ভ্রমণের জন্য দাবিকৃত ৫০ হাজার টাকা চাঁদা না দেওয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ সাইফুল ইসলাম জয়।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) তিনি একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হয়েও চাঁদাবাজির শিকার হওয়ায় এর প্রতিকার চেয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় দাবি করেন, শাহিন আলম নামের এক ব্যক্তি তার এক সহযোগীসহ ইউএনও’র কাছে প্রথমে কক্সবাজার ভ্রমণের জন্য হোটেল বুকিং ও বিমানের টিকেট করে দেওয়ার দাবি জানান। এরপর হোটেল বুকিং ও বিমানের টিকেট কেটে দিতে ইউএনও রাজি না হওয়ায় চক্রটি নগদ ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। দাবীকৃত চাঁদার টাকা না দেওয়া হলে নানাভাবে অপদস্ত করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়।
চক্রটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি করার অভিযোগও রয়েছে জানান তিনি।
এরপর ওই চক্রটি ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ১ শতাংশ বরাদ্দের কোটি টাকা প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম, দুর্নীতি ও সরকারি অর্থ আত্মসাত করেছে এমন অপপ্রচার চালায়।
ইউএনও আরো বলেন, ১ পার্সেন্ট বরাদ্দের টাকা ব্যয় করার ক্ষমতা ইউএনওর নেই। এই বরাদ্দ ব্যয় করেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা।
নারায়ণগঞ্জ-১ রূপগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু স্যার ১ শতাংশ বরাদ্দের প্রকল্প আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রকাশ্যে বরাদ্দ ঘোষণা করে দিয়েছেন। এখানে কোন প্রকার অনিয়ম, দুর্নীতি ও আত্মসাতের সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, সামাজিকভাবে অপপ্রচার করে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করায় আমি তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
ভ্রমণের জন্য দাবিকৃত ৫০ হাজার টাকা চাঁদা না দেওয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ সাইফুল ইসলাম জয়।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) তিনি একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হয়েও চাঁদাবাজির শিকার হওয়ায় এর প্রতিকার চেয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় দাবি করেন, শাহিন আলম নামের এক ব্যক্তি তার এক সহযোগীসহ ইউএনও’র কাছে প্রথমে কক্সবাজার ভ্রমণের জন্য হোটেল বুকিং ও বিমানের টিকেট করে দেওয়ার দাবি জানান। এরপর হোটেল বুকিং ও বিমানের টিকেট কেটে দিতে ইউএনও রাজি না হওয়ায় চক্রটি নগদ ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। দাবীকৃত চাঁদার টাকা না দেওয়া হলে নানাভাবে অপদস্ত করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়।
চক্রটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি করার অভিযোগও রয়েছে জানান তিনি।
এরপর ওই চক্রটি ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ১ শতাংশ বরাদ্দের কোটি টাকা প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম, দুর্নীতি ও সরকারি অর্থ আত্মসাত করেছে এমন অপপ্রচার চালায়।
ইউএনও আরো বলেন, ১ পার্সেন্ট বরাদ্দের টাকা ব্যয় করার ক্ষমতা ইউএনওর নেই। এই বরাদ্দ ব্যয় করেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা।
নারায়ণগঞ্জ-১ রূপগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু স্যার ১ শতাংশ বরাদ্দের প্রকল্প আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রকাশ্যে বরাদ্দ ঘোষণা করে দিয়েছেন। এখানে কোন প্রকার অনিয়ম, দুর্নীতি ও আত্মসাতের সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, সামাজিকভাবে অপপ্রচার করে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করায় আমি তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন