নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ওয়ারিশি সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বোনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম ও মাকেও মারধরের অভিযোগ উঠেছে আপন ভাই ও ভাবীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ফতুল্লার শাসনগাঁও বিসিক শাহী মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।
আহত ভুক্তভোগী শাহীনুর সাঈদ শিমু পেশায় একজন গৃহিণী ও শিক্ষক। অভিযুক্তরা হলেন তার আপন ভাই জাকির আহাম্মেদ এবং ভাবি মিতু আক্তার।
লিখিত অভিযোগে শাহীনুর সাঈদ শিমু উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তাদের ওয়ারিশি সম্পত্তি তাকে ও তার মা বাশিরন সাঈদকে বুঝিয়ে না দিয়ে আত্মসাৎ ও অন্যদের নামে লিখে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে আসছিল ভাই জাকির। এই অন্যায় দাবির প্রতিবাদ করায় পরিবারটির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে অভিযুক্তরা তাদের বিভিন্ন সময় বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকিও দিয়ে আসছিল।
ঘটনার দিন সকালে শাসনগাঁও এলাকায় নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে অভিযুক্তরা শাহীনুর ও তার মাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। এর প্রতিবাদ করলে তাদের ওপর চড়াও হয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। একপর্যায়ে ভাই জাকির ঘর থেকে ধারালো বটি এনে শাহীনুরের মাথার ডান পাশে সজোরে কোপ মারেন, এতে তার মাথায় গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়।
মেয়েকে বাঁচাতে মা বাশিরন সাঈদ এগিয়ে এলে তাকেও পিটিয়ে জখম করা হয়। পরে প্রাণ বাঁচাতে মা-মেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে রাস্তায় আসলে ভাবি মিতু আক্তার শাহীনুরের গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগে জানানো হয়। আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাদের হত্যা ও লাশ গুম করার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যান।
ঘটনার পর আহত অবস্থায় শাহীনুর সাঈদ শিমু ও তার মা বাশিরন সাঈদকে দ্রুত উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জের খানপুরে অবস্থিত ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে পরামর্শ করে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগী নারী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন । তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ওয়ারিশি সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বোনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম ও মাকেও মারধরের অভিযোগ উঠেছে আপন ভাই ও ভাবীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ফতুল্লার শাসনগাঁও বিসিক শাহী মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।
আহত ভুক্তভোগী শাহীনুর সাঈদ শিমু পেশায় একজন গৃহিণী ও শিক্ষক। অভিযুক্তরা হলেন তার আপন ভাই জাকির আহাম্মেদ এবং ভাবি মিতু আক্তার।
লিখিত অভিযোগে শাহীনুর সাঈদ শিমু উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তাদের ওয়ারিশি সম্পত্তি তাকে ও তার মা বাশিরন সাঈদকে বুঝিয়ে না দিয়ে আত্মসাৎ ও অন্যদের নামে লিখে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে আসছিল ভাই জাকির। এই অন্যায় দাবির প্রতিবাদ করায় পরিবারটির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে অভিযুক্তরা তাদের বিভিন্ন সময় বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকিও দিয়ে আসছিল।
ঘটনার দিন সকালে শাসনগাঁও এলাকায় নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে অভিযুক্তরা শাহীনুর ও তার মাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। এর প্রতিবাদ করলে তাদের ওপর চড়াও হয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। একপর্যায়ে ভাই জাকির ঘর থেকে ধারালো বটি এনে শাহীনুরের মাথার ডান পাশে সজোরে কোপ মারেন, এতে তার মাথায় গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়।
মেয়েকে বাঁচাতে মা বাশিরন সাঈদ এগিয়ে এলে তাকেও পিটিয়ে জখম করা হয়। পরে প্রাণ বাঁচাতে মা-মেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে রাস্তায় আসলে ভাবি মিতু আক্তার শাহীনুরের গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগে জানানো হয়। আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাদের হত্যা ও লাশ গুম করার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যান।
ঘটনার পর আহত অবস্থায় শাহীনুর সাঈদ শিমু ও তার মা বাশিরন সাঈদকে দ্রুত উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জের খানপুরে অবস্থিত ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে পরামর্শ করে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগী নারী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন । তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন