দেশের বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ডেন্টাল ক্লিনিক এবং মেডিক্যাল চেকআপ সেন্টারগুলোর লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নের মেয়াদ ১ বছরের পরিবর্তে বাড়িয়ে ২ বছর করা হয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর পরিচালক ডা. মো. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কথা জানানো হয়।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন এই নিয়ম ২০২৬-২০২৭ অর্থবছর থেকে কার্যকর হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জারি করা প্রজ্ঞাপনে লাইসেন্স প্রাপ্তি ও নবায়নের ক্ষেত্রে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট শর্ত মেনে চলার কথা বলা হয়েছে।
দুই বছরের লাইসেন্স ফি ও ভ্যাট একসঙ্গে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার ওয়েবসাইটে আবেদন করতে হবে।
নতুন লাইসেন্স গ্রহণের ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের অবস্থানগত ছাড়পত্র বা পরিবেশ ছাড়পত্র অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে।
নারকোটিক দ্রব্য ব্যবহার করতে চাইলে নতুন প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স পাওয়ার পর নারকোটিক লাইসেন্স গ্রহণ করবে।
পরিবেশ অধিদপ্তর বা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নিজ নিজ দপ্তরের হালনাগাদ লাইসেন্স তদারকি করবে।
অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), সিভিল সার্জন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে বেসরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করবেন।
পরির্দশনে অনিয়ম বা ব্যত্যয় দেখা গেলে লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল করা হবে।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
দেশের বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ডেন্টাল ক্লিনিক এবং মেডিক্যাল চেকআপ সেন্টারগুলোর লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নের মেয়াদ ১ বছরের পরিবর্তে বাড়িয়ে ২ বছর করা হয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর পরিচালক ডা. মো. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কথা জানানো হয়।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন এই নিয়ম ২০২৬-২০২৭ অর্থবছর থেকে কার্যকর হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জারি করা প্রজ্ঞাপনে লাইসেন্স প্রাপ্তি ও নবায়নের ক্ষেত্রে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট শর্ত মেনে চলার কথা বলা হয়েছে।
দুই বছরের লাইসেন্স ফি ও ভ্যাট একসঙ্গে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার ওয়েবসাইটে আবেদন করতে হবে।
নতুন লাইসেন্স গ্রহণের ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের অবস্থানগত ছাড়পত্র বা পরিবেশ ছাড়পত্র অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে।
নারকোটিক দ্রব্য ব্যবহার করতে চাইলে নতুন প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স পাওয়ার পর নারকোটিক লাইসেন্স গ্রহণ করবে।
পরিবেশ অধিদপ্তর বা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নিজ নিজ দপ্তরের হালনাগাদ লাইসেন্স তদারকি করবে।
অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), সিভিল সার্জন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে বেসরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করবেন।
পরির্দশনে অনিয়ম বা ব্যত্যয় দেখা গেলে লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল করা হবে।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন