দৈনিক সোজা সাপটা

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলায় নিহত মো. শাহিনের লাশ কাঁধে নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী।‎

লাশ কাঁধে নিয়ে বিক্ষোভ



লাশ কাঁধে নিয়ে বিক্ষোভ
লাশ কাঁধে নিয়ে বিক্ষোভ

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলায় নিহত মো. শাহিনের লাশ কাঁধে নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী।‎
‎শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বাদ মাগরিব জানাজায় যাওয়ার আগে ১ নম্বর ঢাকেশ্বরী এলাকায় এ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
‎এ সময় বিক্ষোভকারীরা শাহিন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করেন এবং দ্রুত আসামিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
‎বিক্ষোভে অংশ নেওয়া এলাকাবাসী বলেন, শাহিনকে প্রকাশ্যে হামলা করে গুরুতর আহত করা হয়েছিল। কয়েকদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর তার মৃত্যু হয়েছে। অথচ ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা এখনো গ্রেপ্তার না হওয়ায় তারা ক্ষুব্ধ।
‎এ সময় তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, শাহিন হত্যাকাণ্ডের আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা না হলে বন্দর থানা ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
‎পরে বাদ মাগরিব নিহত শাহিনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্বজন, এলাকাবাসীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
‎উল্লেখ্য, গত ১ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বন্দর থানার ১ নম্বর ঢাকেশ্বরী জামে মসজিদের সামনে শাহিনের ওপর দেশীয় অস্ত্র ও লোহার পাইপ দিয়ে হামলার অভিযোগ ওঠে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে মদনপুরের বারাকাহ হাসপাতালে, পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সর্বশেষ ধানমন্ডির পপুলার হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়। জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও দেওয়ানি মামলার জেরেই এ হামলা হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ। এ ঘটনায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক সোজা সাপটা

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


লাশ কাঁধে নিয়ে বিক্ষোভ

প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলায় নিহত মো. শাহিনের লাশ কাঁধে নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী।‎
‎শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বাদ মাগরিব জানাজায় যাওয়ার আগে ১ নম্বর ঢাকেশ্বরী এলাকায় এ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
‎এ সময় বিক্ষোভকারীরা শাহিন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করেন এবং দ্রুত আসামিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
‎বিক্ষোভে অংশ নেওয়া এলাকাবাসী বলেন, শাহিনকে প্রকাশ্যে হামলা করে গুরুতর আহত করা হয়েছিল। কয়েকদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর তার মৃত্যু হয়েছে। অথচ ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা এখনো গ্রেপ্তার না হওয়ায় তারা ক্ষুব্ধ।
‎এ সময় তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, শাহিন হত্যাকাণ্ডের আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা না হলে বন্দর থানা ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
‎পরে বাদ মাগরিব নিহত শাহিনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্বজন, এলাকাবাসীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
‎উল্লেখ্য, গত ১ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বন্দর থানার ১ নম্বর ঢাকেশ্বরী জামে মসজিদের সামনে শাহিনের ওপর দেশীয় অস্ত্র ও লোহার পাইপ দিয়ে হামলার অভিযোগ ওঠে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে মদনপুরের বারাকাহ হাসপাতালে, পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সর্বশেষ ধানমন্ডির পপুলার হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়। জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও দেওয়ানি মামলার জেরেই এ হামলা হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ। এ ঘটনায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।


দৈনিক সোজা সাপটা

সম্পাদক :
আবু সাউদ মাসুদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
লাশ কাঁধে নিয়ে বিক্ষোভ
0:00 / 0:00
1x