দায়িত্ব গ্রহণের সোয়া তিন বছরের মাথায় পদত্যাগ করলেন প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রেসিডেন্টের সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এএসএম বাহাউদ্দিন। বঙ্গভবন থেকে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরকৃত পদত্যাগপত্র নিয়ে তিনি শুক্রবার বিকাল ৪টা ২৫ মিনিটে জাতীয় সংসদে আসেন। এদিকে প্রেসিডেন্টের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম। এদিকে প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের পর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন। এছাড়া প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ ইস্যুতে শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে এ ব্রিফিং করবেন তিনি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর সাহাবুদ্দিনকে অপসারণের জোর দাবি উঠে। তাকে অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বঙ্গভবন ঘেরাওসহ নানা কর্মসূচি পালন করে। কিন্তু অভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পরামর্শে প্রেসিডেন্ট পদে পরিবর্তনের উদ্যোগ নেয়নি অন্তবর্তী সরকার। তবে প্রেসিডেন্ট সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে ছিলেন।
গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর প্রেসিডেন্ট পদে পরিবর্তনের ফের আলোচনা শুরু হলেও বিএনপি’র নেতৃত্ব দেশে শুনে ব্যবস্থা নেয়ার পথে হাঁটে। দেড় বছর মেয়াদ থাকায় প্রেসিডেন্ট পদে পরিবর্তনে তাড়াহুড়ো ছিল না এতোদিন। কিন্তু সাহাবুদ্দিন নিজেই পরিস্থিতি জটিল করে তুলেছেন। গত মে মাসে লন্ডন সফরের সময় তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন- গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে এমন তথ্য সামনে এসেছে। গত ৯ থেকে ১৮ই মে সাহাবুদ্দিন চিকিৎসার জন্য লন্ডন সফর করেন।
এসময় তিনি দিল্লিতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে গোয়েন্দা সূত্রের দাবি। অনেকে বলছেন, অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার এই যোগাযোগ সরাসরি শপথ ভঙ্গের মধ্যে পরে। এছাড়া তার এই যোগাযোগ প্রমাণ করে তিনি ফ্যাসিস্টদের পক্ষে এখনও কাজ করছেন। এ কারণে তাকে এই পদে রাখার আর সুযোগ নেই। শেখ হাসিনার সঙ্গে সাহাবুদ্দিনের যোগাযোগের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পরই সরকারের পক্ষ থেকে বঙ্গভবনে বিশেষ বার্তা দেয়া হয়। তাকে সরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে বলা হয়। জুলাই মাসের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সরকারি ইচ্ছার বিষয়টিও তাকে অবহিত করা হয়।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
দায়িত্ব গ্রহণের সোয়া তিন বছরের মাথায় পদত্যাগ করলেন প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রেসিডেন্টের সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এএসএম বাহাউদ্দিন। বঙ্গভবন থেকে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরকৃত পদত্যাগপত্র নিয়ে তিনি শুক্রবার বিকাল ৪টা ২৫ মিনিটে জাতীয় সংসদে আসেন। এদিকে প্রেসিডেন্টের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম। এদিকে প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের পর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন। এছাড়া প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ ইস্যুতে শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে এ ব্রিফিং করবেন তিনি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর সাহাবুদ্দিনকে অপসারণের জোর দাবি উঠে। তাকে অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বঙ্গভবন ঘেরাওসহ নানা কর্মসূচি পালন করে। কিন্তু অভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পরামর্শে প্রেসিডেন্ট পদে পরিবর্তনের উদ্যোগ নেয়নি অন্তবর্তী সরকার। তবে প্রেসিডেন্ট সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে ছিলেন।
গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর প্রেসিডেন্ট পদে পরিবর্তনের ফের আলোচনা শুরু হলেও বিএনপি’র নেতৃত্ব দেশে শুনে ব্যবস্থা নেয়ার পথে হাঁটে। দেড় বছর মেয়াদ থাকায় প্রেসিডেন্ট পদে পরিবর্তনে তাড়াহুড়ো ছিল না এতোদিন। কিন্তু সাহাবুদ্দিন নিজেই পরিস্থিতি জটিল করে তুলেছেন। গত মে মাসে লন্ডন সফরের সময় তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন- গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে এমন তথ্য সামনে এসেছে। গত ৯ থেকে ১৮ই মে সাহাবুদ্দিন চিকিৎসার জন্য লন্ডন সফর করেন।
এসময় তিনি দিল্লিতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে গোয়েন্দা সূত্রের দাবি। অনেকে বলছেন, অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার এই যোগাযোগ সরাসরি শপথ ভঙ্গের মধ্যে পরে। এছাড়া তার এই যোগাযোগ প্রমাণ করে তিনি ফ্যাসিস্টদের পক্ষে এখনও কাজ করছেন। এ কারণে তাকে এই পদে রাখার আর সুযোগ নেই। শেখ হাসিনার সঙ্গে সাহাবুদ্দিনের যোগাযোগের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পরই সরকারের পক্ষ থেকে বঙ্গভবনে বিশেষ বার্তা দেয়া হয়। তাকে সরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে বলা হয়। জুলাই মাসের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সরকারি ইচ্ছার বিষয়টিও তাকে অবহিত করা হয়।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন