দৈনিক সোজা সাপটা

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সংকর তালুকদার (২২) নামে এক যুবককে মারধর ও

পাওনা টাকা চাওয়ায় ছুরিকাঘাত



পাওনা টাকা চাওয়ায় ছুরিকাঘাত
পাওনা টাকা চাওয়ায় ছুরিকাঘাত

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সংকর তালুকদার (২২) নামে এক যুবককে মারধর ও ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাকে ছাড়াতে এগিয়ে এলে তার স্ত্রী মিতু রানী তালুকদারকেও মারধর, শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টা এবং স্বর্ণের চেইন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ফতুল্লা থানাধীন শিয়াচর লালখা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন ভুক্তভোগী।
এ ঘটনায় সংকর তালুকদার ফতুল্লা মডেল থানায় ফিরোজ (৫০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সংকর তালুকদার শিয়াচর লালখা এলাকায় ফিরোজের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করেন। তিনি ডাইংয়ের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। অন্যদিকে ফিরোজ ক্যামিকেল ব্যবসা করেন। ব্যবসায়িক প্রয়োজনে সংকর তার কাছ থেকে বিভিন্ন সময় বাকিতে ও নগদে ক্যামিকেল কিনতেন। এ বাবদ ফিরোজের কাছে তার ২০ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ফিরোজ ওই পাওনা টাকা চাইতে সংকরদের ভাড়া বাসায় যান। সংকর পরে মালামাল কেনার সময় হিসাব-নিকাশ করে টাকা পরিশোধের কথা বললেও এতে রাজি হননি ফিরোজ। ১৫ থেকে ২০ দিন পর টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও তিনি তা না মেনে গালিগালাজ ও চাপ সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
একপর্যায়ে ফিরোজ সংকরকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে থাকেন। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
সংকরকে মারধর থেকে রক্ষা করতে তার স্ত্রী মিতু রানী তালুকদার এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এ সময় তার গলায় চাপ দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা এবং পরনের কাপড় টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন সংকর।
অভিযোগে আরও বলা হয়, এ সময় মিতু রানীর গলায় থাকা প্রায় আট আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন, যার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা, নিয়ে যান অভিযুক্ত ফিরোজ।
এরপর স্ত্রীকে ছাড়াতে আবার এগিয়ে গেলে ফিরোজ পকেট থেকে একটি সুইচগিয়ার ছুরি বের করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে ওই ছুরি দিয়ে সংকরকে হত্যার উদ্দেশ্যে পেটের বাম পাশে আঘাত করা হয়। এতে তিনি কাটা ও রক্তাক্ত জখম হন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
সংকরের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার পর গুম করে ফেলার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে সংকর তালুকদার ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক সোজা সাপটা

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


পাওনা টাকা চাওয়ায় ছুরিকাঘাত

প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সংকর তালুকদার (২২) নামে এক যুবককে মারধর ও ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাকে ছাড়াতে এগিয়ে এলে তার স্ত্রী মিতু রানী তালুকদারকেও মারধর, শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টা এবং স্বর্ণের চেইন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ফতুল্লা থানাধীন শিয়াচর লালখা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন ভুক্তভোগী।
এ ঘটনায় সংকর তালুকদার ফতুল্লা মডেল থানায় ফিরোজ (৫০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সংকর তালুকদার শিয়াচর লালখা এলাকায় ফিরোজের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করেন। তিনি ডাইংয়ের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। অন্যদিকে ফিরোজ ক্যামিকেল ব্যবসা করেন। ব্যবসায়িক প্রয়োজনে সংকর তার কাছ থেকে বিভিন্ন সময় বাকিতে ও নগদে ক্যামিকেল কিনতেন। এ বাবদ ফিরোজের কাছে তার ২০ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ফিরোজ ওই পাওনা টাকা চাইতে সংকরদের ভাড়া বাসায় যান। সংকর পরে মালামাল কেনার সময় হিসাব-নিকাশ করে টাকা পরিশোধের কথা বললেও এতে রাজি হননি ফিরোজ। ১৫ থেকে ২০ দিন পর টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও তিনি তা না মেনে গালিগালাজ ও চাপ সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
একপর্যায়ে ফিরোজ সংকরকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে থাকেন। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
সংকরকে মারধর থেকে রক্ষা করতে তার স্ত্রী মিতু রানী তালুকদার এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এ সময় তার গলায় চাপ দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা এবং পরনের কাপড় টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন সংকর।
অভিযোগে আরও বলা হয়, এ সময় মিতু রানীর গলায় থাকা প্রায় আট আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন, যার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা, নিয়ে যান অভিযুক্ত ফিরোজ।
এরপর স্ত্রীকে ছাড়াতে আবার এগিয়ে গেলে ফিরোজ পকেট থেকে একটি সুইচগিয়ার ছুরি বের করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে ওই ছুরি দিয়ে সংকরকে হত্যার উদ্দেশ্যে পেটের বাম পাশে আঘাত করা হয়। এতে তিনি কাটা ও রক্তাক্ত জখম হন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
সংকরের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার পর গুম করে ফেলার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে সংকর তালুকদার ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে বলে জানা গেছে।


দৈনিক সোজা সাপটা

সম্পাদক :
আবু সাউদ মাসুদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
পাওনা টাকা চাওয়ায় ছুরিকাঘাত
0:00 / 0:00
1x