নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার কুতুবপুর ইউনিয়নের ভূইগড় এলাকায় ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি জোরপূর্বক দখলের পাঁয়তারার অভিযোগ উঠেছে নুর গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের টাটা মিল নামীয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জমির মালিক আফজালুল আলম প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন।
ফতুল্লা মডেল থানায় করা সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানা যায়, কুতুবপুর ইউনিয়নের ভূইগড় মৌজার সি.এস ও এস.এ ৩৫০, আর.এস ৯৯৮, সি.এস ২১৪, এস.এ ২৮৩ এবং আর.এস ৭১ খতিয়ানের ১৫ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন মাওলা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের মালিক আফজালুল আলম। জমি ক্রয়ের পর তিনি নিজ নামে নামজারি করেন এবং নিয়মিত সরকারি খাজনা পরিশোধ করে আসছেন। বর্তমানে ওই জমিতে মাওলা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের গোডাউন ও কারখানা পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
একই দাগ ও খতিয়ানে ডা. আনোয়ার হোসেনের কাছ থেকে আরও ১৫ শতাংশ জমি কেনার বিষয়েও চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন আফজালুল আলম।
অভিযোগে বলা হয়, জমি ক্রয়ের পর থেকেই সংলগ্ন নুর গ্রুপের টাটা মিল নামীয় প্রতিষ্ঠানের ইয়াসমিন মোল্লার ওয়ারিশদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি প্রদর্শন করে জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি জমিটি জোরপূর্বক দখলের জন্য নানা ধরনের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
জমি নিয়ে উচ্চ আদালতে সি.আর. মামলা নং-২০৩৪/২০২৬ চলমান রয়েছে এবং আদালত থেকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
সাধারণ ডায়েরিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ১০ আগস্ট বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে নুর গ্রুপের টাটা মিলের ম্যানেজার মিঠু আফজালুল আলমের মালিকানাধীন সম্পত্তিতে গিয়ে মাওলা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের কর্মচারী আল আমিনকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেন। একই সঙ্গে জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
আফজালুল আলমের অভিযোগ, তার মালিকানাধীন সম্পত্তি বিনামূল্যে ছেড়ে দিতে এবং পরবর্তীতে তা দখলে নিতে একটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে আসছে। এ অবস্থায় নিজের সম্পত্তি রক্ষায় প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
এদিকে, জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ থেকে মুক্তি এবং চলমান পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসীও। তারা বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে নুর গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার কুতুবপুর ইউনিয়নের ভূইগড় এলাকায় ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি জোরপূর্বক দখলের পাঁয়তারার অভিযোগ উঠেছে নুর গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের টাটা মিল নামীয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জমির মালিক আফজালুল আলম প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন।
ফতুল্লা মডেল থানায় করা সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানা যায়, কুতুবপুর ইউনিয়নের ভূইগড় মৌজার সি.এস ও এস.এ ৩৫০, আর.এস ৯৯৮, সি.এস ২১৪, এস.এ ২৮৩ এবং আর.এস ৭১ খতিয়ানের ১৫ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন মাওলা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের মালিক আফজালুল আলম। জমি ক্রয়ের পর তিনি নিজ নামে নামজারি করেন এবং নিয়মিত সরকারি খাজনা পরিশোধ করে আসছেন। বর্তমানে ওই জমিতে মাওলা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের গোডাউন ও কারখানা পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
একই দাগ ও খতিয়ানে ডা. আনোয়ার হোসেনের কাছ থেকে আরও ১৫ শতাংশ জমি কেনার বিষয়েও চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন আফজালুল আলম।
অভিযোগে বলা হয়, জমি ক্রয়ের পর থেকেই সংলগ্ন নুর গ্রুপের টাটা মিল নামীয় প্রতিষ্ঠানের ইয়াসমিন মোল্লার ওয়ারিশদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি প্রদর্শন করে জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি জমিটি জোরপূর্বক দখলের জন্য নানা ধরনের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
জমি নিয়ে উচ্চ আদালতে সি.আর. মামলা নং-২০৩৪/২০২৬ চলমান রয়েছে এবং আদালত থেকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
সাধারণ ডায়েরিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ১০ আগস্ট বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে নুর গ্রুপের টাটা মিলের ম্যানেজার মিঠু আফজালুল আলমের মালিকানাধীন সম্পত্তিতে গিয়ে মাওলা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের কর্মচারী আল আমিনকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেন। একই সঙ্গে জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
আফজালুল আলমের অভিযোগ, তার মালিকানাধীন সম্পত্তি বিনামূল্যে ছেড়ে দিতে এবং পরবর্তীতে তা দখলে নিতে একটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে আসছে। এ অবস্থায় নিজের সম্পত্তি রক্ষায় প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
এদিকে, জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ থেকে মুক্তি এবং চলমান পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসীও। তারা বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে নুর গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন