমানে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জাকির খানের বলয়ে প্রবেশ করে পুর্বের ন্যায় বর্তমানেও সেই অপকর্মের দ্বারা অব্যাহত রেখেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সাধারন ভোটারদের মতে, বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত মাহাবুব-মিহির-হাবুগংদের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে মাদকের সাম্রাজ্য। যদিও এলাকাতে মাদক বিরোধী কমিটি গঠন এবং বিভিন্নস্থানে এমপি এবং এমপি পুত্রের সাথে এদেরকে নিয়মিতভাবে দেখা পাচ্ছে স্থানীয়রা।
১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে আবুল কালাম জয়ী হলেও কোনভাবেই কমেনি মাদকের উপদ্রব। বরং আগে ছিল আওয়ামীলীগ আর বর্তমানে বিএনপির ব্যানারেই পুরোদমে চলছে মাহাবুব-মিহির-হাবুগংদের মাদক ব্যবসা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাসদাইর ও গলাচিপা চেয়ারম্যান বাড়ি ও বোয়ালিয়া খাল এলাকার অনেক বাসিন্দা জানান, মাসদাইর ও আশপাশ এলাকার অন্যতম মাদক ও অপরাধ জগতের সম্রাট হচ্ছে কসাই নাসিরের ছেলে সেলিম ও তার সহযোগি গুদারাঘাট এলাকার জাহিদ। সেলিম ও জাহিদের কাছ থেকেই মাদক সংগ্রহ করে গলাচিপা চেয়ারম্যান বাড়ি ও বোয়ালিয়া খাল এলাকার আশপাশে এষনও মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে মাহাবুব-মিহির-হাবুগং। যদিও এলাকায় মাদক মিছিল মিটিংয়ে এ মাহাবুব-মিহির-হাবুগংদের পদচারনা চোখে পড়ার মত যা রীতিমত “ ঠাকুর ঘরে কেরে আমি কলা খাইনা”র অবস্থা। অথ্যাৎ প্রকাশে মাদক বিরোধী হলে গোপনে তারাই হচ্ছে বর্তমানে উক্ত এলাকায় মাদকের মুল হোতা।
এ মাহাবুব-মিহির-হাবুগংরা এমপি আবুল কালাম ও তার ছেলে আশা’র পাশে থেকে ছবি তুলে তা তাদের ফেসবুক পেজে ছেড়ে দিয়ে নিজেদের নব্য বিএনপি কর্মী ও তুলসীপাতার ধোয়া বানাতে তৎপর রয়েছে। মুলত তারা আজমেরী ওসমানের অন্যতম দোসর পিজা শামীমের হাতিয়ার হিসেবেই এলাকাতে মাদক বিক্রি করে যাচ্ছে হরহামেশা।
স্থানীয় বাসিন্দারা আজমেরী ওসমানের অন্যতম দোসর পিজা শামীমের হাতিয়ার মাহাবুব-মিহির-হাবুগংদের বিক্রিত মাদক ব্যবসা বন্ধ করা এবং তাদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করতে জেলা পুলিশ সুপার ও র্যাবের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন