ফতুল্লার এনায়েতনগর ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ জলাধার কল্যাণী খাল দখল করে পানি নিষ্কাশনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ক্রোনি ও এন আর গার্মেন্টস নামে দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। এতে বর্ষা মৌসুমে আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতার আশঙ্কা বাড়ছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় খালের ভেতরে প্রতিষ্ঠানদুইটি কালভার্ট ও স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে পানি চলাচলে বাঁধা সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন না হওয়ায় আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।
এনায়েতনগরের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, একসময় কল্যাণী খাল দিয়ে সহজেই পানি প্রবাহিত হতো। কিন্তু ধীরে ধীরে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ ও দখলের কারণে খালটির নাব্যতা ও কার্যকারিতা কমে গেছে। এখন সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাঘাট ও নিম্নাঞ্চলে পানি জমে যায়।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক জুবায়ের সরদার বলেন, আমাদের এলাকার সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এই কল্যাণী খাল। আর এই খাল দখল করে রেখেছে কিছু বড় ব্যবসায়ী। আমরা অতি দ্রুত এই খাল দখলমুক্ত করবো ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, খাল উদ্ধার ও পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করতে স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
এবিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) রায়হান কবির জানান, যদি এই ধরনের কোন স্থাপনার জন্য খালের পানি নিস্কাশন ব্যবস্থার ব্যতয় ঘটে থাকে তাহলে প্রোয়জনে সেগুলো উচ্ছে করে আমরা পানি প্রবাহমান ব্যবস্থা করবো।
স্থানীয়দের দাবি প্রশাসন দ্রুত খালটির প্রকৃত অবস্থা পরিদর্শন করে দখল ও অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে জলাবদ্ধতা সমস্যার বড় ধরনের সমাধান সম্ভব হবে।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
ফতুল্লার এনায়েতনগর ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ জলাধার কল্যাণী খাল দখল করে পানি নিষ্কাশনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ক্রোনি ও এন আর গার্মেন্টস নামে দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। এতে বর্ষা মৌসুমে আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতার আশঙ্কা বাড়ছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় খালের ভেতরে প্রতিষ্ঠানদুইটি কালভার্ট ও স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে পানি চলাচলে বাঁধা সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন না হওয়ায় আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।
এনায়েতনগরের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, একসময় কল্যাণী খাল দিয়ে সহজেই পানি প্রবাহিত হতো। কিন্তু ধীরে ধীরে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ ও দখলের কারণে খালটির নাব্যতা ও কার্যকারিতা কমে গেছে। এখন সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাঘাট ও নিম্নাঞ্চলে পানি জমে যায়।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক জুবায়ের সরদার বলেন, আমাদের এলাকার সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এই কল্যাণী খাল। আর এই খাল দখল করে রেখেছে কিছু বড় ব্যবসায়ী। আমরা অতি দ্রুত এই খাল দখলমুক্ত করবো ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, খাল উদ্ধার ও পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করতে স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
এবিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) রায়হান কবির জানান, যদি এই ধরনের কোন স্থাপনার জন্য খালের পানি নিস্কাশন ব্যবস্থার ব্যতয় ঘটে থাকে তাহলে প্রোয়জনে সেগুলো উচ্ছে করে আমরা পানি প্রবাহমান ব্যবস্থা করবো।
স্থানীয়দের দাবি প্রশাসন দ্রুত খালটির প্রকৃত অবস্থা পরিদর্শন করে দখল ও অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে জলাবদ্ধতা সমস্যার বড় ধরনের সমাধান সম্ভব হবে।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন