কয়েকদিনের ভোগান্তির পর নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। বাসাবাড়িতে রান্নার কাজে গ্যাসের চাপ নিয়ে যে সমস্যা দেখা দিয়েছিল, তা কেটে গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সাম্প্রতিক সময়ে নারায়ণগঞ্জ শহর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছিলেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে সকাল ও সন্ধ্যার দিকে অনেক এলাকায় চুলায় গ্যাসের চাপ একেবারেই কম ছিল। এতে রান্নাবান্না ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি হোটেল-রেস্তোরাঁনির্ভরতা বেড়েছিল নগরবাসীর।
গ্যাসের সংকটের কারণে শহরের দেওভোগ, মাসদাইর, গাবতলী, জামতলা ও ফতুল্লার বিভিন্ন এলাকায় বাসাবাড়িতে রান্না করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ার অভিযোগ করেছিলেন বাসিন্দারা।
গ্যাস সংকটের কারণে অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে এলপিজি সিলিন্ডার ও লাকড়ির চুলা ব্যবহার করেছে। আবার কেউ কেউ খাবারের জন্য স্থানীয় হোটেল ও রেস্তোরাঁর ওপর নির্ভর করেছেন গত কয়েকদিন। তবে বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। কয়েকটি এলাকায় গ্যাসের চাপ বেড়েছে এবং সংকট নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, গ্যাস সংকটকে নারায়ণগঞ্জের একক কোনো সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সারা দেশের যে পরিস্থিতি, নারায়ণগঞ্জেও মূলত একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এখন স্বাভাবিক আছে।
তিনি বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি আরো উন্নতির চেষ্টা চলছে। আশা করা যায়, দ্রুত সময়ের মধ্যে সমস্যার পুরো সমাধান হয়ে যাবে।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
কয়েকদিনের ভোগান্তির পর নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। বাসাবাড়িতে রান্নার কাজে গ্যাসের চাপ নিয়ে যে সমস্যা দেখা দিয়েছিল, তা কেটে গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সাম্প্রতিক সময়ে নারায়ণগঞ্জ শহর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছিলেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে সকাল ও সন্ধ্যার দিকে অনেক এলাকায় চুলায় গ্যাসের চাপ একেবারেই কম ছিল। এতে রান্নাবান্না ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি হোটেল-রেস্তোরাঁনির্ভরতা বেড়েছিল নগরবাসীর।
গ্যাসের সংকটের কারণে শহরের দেওভোগ, মাসদাইর, গাবতলী, জামতলা ও ফতুল্লার বিভিন্ন এলাকায় বাসাবাড়িতে রান্না করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ার অভিযোগ করেছিলেন বাসিন্দারা।
গ্যাস সংকটের কারণে অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে এলপিজি সিলিন্ডার ও লাকড়ির চুলা ব্যবহার করেছে। আবার কেউ কেউ খাবারের জন্য স্থানীয় হোটেল ও রেস্তোরাঁর ওপর নির্ভর করেছেন গত কয়েকদিন। তবে বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। কয়েকটি এলাকায় গ্যাসের চাপ বেড়েছে এবং সংকট নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, গ্যাস সংকটকে নারায়ণগঞ্জের একক কোনো সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সারা দেশের যে পরিস্থিতি, নারায়ণগঞ্জেও মূলত একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এখন স্বাভাবিক আছে।
তিনি বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি আরো উন্নতির চেষ্টা চলছে। আশা করা যায়, দ্রুত সময়ের মধ্যে সমস্যার পুরো সমাধান হয়ে যাবে।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন