দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি প্রকাশ করেছে কমিশন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার কেবল জাতীয় সংসদের সদস্যদের। সংসদ সদস্যদের গোপন ব্যালটে অনুষ্ঠিত হবে এ নির্বাচন। ভোটগ্রহণ হবে জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
ইসি জানিয়েছে, নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১-এর বিধান অনুসরণ করে স্পিকারের সঙ্গে পরামর্শের পর নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে ১৩ আগস্ট। ওইদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হবে।
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ১৬ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে। এ কার্যক্রম নির্বাচন কমিশন ভবনে অনুষ্ঠিত হবে। কোনো প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে চাইলে ১৮ আগস্ট বিকেল ৪টার মধ্যে তা করতে হবে।
ইসি সচিব জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংসদ সচিবালয় থেকে সংসদ সদস্যদের তালিকা পাওয়ার পর ভোটার তালিকা প্রস্তুতের কাজ সম্পন্ন করা হয়। তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে এগিয়ে নেওয়া হবে।
কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনের পরবর্তী ধাপের অগ্রগতি ও প্রয়োজনীয় তথ্য যথাসময়ে গণমাধ্যমকে জানানো হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সামনে রেখে এরই মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আইন অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের ভোটেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় সংসদ সচিবালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করেই নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন।
এর আগে গত ২৪ জুলাই দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন। তার পদত্যাগের পর রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ায় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু করে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব স্পিকার পালন করবেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের সরাসরি ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই। জাতীয় সংসদের সদস্যরাই এ নির্বাচনের একমাত্র ভোটার। ফলে সংসদ সদস্যদের ভোটার তালিকাকে ভিত্তি করেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে নির্বাচন কমিশন।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি প্রকাশ করেছে কমিশন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার কেবল জাতীয় সংসদের সদস্যদের। সংসদ সদস্যদের গোপন ব্যালটে অনুষ্ঠিত হবে এ নির্বাচন। ভোটগ্রহণ হবে জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
ইসি জানিয়েছে, নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১-এর বিধান অনুসরণ করে স্পিকারের সঙ্গে পরামর্শের পর নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে ১৩ আগস্ট। ওইদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হবে।
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ১৬ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে। এ কার্যক্রম নির্বাচন কমিশন ভবনে অনুষ্ঠিত হবে। কোনো প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে চাইলে ১৮ আগস্ট বিকেল ৪টার মধ্যে তা করতে হবে।
ইসি সচিব জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংসদ সচিবালয় থেকে সংসদ সদস্যদের তালিকা পাওয়ার পর ভোটার তালিকা প্রস্তুতের কাজ সম্পন্ন করা হয়। তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে এগিয়ে নেওয়া হবে।
কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনের পরবর্তী ধাপের অগ্রগতি ও প্রয়োজনীয় তথ্য যথাসময়ে গণমাধ্যমকে জানানো হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সামনে রেখে এরই মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আইন অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের ভোটেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় সংসদ সচিবালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করেই নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন।
এর আগে গত ২৪ জুলাই দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন। তার পদত্যাগের পর রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ায় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু করে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব স্পিকার পালন করবেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের সরাসরি ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই। জাতীয় সংসদের সদস্যরাই এ নির্বাচনের একমাত্র ভোটার। ফলে সংসদ সদস্যদের ভোটার তালিকাকে ভিত্তি করেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে নির্বাচন কমিশন।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন