দৈনিক সোজা সাপটা

নারায়ণগঞ্জের মদনপুরে একটি বাসায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই পরিবারের আরও

মারা গেল পুরো পরিবার



মারা গেল পুরো পরিবার
মারা গেল পুরো পরিবার

নারায়ণগঞ্জের মদনপুরে একটি বাসায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই পরিবারের আরও তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে একজনের মৃত্যু হয়েছিল। এতে একই পরিবারের দগ্ধ চার জনই মারা গেলেন।

সোমবার (১৫ জুন) সকাল থেকে রাতের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিন জনের মৃত্যু হয়। এর আগে ১২ জুন দুপুরে আরও একজন মারা যান।

সোমবার ভোরে আলী আহমেদ মান্নান (৫০), সকাল পৌনে ১০টার দিকে মো. সায়েম (১৯) এবং রাত পৌনে ১১টার দিকে মিম (১৩) মারা যান। গত ১২ জুন দুপুর দেড়টার দিকে মারা যান সুলতানা (৩৫)।

জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ১১ জুন ভোরে নারায়ণগঞ্জের মদনপুরে একটি বাসায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একই পরিবারের চার জনসহ মোট পাঁচ জন দগ্ধ হন। তাদের জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। পরে একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

দগ্ধদের মধ্যে আলী আহমেদ মান্নানের শরীরের ৩৫ শতাংশ, সুলতানার ৯০ শতাংশ, সায়েমের ৭৭ শতাংশ এবং মিমের ৪১ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

তাদের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলায়।


আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক সোজা সাপটা

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


মারা গেল পুরো পরিবার

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের মদনপুরে একটি বাসায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই পরিবারের আরও তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে একজনের মৃত্যু হয়েছিল। এতে একই পরিবারের দগ্ধ চার জনই মারা গেলেন।

সোমবার (১৫ জুন) সকাল থেকে রাতের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিন জনের মৃত্যু হয়। এর আগে ১২ জুন দুপুরে আরও একজন মারা যান।

সোমবার ভোরে আলী আহমেদ মান্নান (৫০), সকাল পৌনে ১০টার দিকে মো. সায়েম (১৯) এবং রাত পৌনে ১১টার দিকে মিম (১৩) মারা যান। গত ১২ জুন দুপুর দেড়টার দিকে মারা যান সুলতানা (৩৫)।

জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ১১ জুন ভোরে নারায়ণগঞ্জের মদনপুরে একটি বাসায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একই পরিবারের চার জনসহ মোট পাঁচ জন দগ্ধ হন। তাদের জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। পরে একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

দগ্ধদের মধ্যে আলী আহমেদ মান্নানের শরীরের ৩৫ শতাংশ, সুলতানার ৯০ শতাংশ, সায়েমের ৭৭ শতাংশ এবং মিমের ৪১ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

তাদের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলায়।



দৈনিক সোজা সাপটা

সম্পাদক :
আবু সাউদ মাসুদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
মারা গেল পুরো পরিবার
0:00 / 0:00
1x