নারায়ণগঞ্জের বন্দরে দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী জনি (৩৭) পালিয়ে গেছেন।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে বন্দর উপজেলার পুরান বন্দর কলাবাগ এলাকার ইব্রাহিম মিয়ার বাড়ির তৃতীয় তলার একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাথী (৩৫) মিরপুর এলাকার রাজু মিয়ার মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাথী ও তার স্বামী জনি প্রায় ৩ থেকে ৪ বছর ধরে ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন। জনি পেশায় একজন নাপিত। দাম্পত্য জীবনের প্রায় ১৯ বছরে তাদের মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ লেগে থাকত। বুধবার বিকেলেও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে জনি ধারালো ছুরি দিয়ে সাথীর গলায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে স্থানীয়রা জানান।
ঘটনার পর জনি দ্রুত বাসা থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করে।
নিহত দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে। তাদের বড় মেয়ে লামিয়া (১৭) ঘটনার সময় শ্বশুরবাড়িতে ছিলেন। অপরদিকে ১৪ বছর বয়সী ছেলে আমান ঢাকায় কর্মরত থাকায় বাসায় ছিলেন না।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ হতো। সেই দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই এ মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং পলাতক জনিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী জনি (৩৭) পালিয়ে গেছেন।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে বন্দর উপজেলার পুরান বন্দর কলাবাগ এলাকার ইব্রাহিম মিয়ার বাড়ির তৃতীয় তলার একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাথী (৩৫) মিরপুর এলাকার রাজু মিয়ার মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাথী ও তার স্বামী জনি প্রায় ৩ থেকে ৪ বছর ধরে ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন। জনি পেশায় একজন নাপিত। দাম্পত্য জীবনের প্রায় ১৯ বছরে তাদের মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ লেগে থাকত। বুধবার বিকেলেও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে জনি ধারালো ছুরি দিয়ে সাথীর গলায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে স্থানীয়রা জানান।
ঘটনার পর জনি দ্রুত বাসা থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করে।
নিহত দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে। তাদের বড় মেয়ে লামিয়া (১৭) ঘটনার সময় শ্বশুরবাড়িতে ছিলেন। অপরদিকে ১৪ বছর বয়সী ছেলে আমান ঢাকায় কর্মরত থাকায় বাসায় ছিলেন না।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ হতো। সেই দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই এ মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং পলাতক জনিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন