দৈনিক সোজা সাপটা

নারায়ণগঞ্জে পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকধারী কয়েকজন ব্যক্তির মাধ্যমে অপহরণ করে নগদ তিন লাখ টাকা ও পাঁচ লাখ টাকার একটি চেক আদায়ের অভিযোগ করেছেন জমি ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন দিলু।

জুয়েলের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ



জুয়েলের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ
জুয়েলের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জে পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকধারী কয়েকজন ব্যক্তির মাধ্যমে অপহরণ করে নগদ তিন লাখ টাকা ও পাঁচ লাখ টাকার একটি চেক আদায়ের অভিযোগ করেছেন জমি ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন দিলু। এ ঘটনায় ফতুল্লা থানা কৃষক দলের আহ্বায়ক জুয়েল আরমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তার বিচার দাবি করেছেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের আকরম খাঁ হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন দেলোয়ার হোসেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত বছরের ৫ আগস্টের পর জুয়েল আরমানসহ স্থানীয় কয়েকজন বিএনপি নেতা তার কাছে চাঁদা দাবি করেন। দাবিকৃত টাকা না দেওয়ায় তাকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসংক্রান্ত একটি মামলায় জড়ানো হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন বলেও জানান তিনি।

দেলোয়ার হোসেনের দাবি, গত ২০ মে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি ফতুল্লা থানার তক্কার মাঠ এলাকায় জুয়েল আরমানের ফার্মেসির সামনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় ফতুল্লা থানার পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকধারী তিন ব্যক্তি তাকে তুলে নিয়ে যান। পরে থানায় না নিয়ে একটি মাজারসংলগ্ন গলিতে গাড়ির মধ্যে আটকে রাখা হয়।

তিনি আরও বলেন, প্রায় আধা ঘণ্টা পর তাকে ডিআইটি মাঠ এলাকায় নিয়ে অন্য একটি সাদা রঙের গাড়িতে তোলা হয়। সেখানে জুয়েল আরমানের নেতৃত্বে কয়েকজন তাকে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন।

দেলোয়ারের ভাষ্য, একপর্যায়ে তিনি আট লাখ টাকা দিতে সম্মত হন। পরে তার পরিচিত এক ব্যবসায়ীর মাধ্যমে বাসা থেকে নগদ তিন লাখ টাকা এবং পাঁচ লাখ টাকার একটি চেক এনে অভিযুক্তদের দেওয়া হয়। এরপর রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফতুল্লা থানা কৃষক দলের আহ্বায়ক জুয়েল আরমান। তিনি বলেন, অপহরণের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

জুয়েল আরমানের দাবি, প্রায় ছয় মাস আগে জমি বিক্রির জন্য দেলোয়ার হোসেন দিলুর কাছ থেকে তিনি আট লাখ টাকা বায়না নিয়েছিলেন। ওই সময় দেলোয়ার তিন লাখ টাকা নগদ এবং পাঁচ লাখ টাকার একটি চেক দেন। পরবর্তীতে পাঁচ লাখ টাকার চেকটি ব্যাংকে ডিজঅনার হয়। জমি লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরেই তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক সোজা সাপটা

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


জুয়েলের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জে পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকধারী কয়েকজন ব্যক্তির মাধ্যমে অপহরণ করে নগদ তিন লাখ টাকা ও পাঁচ লাখ টাকার একটি চেক আদায়ের অভিযোগ করেছেন জমি ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন দিলু। এ ঘটনায় ফতুল্লা থানা কৃষক দলের আহ্বায়ক জুয়েল আরমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তার বিচার দাবি করেছেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের আকরম খাঁ হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন দেলোয়ার হোসেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত বছরের ৫ আগস্টের পর জুয়েল আরমানসহ স্থানীয় কয়েকজন বিএনপি নেতা তার কাছে চাঁদা দাবি করেন। দাবিকৃত টাকা না দেওয়ায় তাকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসংক্রান্ত একটি মামলায় জড়ানো হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন বলেও জানান তিনি।

দেলোয়ার হোসেনের দাবি, গত ২০ মে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি ফতুল্লা থানার তক্কার মাঠ এলাকায় জুয়েল আরমানের ফার্মেসির সামনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় ফতুল্লা থানার পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকধারী তিন ব্যক্তি তাকে তুলে নিয়ে যান। পরে থানায় না নিয়ে একটি মাজারসংলগ্ন গলিতে গাড়ির মধ্যে আটকে রাখা হয়।

তিনি আরও বলেন, প্রায় আধা ঘণ্টা পর তাকে ডিআইটি মাঠ এলাকায় নিয়ে অন্য একটি সাদা রঙের গাড়িতে তোলা হয়। সেখানে জুয়েল আরমানের নেতৃত্বে কয়েকজন তাকে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন।

দেলোয়ারের ভাষ্য, একপর্যায়ে তিনি আট লাখ টাকা দিতে সম্মত হন। পরে তার পরিচিত এক ব্যবসায়ীর মাধ্যমে বাসা থেকে নগদ তিন লাখ টাকা এবং পাঁচ লাখ টাকার একটি চেক এনে অভিযুক্তদের দেওয়া হয়। এরপর রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফতুল্লা থানা কৃষক দলের আহ্বায়ক জুয়েল আরমান। তিনি বলেন, অপহরণের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

জুয়েল আরমানের দাবি, প্রায় ছয় মাস আগে জমি বিক্রির জন্য দেলোয়ার হোসেন দিলুর কাছ থেকে তিনি আট লাখ টাকা বায়না নিয়েছিলেন। ওই সময় দেলোয়ার তিন লাখ টাকা নগদ এবং পাঁচ লাখ টাকার একটি চেক দেন। পরবর্তীতে পাঁচ লাখ টাকার চেকটি ব্যাংকে ডিজঅনার হয়। জমি লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরেই তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।



দৈনিক সোজা সাপটা

সম্পাদক :
আবু সাউদ মাসুদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
জুয়েলের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ
0:00 / 0:00
1x