নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের গেটের হ্যাজবোল্ট ভেঙে প্রায় ৮৭ হাজার ৫০০ টাকার মালামাল চুরির অভিযোগ উঠেছে শাকিল (২৮) নামে এক যুবকসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১/২ জনের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. আওলাদ হোসেন (৪৩) ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফতুল্লার মধ্য ধর্মগঞ্জ মাওলা বাজার প্রাইমারি স্কুলের দক্ষিণ পাশে ডেপুটি সাহেবের বাড়ি রোডে ‘খালেক এন্ড সন্স’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন আওলাদ হোসেন। গত ১৩ আগস্ট রাত আনুমানিক ৩টা ২০ মিনিট থেকে সকাল ১১টার মধ্যে কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা প্রতিষ্ঠানের লোহার মূল প্রবেশ গেটের হ্যাজবোল্ট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে।
এ সময় তারা একটি কয়েল ওয়েল্ডিং মেশিন, একটি সার্কিট ওয়েল্ডিং মেশিন, দুটি গ্রাইন্ডিং মেশিনসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ও মালামাল নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। চুরি যাওয়া মালামালের মধ্যে ওয়েল্ডিং মেশিন ও গ্রাইন্ডিং মেশিন ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের গ্রাইন্ডিং পেপার, কাটিং ডিস্ক, বৎ পাথর, সিরিজ পেপার ও ওয়েল্ডিং রড রয়েছে। এসব মালামালের মোট মূল্য প্রায় ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা বলে অভিযোগকারীর দাবি।
চুরির পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি জানান ব্যবসায়ী আওলাদ। একই সঙ্গে অভিযুক্ত শাকিলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ৪ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১টার দিকে একই এলাকার শামসুল নামে এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে তার চুরি করে পালানোর সময় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে ওই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় আওলাদ হোসেন তার প্রতিষ্ঠানে সংঘটিত চুরির বিষয়ে জানতে চান। তখন শাকিলের উপস্থিতিতে ওই ব্যক্তি চুরির ঘটনায় শাকিলের সম্পৃক্ততার কথা জানিয়েছেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেনের অভিযোগ, শাকিল ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরির সঙ্গে জড়িত। তাদের কর্মকাণ্ডে তিনি ব্যবসায়িক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ভবিষ্যতে তার প্রতিষ্ঠানে আরও বড় ধরনের চুরির ঘটনা ঘটতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তিনি।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন আওলাদ হোসেন।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা এবং চুরির ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের গেটের হ্যাজবোল্ট ভেঙে প্রায় ৮৭ হাজার ৫০০ টাকার মালামাল চুরির অভিযোগ উঠেছে শাকিল (২৮) নামে এক যুবকসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১/২ জনের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. আওলাদ হোসেন (৪৩) ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফতুল্লার মধ্য ধর্মগঞ্জ মাওলা বাজার প্রাইমারি স্কুলের দক্ষিণ পাশে ডেপুটি সাহেবের বাড়ি রোডে ‘খালেক এন্ড সন্স’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন আওলাদ হোসেন। গত ১৩ আগস্ট রাত আনুমানিক ৩টা ২০ মিনিট থেকে সকাল ১১টার মধ্যে কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা প্রতিষ্ঠানের লোহার মূল প্রবেশ গেটের হ্যাজবোল্ট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে।
এ সময় তারা একটি কয়েল ওয়েল্ডিং মেশিন, একটি সার্কিট ওয়েল্ডিং মেশিন, দুটি গ্রাইন্ডিং মেশিনসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ও মালামাল নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। চুরি যাওয়া মালামালের মধ্যে ওয়েল্ডিং মেশিন ও গ্রাইন্ডিং মেশিন ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের গ্রাইন্ডিং পেপার, কাটিং ডিস্ক, বৎ পাথর, সিরিজ পেপার ও ওয়েল্ডিং রড রয়েছে। এসব মালামালের মোট মূল্য প্রায় ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা বলে অভিযোগকারীর দাবি।
চুরির পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি জানান ব্যবসায়ী আওলাদ। একই সঙ্গে অভিযুক্ত শাকিলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ৪ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১টার দিকে একই এলাকার শামসুল নামে এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে তার চুরি করে পালানোর সময় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে ওই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় আওলাদ হোসেন তার প্রতিষ্ঠানে সংঘটিত চুরির বিষয়ে জানতে চান। তখন শাকিলের উপস্থিতিতে ওই ব্যক্তি চুরির ঘটনায় শাকিলের সম্পৃক্ততার কথা জানিয়েছেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেনের অভিযোগ, শাকিল ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরির সঙ্গে জড়িত। তাদের কর্মকাণ্ডে তিনি ব্যবসায়িক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ভবিষ্যতে তার প্রতিষ্ঠানে আরও বড় ধরনের চুরির ঘটনা ঘটতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তিনি।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন আওলাদ হোসেন।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা এবং চুরির ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন