দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেছেন, আমাদের উদ্ধারযান হিসেবে আমরা এগুলো বারোটি উপকূলীয় অঞ্চলে দিচ্ছি আজকে জাইকার অর্থায়নে। আমাদের আরও প্রকল্প রয়েছে। পর্যায়ক্রমে আমরা আরও ২৫টি জেলায় দিব। এই বোটগুলো ডাবল ইঞ্জিন সম্পন্ন। সমুদ্রে চার নম্বর বিপদ সংকেত দেখা গেলেও এটা সেখানে উদ্ধার কাজ পরিচালনা করতে পারবে।
মঙ্গলবার (১৮ আগষ্ট) নারায়ণগঞ্জের বন্দরে দেশের দুর্যোগকালীন জরুরি উদ্ধার কাজে ব্যবহারের জন্য ১২টি উপকূলীয় জেলায় স্পিডবোট বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে একথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, বন্যার সময় উদ্ধারকাজ খুবই জরুরি এসকল অঞ্চলে। জলোচ্ছ্বাস বা ঘূর্ণিঝড় হলে যারা দুর্গম এলাকায় থাকে তাদের উদ্ধার করাটাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আজ এটা আমাদের কাছে একটি মাইলফলক। আমরা বাকি জেলাগুলোর কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছি। শিঘ্রই সেসকল জেলায় আমরা বোট হস্তান্তর করবো। বিশেষ করে হাওড় অঞ্চলে। আপনারা জানেন এবছর হাওড় এলাকায় বন্যা হয়েছিল। আমি জাপান ও জাইকাকে ধন্যবাদ জানাই।
তিনি বলেন, বন্যায় উদ্ধারকাজটা দ্রুত হয়েছে। আমরা যারা আশ্রয়কেন্দ্রে ছিল তাদের শুকনা খাবার ও রান্না করা খাবার দিয়েছি। এখন তারা বাড়িতে ফিরে গিয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কয়েকদিন আগে চট্রগ্রামে গিয়েছিলেন। যেসকল বাড়িঘর ভেঙে গিয়েছিল আমরা তাদের বাড়ি নির্মাণ করে দিয়েছি। এখন কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে তাদের বীজ দেয়া হয়েছে। গ্রামীণ এলাকায় যে অবকাঠামো নষ্ট হয়েছে আমরা কাবিখা দিয়ে নির্মাণ করে দিবো। এলজিইডির যেসমস্ত রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তারাও দ্রুত কাজে হাত দিবে।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেছেন, আমাদের উদ্ধারযান হিসেবে আমরা এগুলো বারোটি উপকূলীয় অঞ্চলে দিচ্ছি আজকে জাইকার অর্থায়নে। আমাদের আরও প্রকল্প রয়েছে। পর্যায়ক্রমে আমরা আরও ২৫টি জেলায় দিব। এই বোটগুলো ডাবল ইঞ্জিন সম্পন্ন। সমুদ্রে চার নম্বর বিপদ সংকেত দেখা গেলেও এটা সেখানে উদ্ধার কাজ পরিচালনা করতে পারবে।
মঙ্গলবার (১৮ আগষ্ট) নারায়ণগঞ্জের বন্দরে দেশের দুর্যোগকালীন জরুরি উদ্ধার কাজে ব্যবহারের জন্য ১২টি উপকূলীয় জেলায় স্পিডবোট বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে একথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, বন্যার সময় উদ্ধারকাজ খুবই জরুরি এসকল অঞ্চলে। জলোচ্ছ্বাস বা ঘূর্ণিঝড় হলে যারা দুর্গম এলাকায় থাকে তাদের উদ্ধার করাটাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আজ এটা আমাদের কাছে একটি মাইলফলক। আমরা বাকি জেলাগুলোর কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছি। শিঘ্রই সেসকল জেলায় আমরা বোট হস্তান্তর করবো। বিশেষ করে হাওড় অঞ্চলে। আপনারা জানেন এবছর হাওড় এলাকায় বন্যা হয়েছিল। আমি জাপান ও জাইকাকে ধন্যবাদ জানাই।
তিনি বলেন, বন্যায় উদ্ধারকাজটা দ্রুত হয়েছে। আমরা যারা আশ্রয়কেন্দ্রে ছিল তাদের শুকনা খাবার ও রান্না করা খাবার দিয়েছি। এখন তারা বাড়িতে ফিরে গিয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কয়েকদিন আগে চট্রগ্রামে গিয়েছিলেন। যেসকল বাড়িঘর ভেঙে গিয়েছিল আমরা তাদের বাড়ি নির্মাণ করে দিয়েছি। এখন কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে তাদের বীজ দেয়া হয়েছে। গ্রামীণ এলাকায় যে অবকাঠামো নষ্ট হয়েছে আমরা কাবিখা দিয়ে নির্মাণ করে দিবো। এলজিইডির যেসমস্ত রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তারাও দ্রুত কাজে হাত দিবে।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন