সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন আজ ১৫ আগস্ট। জীবনের শেষ অধ্যায়ে এসে তিনি প্রয়াত হলেও বাংলাদেশের রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার কারণে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন তিনি।
জন্মদিন উপলক্ষে প্রয়াত এই নেত্রীর রাজনৈতিক জীবন, আন্দোলন-সংগ্রাম ও নেতৃত্বের নানা অধ্যায় স্মরণ করছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিভিন্ন স্থানে দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হচ্ছে।
এ উপলক্ষে সদর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক বলেন, “আজ ১৫ আগস্ট। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন। জীবনের শেষ অধ্যায়ে এসে তিনি আর আমাদের মাঝে নেই; তবে বাংলাদেশের রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা এখনো স্মরণীয় হয়ে আছে।”
১৯৮০-এর দশকে স্বামীর মৃত্যুর পর রাজনীতিতে সক্রিয় হন বেগম খালেদা জিয়া। ধীরে ধীরে তিনি বিএনপির নেতৃত্বের কেন্দ্রে উঠে আসেন। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ের পর তিনি দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর আরও দুই দফায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আন্দোলন, নির্বাচন, রাজনৈতিক সংঘাত, কারাবাস ও নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন খালেদা জিয়া। তার নেতৃত্বে বিএনপি দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখে।
বিশেষ করে সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন এবং পরবর্তী সময়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তার ভূমিকা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে রয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে তিনি ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিতি পান।
তবে তার রাজনৈতিক জীবন ছিল নানা বিতর্ক ও সমালোচনায়ও ঘেরা। ক্ষমতায় থাকা, বিরোধী দলে অবস্থান, রাজনৈতিক আন্দোলন এবং বিভিন্ন মামলাকে ঘিরে দেশের রাজনীতিতে তাকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কও চলেছে। এর মধ্যেই বিএনপির নেতৃত্বে তিনি কয়েক দশক সক্রিয় ছিলেন।
২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
তার মৃত্যুর পর প্রথম জন্মদিনে বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে দিনটি তাই একই সঙ্গে স্মরণ ও শোকের। দলীয় নেতাকর্মীরা তার রাজনৈতিক সংগ্রাম ও নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন।
সদর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক বলেন, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন বাংলাদেশের রাজনীতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। তার নেতৃত্ব, আন্দোলন-সংগ্রাম এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ভবিষ্যতেও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
জন্মদিনে প্রয়াত এই নেত্রীর রাজনৈতিক জীবন ও অবদান স্মরণ করে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছেন বিএনপির নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন আজ ১৫ আগস্ট। জীবনের শেষ অধ্যায়ে এসে তিনি প্রয়াত হলেও বাংলাদেশের রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার কারণে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন তিনি।
জন্মদিন উপলক্ষে প্রয়াত এই নেত্রীর রাজনৈতিক জীবন, আন্দোলন-সংগ্রাম ও নেতৃত্বের নানা অধ্যায় স্মরণ করছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিভিন্ন স্থানে দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হচ্ছে।
এ উপলক্ষে সদর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক বলেন, “আজ ১৫ আগস্ট। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন। জীবনের শেষ অধ্যায়ে এসে তিনি আর আমাদের মাঝে নেই; তবে বাংলাদেশের রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা এখনো স্মরণীয় হয়ে আছে।”
১৯৮০-এর দশকে স্বামীর মৃত্যুর পর রাজনীতিতে সক্রিয় হন বেগম খালেদা জিয়া। ধীরে ধীরে তিনি বিএনপির নেতৃত্বের কেন্দ্রে উঠে আসেন। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ের পর তিনি দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর আরও দুই দফায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আন্দোলন, নির্বাচন, রাজনৈতিক সংঘাত, কারাবাস ও নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন খালেদা জিয়া। তার নেতৃত্বে বিএনপি দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখে।
বিশেষ করে সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন এবং পরবর্তী সময়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তার ভূমিকা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে রয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে তিনি ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিতি পান।
তবে তার রাজনৈতিক জীবন ছিল নানা বিতর্ক ও সমালোচনায়ও ঘেরা। ক্ষমতায় থাকা, বিরোধী দলে অবস্থান, রাজনৈতিক আন্দোলন এবং বিভিন্ন মামলাকে ঘিরে দেশের রাজনীতিতে তাকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কও চলেছে। এর মধ্যেই বিএনপির নেতৃত্বে তিনি কয়েক দশক সক্রিয় ছিলেন।
২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
তার মৃত্যুর পর প্রথম জন্মদিনে বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে দিনটি তাই একই সঙ্গে স্মরণ ও শোকের। দলীয় নেতাকর্মীরা তার রাজনৈতিক সংগ্রাম ও নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন।
সদর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক বলেন, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন বাংলাদেশের রাজনীতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। তার নেতৃত্ব, আন্দোলন-সংগ্রাম এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ভবিষ্যতেও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
জন্মদিনে প্রয়াত এই নেত্রীর রাজনৈতিক জীবন ও অবদান স্মরণ করে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছেন বিএনপির নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন